কামালপুরের যুদ্ধ

কামালপুরের যুদ্ধ

১.

একাত্তরে বাংলাদেশকে পাক হানাদারদের করালগ্রাস থেকে রক্ষায় মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল ছোট-বড় অসংখ্য যুদ্ধ। সেসব যুদ্ধের কোনোটিই গুরুত্ব ও তাৎপর্যের দিক থেকে কম নয়। প্রতিটি যুদ্ধই যেন ছিল চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এক একটি নতুন সোপান। তারপরও, কিছু যুদ্ধ তো রয়েছেই, যেগুলো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের হীরন্ময় পালক হয়ে রয়েছে। ঠিক সেরকমই কিছু যুদ্ধের সমন্বয়ে সংগঠিত হয়েছিল… অপারেশন কামালপুর। 

২.

ময়মনসিংহ তখনো বৃহত্তর জেলা। জামালপুর হয়েছে পরে। শেরপুর আরো পরে। এই দুই জেলারই সর্বশেষ উত্তরে, গারো পাহাড়ের পাদদেশে, বকশীগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত ছিল কামালপুর। সীমান্তবর্তী এই কামালপুর পরিচিত ছিল সেক্টর ১১ এর আওতাধীন উত্তরাঞ্চলীয় সেক্টর হতে ঢাকার প্রবেশদ্বার হিসেবে। ফলে মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনী উভয়ের কাছেই এই সীমান্তচৌকি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ এক কৌশলগত রণাঙ্গন।

কামালপুর বিওপি
কামালপুর বিওপি

৩.

কামালপুর থেকে সোজা দক্ষিণে বকশীগঞ্জ হয়ে শেরপুরে চলে গেছে একটি সড়ক। এ সড়ক ধরেই সম্ভব ছিল জামালপুর-টাঙ্গাইল হয়ে দ্রুততম সময়ে ঢাকায় পৌঁছানো। কোনোমতেই যেন মুক্তিবাহিনী এ রাস্তা দিয়ে ঢাকার দিকে অগ্রসর হতে না পারে, সেজন্য কামালপুর বিওপিতে শক্তিশালী দুর্গ গড়ে তুলেছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। তৈরি করা হয়েছিল গোলা-নিরোধী ছাদ বিশিষ্ট কংক্রিট বাংকার। ছিল গভীর নালার মাধ্যমে নিজেদের মাঝে যোগাযোগের লক্ষ্যে পরিখা। নিরাপত্তা বেষ্টনী হিসেবে স্ব-নিয়ন্ত্রিত ফাঁদ ও মাইন। রাজাকার ছাড়াও ৩১ রেজিমেন্টের দুটি কোম্পানি দায়িত্বে বহাল ছিল সেখানে। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত রকমের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থাই যেন মোতায়েন করা হয়েছিল। আর মুক্তিবাহিনীর সামনে ছুঁড়ে দেয়া হয়েছিল এক আপাত অসম্ভব চ্যালেঞ্জ।

৪.

একাত্তরে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা তো কোনো বিপদেই ডরাননি। তাহলে এই চ্যালেঞ্জেই বা তারা পিছপা হবেন কেন! তাই পাক বাহিনীর কামালপুর ক্যাম্পেও তারা চালিয়ে গেছেন দফায় দফায় আক্রমণ। মোট চারবার সরাসরি সেটপিস থেকে লড়াই আর অন্তত ২০টি হিট অ্যান্ড রানের পসরা সাজিয়েছিলেন তারা কামালপুরে।

পাকিস্তানি সেনারা অত্যাচার চালাচ্ছে এক বাঙালির উপর
পাকিস্তানি সেনারা অত্যাচার চালাচ্ছে এক বাঙালির উপর; সূত্র: মুজিবনগর ওয়েবসাইট

৫.

