স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষায় আকাশে উড়ে বেড়ানো বাংলার ইকারুসের গল্প

বিমান ছিনতাই

(১)

‘ব্লু বার্ড ওয়ান সিক্স সিক্স ইজ হ্যাইজ্যাকড!’

কন্ট্রোল রুম রেডিওতে ভেসে আসা কথাগুলো যেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট চমকের মতো শোনায় ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আসীম রশীদের কাছে! আচমকা বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা স্তম্ভিত করে দিলো তাকে। কাঁপা কণ্ঠে আরো দুবার ক্ষীণ আওয়াজে ধ্বনিত হলো কথাটি। রশীদের হতভম্ব ভাব তখনো কাটেনি! ততক্ষণে রানওয়ে ছেড়ে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল একটি লকহীড টি-৩৩ বিমান! যার কলিং সাইন ব্লু বার্ড-১৬৬। জন্মভূমির প্রতি অসীম ভালোবাসায় সেটি উড়িয়ে নিয়ে চলেছেন এক বঙ্গজ কৃতিসন্তান- মতিউর রহমান।

লকহীড টি-৩৩ বিমান
লকহীড টি-৩৩ বিমান ছিনতাই করে উড়িয়ে নিয়ে চলেছেন- মতিউর রহমান । ছবি- প্রতীকী

(২)

একাত্তরের আগস্ট মাস! পূর্ব পাকিস্তানে পাল্লা দিয়ে চলছে পাকবাহিনীর আগ্রাসন ও মুক্তিযুদ্ধ। যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন সামরিক বাহিনীর অনেক বাঙালি অফিসার। সামরিক বাহিনীতে কর্মরত বাকিদের দেখা হচ্ছে সন্দেহের চোখে।

পাকবাহিনীর আগ্রাসন ও মুক্তিযুদ্ধ
মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর বাঙ্গালীদের উপর নৃশংসতার চিত্র ।

(৩)

মাশরুর এয়ারবেজ, করাচি, পাকিস্তান। সন্দেহবশত গ্রাউন্ডেড করে রাখা হয়েছে সকল বাঙালি অফিসারদের। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান তাদেরই একজন। দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন প্রশিক্ষক ও ফ্লাইট সেফটি অফিসার হিসেবে। বিমান ছিনতাই এড়াতে নেয়া এত সাবধানতার পরও শেষরক্ষা হলো না, আকাশপথে ঠিকই উড়াল দিলেন দুঃসাহসী বাঙালি বীর।

মাশরুর এয়ারবেজ, করাচি, পাকিস্তান
মাশরুর এয়ারবেজ, করাচি, পাকিস্তান যেখান থেকে বিমান ছিনতাই ও টেক অফ করেছিলেন মতিউর রহমান

(৪)

দিনটি ছিল ২০শে আগস্ট! আবহাওয়া বেশ খারাপ থাকায় কোনো সলো ফ্লাইট মিশন ছিল না সেদিন। বেশ ফুরফুরে মেজাজে প্রাতঃরাশের ফরমায়েস দেন তরুণ পাইলট অফিসার রশীদ মিনহাজ। কিন্তু ভবিতব্যের লিখনি ছিলো অন্যকিছু। হঠাৎই আবহাওয়ার উন্নতি হতে শুরু করে। ডুয়াল ফ্লাইং মিশনগুলোর ফাঁকে ‘সলো কনসলিডেশন মিশন’ এর জন্য শিডিউলে মিনহাজের নাম ঢুকিয়ে দেন কোনো এক অফিসার। শিডিউল খতিয়ে দেখার সময় সেটি নজর এড়ায় না মতিউর রহমানের। ফ্লাইট সেফটি অফিসার হিসেবে দাপ্তরিক গাড়ি ব্যবহার করে ফ্লাইট লাইনসমূহ ও টারম্যাকে যাবার অধিকার তার ছিল। তিনি ছিলেন মিনহাজেরও প্রশিক্ষক। তাই তাকেই টার্গেট করলেন মতিউর। শিডিউল পরিবর্তনের কথা জেনে বেরিয়ে পড়েন মিনহাজ। কোর্সমেট পাইলট অফিসার তারিক কোরেশীর মতে, সেটিই তাকে শেষবারের মতো জীবিত দেখা।