ধারাবাহিক সেসব লড়াইয়ের সূচনা হয়েছিল ১২ জুন। সরিষাবাড়ি উপজেলার গ্রামগুলোতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল পাক সৈন্যরা। কিন্তু তারা বাধার সম্মুখীন হয় গ্রামবাসীদের। অনেক গ্রামবাসীই সেদিন মারা গিয়েছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত অধিকৃত হয়নি তাঁদের গ্রামগুলো। ব্যর্থ পাক হানাদাররা অবশ্য পিছু হটার আগে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল কয়েকটি গ্রামে।

৬.

দ্বিতীয় লড়াইটি হয় ৩১ জুলাই দিবাগত রাতে। তা-ও আবার সেটি ছিল সেটপিস আক্রমণ। কমান্ডিং অফিসার মেজর মইনুল হোসেন চৌধুরী রাজি ছিলেন না এত দ্রুত পাকিস্তানি ঘাঁটিতে সেটপিস আক্রমণ করতে। হিট অ্যান্ড রানের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীর উপর গেরিলা আক্রমণ চালাতে চালাতে তাদেরকে দুর্বল করে দেয়াই ছিল তার সমরকৌশল। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নির্দেশে সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন তিনি।

মেজর মইনুল হোসেন চৌধুরী; সূত্র: প্রথম আলো
মেজর মইনুল হোসেন চৌধুরী; সূত্র: প্রথম আলো

৭.

৩১ জুলাই রাতের সেই আক্রমণে উত্তর ও পূর্ব দিক হতে ডেল্টা ও ব্রাভো নামক দুটি কোম্পানি ঝাঁপিয়ে পড়ে শত্রুপক্ষের উপর। বাম দিক থেকে ডেল্টার নির্দেশনায় ছিলেন ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ। আর ডান দিক থেকে ব্রাভোর দায়িত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন হাফিজ। মুক্তিযোদ্ধারা যখন সন্তর্পণে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছেন, ঠিক তখনই গর্জে ওঠে শত্রুপক্ষের আর্টিলারি। ফলে দুটি কোম্পানির গতিই শ্লথ হয়ে যায়। অনেক মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুর কোলেও ঢলে পড়তে থাকেন। ক্রমশ হতাহতের সংখ্যা বেড়ে চললেও মুক্তিযোদ্ধারা কিন্তু পিছপা হননি। তারা ঠিকই আগে বাড়তে থাকেন।

৮.

একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা ভয়ঙ্কর মাইনফিল্ডও পার হয়ে যান। ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ অসীম সাহসিকতার সাথে তাঁর কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ঢুকে পড়েন পাকিস্তানিদের প্রথম ডিফেন্স কর্ডনের শেল প্রুফ বাংকারে। কিন্তু এতেও থেমে থাকেননি তিনি। এরপর তিনি দেখান আরো বড় দুঃসাহস। ২০-২৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সাথে নিয়ে তিনি এবার ঢুকে পড়েন বিওপির অভ্যন্তরে। কিন্তু ভাগ্য তো আর সবসময়ই সাহসীদের সঙ্গ দেয় না। ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজকেও আর দিল না। আচমকা মেশিন গানের একটি গুলি এসে উপহার দেয় তাঁকে মৃত্যুচুম্বন। স্বাধীনতার সূর্য স্বচক্ষে দেখবার আগেই ঘটে এক দুঃসাহসী যোদ্ধার নিদারুণ প্রাণপাত।

কামালপুর যুদ্ধে বড় ভূমিকা ছিল মেজর জিয়ার
কামালপুর যুদ্ধে বড় ভূমিকা ছিল মেজর জিয়ার

মুহাম্মদ লুৎফুল হক এর ‘কামালপুর: ১৯৭১‘ বইটি পড়তে পারেন

৯.

শেষ পর্যন্ত সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেজর মইন মুক্তিযোদ্ধাদের নির্দেশ দেন পশ্চাদপসরণের। এই যুদ্ধে ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ ছাড়াও মুক্তিবাহিনীর আরো ২৮ জন বীরযোদ্ধা শাহাদাৎ বরণ করেন।  আহত হন ক্যাপ্টেন হাফিজসহ ৬৭ জন। আপাতদৃষ্টিতে একে একটি ব্যর্থ যুদ্ধই বলা যায় মুক্তিবাহিনীর জন্য। কিন্তু এই ব্যর্থ যুদ্ধের ইতিবাচক দিকও নেহাত কম ছিল না। এই যুদ্ধে মুক্তিবাহিনী যে মনোবল ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিল, তা তাদেরকে উৎসাহ জুগিয়েছিল পরের যুদ্ধগুলোতে।

১০.

অপারেশন কামালপুর এখানেই শেষ হয়নি। আরো অন্তত তিনবার এখানে সেটপিস আক্রমণ চালায় মুক্তিবাহিনী। মূলত অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে গোটা বাংলাদেশেই বদলে যায় যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি। বাড়িয়ে দেয়া হয় পাকিস্তানি ঘাঁটিগুলোতে হামলার পরিমাণ। তারই সূত্র ধরে ২২ অক্টোবর আরো একবার আক্রমণ চালানো হয় কামালপুরেও। সেবারও কামালপুর জয় সম্ভব হয়নি বটে, কিন্তু কাঁপন ধরিয়ে দেয়া গিয়েছিল পাকিস্তানিদের মনে। তাদেরকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছিল, সামনে আরো বড় কিছু আসছে।

সালাউদ্দিন মমতাজ
ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ; সূত্র: প্রথম আলো

১১.

সেই বড় কিছু আসে নভেম্বরে। ১৪ নভেম্বর ছিল সেক্টর ১১ এর অধিনায়ক মেজর তাহেরের জন্মদিন। তিনি চেয়েছিলেন, কামালপুরের শত্রুঘাঁটিতে স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়ানোর মাধ্যমে উদযাপন করবেন নিজের জন্মদিন। চিরস্মরণীয় করে রাখবেন দিনটি। পরিকল্পনা মাফিক ১৪ নভেম্বর প্রথম প্রহরে তিনদিক থেকে একযোগে আক্রমণ চালানো হলো কামালপুরে। অতর্কিত এই হামলায় পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে যায় পাকিস্তানিরা। প্রাণ বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালায় তারা। মুক্তিবাহিনীর ভয়ংকর আক্রমণে তারা রীতিমতো নাস্তানাবুদ হতে থাকে। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার, সেদিন আত্মসমর্পণ করেনি পাকিস্তানিরা। শেষ মূহুর্তে বাংকারে ঢুকে আত্মরক্ষা করে তারা। মুক্তিবাহিনী সেদিন হতাশ হয়েছিল বটে। বিজয়ের এত কাছাকাছি এসেও ফিরে যাওয়াটা মানা যায় না। তবে এটুকু তাঁরা সেদিনই জেনে গিয়েছিলেন, বিজয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের আর বেশি দেরি নেই।

১২.

নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে মরণ কামড় দেয় মুক্তিবাহিনী। ২৪ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ১১ দিন তাঁদের হাতে অবরুদ্ধ থাকে কামালপুর। কোনো দিক দিয়েই সাহায্য-সরবরাহ পায় না পাকিস্তানিরা। অবরোধ ভাঙার ব্যর্থ চেষ্টা করে করে যেন হাঁপিয়ে যায় তারা। এদিকে বকশীগঞ্জ-কামালপুরের মধ্যে প্রতিটি সড়কে বসানো হয় অ্যামবুশ। একে একে ধ্বংস করা হতে থাকে পাকিস্তানিদের সকল যান। একটু একটু করে শুষে নেয়া হয় হানাদারদের সবটুকু প্রাণরস। এবার শুধু অপেক্ষা তাদের আত্মসমর্পণের।

ব্রাহ্মণপাড়ায় জমায়েত হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধারা
ব্রাহ্মণপাড়ায় জমায়েত হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধারা; সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন

১৩.