পাইলট অফিসার রশীদ মিনহাজ
পাকিস্থানি শিক্ষানবিশ তরুণ পাইলট অফিসার রশীদ মিনহাজ যাকে অজ্ঞান করে টি-৩৩ বিমান ছিনতাই করেছিলেন মতিউর রহমান ।

(৫)

বেলা ১১টা বেজে ২৮ মিনিট! টি-৩৩ (ব্লু বার্ড ১৬৬) বিমান নিয়ে ট্যাক্সিইং করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মিনহাজ। তাকে হাত তুলে থামতে ইশারা করলেন মতিউর। নিয়মানুসারে প্রশিক্ষক চাইলে উড্ডয়নের সময় এভাবে বিমান থামানোর নির্দেশ দিতে পারেন। বিশেষ করে যদি সেটি বিমানের নিরাপত্তাজনিত কোনো কারণে হয়। মতিউরকে ইশারা করতে দেখে মিনহাজ ভাবলেন অতীব জরুরী কোনো কারণে তাকে থামতে বলা হয়েছে। তিনি চাইলেন মতিউর যেন হেডসেটের মাধ্যমে বিমানের ইন্টারকম ব্যবহার করে তার সাথে যোগাযোগ করেন। মতিউর তা করলেন না। বিমানের ডানায় ভর দিয়ে ক্যানোপি খোলা ককপিটে লাফিয়ে বসে পড়লেন মিনহাজের পেছনের সিটে। সওয়ার হলেন কোনো প্রকার ‘ফ্লাইং গিয়ার’ ব্যতিরেকে। মাস্ক সরিয়ে মিনহাজের মুখে চেপে ধরলেন ক্লোরোফর্মে ভেজানো রুমাল। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে পড়লেও বিমান ছিনতাইয়ের বার্তাটি ঠিকই তার আগে দিয়ে ফেলেন মিনহাজ! পেছনের সিট থেকেই বিপজ্জনকভাবে ‘টেক অফ’ করেন মতিউর। রাডারকে ফাঁকি দিয়ে নিমিষেই চলে যান দৃষ্টিসীমার বাহিরে……

টি-৩৩ বিমান
পাকিস্থানি টি-৩৩ বিমান যার একটি ছিনতাই করে উরে আসছিলেন মাতৃভূমির টানে ।

(৬)

মিনহাজের বার্তা শুনে যেন অসার হয়ে গেলেন এয়ারট্রাফিক কন্ট্রোলার আসিম রশীদ। ঠিক শুনেছেন না ভুল যেন বুঝে উঠতে পারছেন না! সংবিৎ ফিরলো যখন দেখলেন বিমানটি নিয়মের বাত্যয় ঘটিয়ে ডানের পরিবর্তে বাঁয়ে বাঁক নিয়ে খুব নিচু দিয়ে উড়ে হারিয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলেন সেক্টর অপারেশনস কমান্ডারের সাথে। হতচকিত কমান্ডার প্রশ্নের পর প্রশ্ন করতে থাকলেন। সময় বাঁচাতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে আসিম যোগাযোগ করেন এয়ার ডিফেন্স অ্যালার্ট হাটে। ‘আ থার্টি থ্রি ইজ বিইং হাইজ্যাকড, স্ক্র‍্যাম্বল…’ ধ্বনিত হবার কিছুক্ষণের মধ্যেই আকাশে উড্ডয়ন করলো দুটি এফ-৮৬ যুদ্ধবিমান। মতিউরের বিমান উড়ছিল রাডার ফাঁকি দিয়ে খুব নিচু দিয়ে। সেটি কোথায় তার হদিশ তাই পাওয়া যাচ্ছিল না। মতিউরের পালিয়ে যাবার পরে ততক্ষণে অতিবাহিত হয়েছে ৮ মিনিট! হিসেব মতে এফ-৮৬ দুটোর সর্বোচ্চ গতিবেগেও তখন আর টি-৩৩ বিমানটিকে পাক-ভারত সীমান্তের আগে ধরা সম্ভব নয়।

এফ-৮৬
এফ-৮৬ যুদ্ধ বিমান যা সেদিন পিছন ধাওয়া করেছিল মতিউর রহমান এর নিয়ন্ত্রনে থাকা টি-৩৩ বিমান কে ।

প্রথম এফ-৮৬ জোড়ের পরে আকাশে ওঠে আরো দুই এফ-৮৬ বিমান। কিন্তু এত ওড়াওড়ির পরেও ব্লু বার্ড ১৬৬ এর কোনো নামগন্ধ না পেয়ে এবার ভুয়া বার্তা পাঠানো শুরু হলো সেটির রেডিও বরাবর। যেন বিমানটি এফ-৮৬ এর নজরসীমায় আছে, আর যেকোনো সময় সেটি ভূপাতিত করতে পারে তারা। কোনো সাড়া পাওয়া যায় না ব্লু বার্ড থেকে। কোনোপ্রকার সাড়া না পেয়ে পাইলট মিনহাজকে নির্দেশ দেয়া হয় ইজেক্ট করে বেরিয়ে আসা জন্য। তখনো নীরব টি-৩৩ এর রেডিও।

এফ-৮৬ যুদ্ধ বিমান
সতীর্থ পাইলটদের সাথে মতিউর রহমান (বাম থেকে ২য়) ও পিছনে পাকিস্থানি এফ-৮৬ যুদ্ধবিমান

তোমাদের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান (হার্ডকভার) বইটি পড়তে পারেন 

(৭)

বিপজ্জনকভাবে পেছনের সিট থেকে বিমান চালনায় ব্যস্ত মতিউর। তার অবস্থান থেকে সম্মুখে দৃষ্টিসীমা অপর্যাপ্ত, তার উপর ফিরতে চলেছে মিনহাজের জ্ঞান। নির্দেশ মেনে মিনহাজ ইজেক্ট করলে বিমানের কার্যপদ্ধতি অনুযায়ী আগে পেছনের সিট ইজেক্ট করবে। তাতে অবধারিত কোনোরকম ফ্লাইং গিয়ার ব্যতীত বসে থাকা মতিউরের মৃত্যু। মিনহাজ বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলেও ঘটতে পারতো বিপত্তি। মতিউর চাইলেন মিনহাজকে পেছন থেকে জাপটে ধরে বা ভয় দেখিয়ে যাত্রাপথে বহাল থাকতে। মিনহাজের সাথে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিমানের ক্যানোপি যায় খুলে। সম্ভবত মিনহাজই লিভার টেনে সেটি খুলে ফেলেন যেন বেল্ট-প্যারাসুটবিহীন মতিউর সেটি খুলতেই উড়ে যান। কিংবা বিমানের ক্যানোপি ঠিকভাবে বন্ধ হয়েছে কি না সেটি হয়তো দৃষ্টিগোচর হয়নি কারুরই। মতিউরের সিটবেল্ট বাঁধা ছিল না। ক্যানোপি খুলতেই প্রবল বাতাসে ছিটকে বেরিয়ে যান তিনি। ভূপাতিত হয়ে দেহত্যাগ করেন এই অকুতোভয় বীর। সেই স্থান থেকে ভারত সীমান্ত ছিল মাত্র ৩ মিনিট দূরত্বে।মতিউর বেরিয়ে যেতেই বিমান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন মিনহাজ। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ক্যানোপির আঘাতে বিমানের টেইল ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিমানটি আকাশেই স্থবির হয়ে ভূমিতে আছড়ে পড়ে। থাট্টায় সিন্ধু নদের মুখে জলাভূমিতে ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ মাইল দূরত্বে আছড়ে পরে ব্লু বার্ড ১৬৬। ঘড়িতে তখন আনুমানিক ১১ টা বেজে ৪৩ মিনিট…

ধ্বংসপ্রাপ্ত ট-৩৩ বিমান
ক্যানপির আঘাতে ভেঙ্গে যাওয়া টেইল এর অংশ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত ট-৩৩ বিমান ! ছবি- প্রতীকী

(৮)

পাকিস্তানিরা ধরেই নিয়েছিল বিমান ছিনতাই সফল। এতক্ষণে তা চলে গিয়েছে ভারতের মাটিতে। তাদের ভ্রম ভাঙে শাহ বন্দর থেকে একটি বিমান দুর্ঘটনার খবর পাবার পর। মিনহাজের মৃতদেহ তখনো সিটের সাথেই বাঁধা ছিল। ধ্বংসাবশেষ থেকে একটু সামনেই সেটি পাওয়া যায়। মতিউর রহমানের মৃতদেহ পড়ে ছিল তারও সামনে।

টি -৩৩ আসনটি প্যারাসুট সহ
টি -৩৩ আসন প্যারাসুট ছাড়া এবং সহ সিট কুশন হিসাবে ব্যবহৃত। মতিউর রহমানের বিমান থেকে কেন উড়ানের কাজ সহজ ছিল না তা ব্যাখ্যা করে।

(৯)

১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান পুরান ঢাকার ১০৯ আগা সাদেক রোডের পৈতৃক বাড়ি ‘মোবারক লজ’ এ জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৌলভী আবদুস সামাদ, মা মোবারকুন্নেসা খাতুন। ৯ ভাই ২ বোনের মধ্যে ছিলেন ষষ্ঠ। ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছিলেন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে, তারপর ভর্তি হন সারগোদার বিমানবাহিনী পাবলিক স্কুলে। ১৯৬১ সালে যোগ দেন বিমানবাহিনীতে। ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পিএএফ কলেজ থেকে কমিশন লাভ করেন এবং জেনারেল ডিউটি পাইলট হন। পরবর্তীতে জেট কনভার্সন কোর্স করে হন জেটপাইলট।

পরিবারের সাথে মতিউর রহমান
পরিবারের সাথে মতিউর রহমান ।

১৯৬৫  সালের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ছিলেন ফ্লাইং অফিসার। ১৯৬৭ সালে পদোন্নতি পেয়ে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হন তিনি। ১৯৬৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মিলি খানের সাথে। পরের দুই বছরে একে একে জন্ম নেয় দুই কন্যাসন্তান মাহিন ও তুহিন। ’৭১ এর জানুয়ারি মাসে বার্ষিক ছুটিতে সপরিবারে ফেরেন ঢাকায়। ১লা মার্চ ফেরার কথা থাকলেও ফেরেননি। ২৫শে মার্চ গ্রামের বাড়ি নরসিংদী ছিলেন। ভৈরবে যুদ্ধে যোগদানেচ্ছু স্বাধীনতাকামী মানুষের প্রশিক্ষণের বন্দোবস্ত করেন। ভৈরব ক্যাম্পে পাকিস্তানি বিমান হামলা করে ১৪ই এপ্রিল। কিন্তু মতিউর পূর্বেই ঘটনা আঁচ করে ফেলায় প্রাণে বেঁচে যায় তারা। বিমান ছিনতাইয়ের মানসে ৯ই মে ফেরেন কর্মস্থলে। দেরিতে যোগদানের কারণ দর্শানোর পর তাকে ফ্লাইট সেফটি অফিসারের দায়িত্ব দেয়া হয়।

মিলি খান দুই কন্যাসন্তান মাহিন ও তুহিন
ছবিতে মতিউর রহমান ও স্ত্রি মিলি খান এবং দুই কন্যাসন্তান মাহিন ও তুহিন

(১০)

তার মরদেহ দাফন করা হয় করাচির মাশরুর এয়ারবেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে। কবরের সামনে লেখা ছিল ‘ইধার সো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার’ (এখানে এক বিশ্বাসঘাতক ঘুমিয়ে)! প্রায় ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ জুন তার দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আনা হয়। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মান ও মর্যাদায় তাকে ২৫ জুন দাফন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিষয়ক বইসমুহ 

(১১)

মাতৃভূমির প্রতি অসামান্য ভালবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী এই বীরকে ১৯৭৩ সালে ভূষিত করা হয় ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার রশীদ মিনহাজকে দেয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘নিশান-ই-হায়দার’ উপাধি। একই ঘটনায় দু’দেশের দুজনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান পাবার এহেন ঘটনা বেশ বিরল।

শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমান এর সমাধি ।

(১২)

মাতৃভূমির প্রতি নিবেদিতপ্রাণ অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে শেষ অব্দি লড়ে যান বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান। দেশের তরে প্রাণ দেয়া এই ক্ষণজন্মা তাই অক্ষয় হয়ে বেঁচে থাকবেন মানুষের মনে!

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান

 

মুক্তিযুদ্ধের ডায়েরি, চিঠি ও স্মৃতিচারণ বিষয়ক বইসমুহ 

তথ্যসূত্র:

https://roar.media/bangla/main/liberation-war/the-bangladeshi-icarus-flight-lieutenant-matiur-rahman/#_ftn3

http://kaiseraeronaut.blogspot.com/2012/10/bluebird-166-is-hijacked_8656.html?m=1

https://www.baf.mil.bd/?page_id=1127

https://legendsofbangladesh.com/matiur-rahman/amp/

http://www.raipura.narsingdi.gov.bd/site/top_banner/

rokomari

rokomari

Published 29 Jan 2018
  0      0
 

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png