৩ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে যায় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। শত শত ভারতীয় সামরিক যান আসে সীমান্তে। ৪ ডিসেম্বর সীমান্তঘেঁষা ভারতীয় গ্রাম ব্রাহ্মণপাড়ায় সশরীরে হাজির হন ভারতীয় ৯৫ মাউন্টেন ব্রিগেডের অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার হরদেব সিং ক্লেয়ারও। মুক্তিবাহিনীর সাথে আলোচনা শেষে তিনি ঘোষণা দেন, আত্মসমর্পণ করাতে হবে কামালপুরের পাকিস্তানি সেনাদের।

১৪.

“কিন্তু, পাকিস্তানি ক্যাম্পে কে যাবে আত্মসমর্পণের চিঠি নিয়ে?” প্রশ্নটি ছুঁড়ে দেন ব্রিগেডিয়ার ক্লেয়ার। মুহূর্তে জবুথবু সবাই। উপস্থিত হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা ইতিমধ্যেই সম্মুখ সমরে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। সুতরাং তাঁদের সাহসের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। কিন্তু সরাসরি শত্রু-শিবিরে গিয়ে প্রবেশ মানে যে নিশ্চিত মৃত্যু! কে চাইবে নিশ্চিত মৃত্যুকে বরণ করে নিতে? কে হবে এমন আত্মঘাতি?

বশির আহমেদ
স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিলেন বশির আহমেদ; সূত্র: প্রথম আলো

১৫.

ব্রিগেডিয়ার ক্লেয়ার প্রশ্নটি দ্বিতীয়বার করতেই কেউ একজন বলে ওঠেন, “আমি যাব?” কে তিনি? তিনি এক নিতান্তই কিশোর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর নাম বশির আহমেদ। মোটামুটি অবধারিত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেই যেন, হাতে সাদা পতাকা আর পকেটে আত্মসমর্পণের আহবান জানানো চিঠি নিয়ে কামালপুর বিওপির উদ্দেশে রওনা হন এই কিশোরযোদ্ধা।

১৬.

শুরু হয় অপেক্ষা। এক অসহ্য অপেক্ষা। প্রতিটি সেকেন্ড যেন এক একটা বছরের সমান দীর্ঘ। তারপরও একপর্যায়ে শেষ হয় নির্ধারিত সময়। কিন্তু না, ফেরেন না বশির আহমেদ। মিত্রবাহিনীর কর্মকর্তারা অবাক দৃষ্টিতে দেখেন, বশির ফিরছেন না দেখে এবার রওনা দিইয়েছেন আরেক দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধা আনিসুল ইসলাম সঞ্জু। তাঁর সাথে রয়েছে আরো কড়া ভাষায় লেখা চিঠি। তিনি যাওয়ার পরও পেরিয়ে যায় লম্বা সময়। দেখা নেই বশির কিংবা সঞ্জু কারোরই। সবাই ধরেই নেন, হয় পাকিস্তানিদের গুলিতে মারা গেছেন তাঁরা, কিংবা মাইনে উড়ে গেছে তাঁদের শরীর।

 বশির আহমেদ (বাঁয়ে) ও আনিসুল ইসলাম সঞ্জু
কামালপুর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ মুহূর্তের দুই নায়ক বশির আহমেদ (বাঁয়ে) ও আনিসুল ইসলাম সঞ্জু। ছবি: হারুন হাবীব

১৭.

কামালপুরের উপর দিয়ে কয়েক দফা বিমান ওড়ানো হয়। পাকিস্তানিদের প্রতি নিশ্চিত ইঙ্গিত, আর দেরি করলে গুঁড়িয়েই দেয়া হবে গোটা ঘাঁটি। টনক নড়ে হানাদার বাহিনীর। ফিরে আসেন সঞ্জু। তবে পাক ক্যাম্পে রয়ে যান বশির। সঞ্জু জানান, আত্মসমর্পণে রাজি হয়েছে পাকিস্তানিরা।

১৮.

এরপর ওই ৪ ডিসেম্বরই ঘটে কামালপুরের পাকিস্তানিদের সেই ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ। ঐতিহাসিক এ কারণে যে, সেটিই ছিল বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানিদের প্রথম আত্মসমর্পণ। চোখে-মুখে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে সেদিন আত্মসমর্পণ করেছিল একজন ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে ১৫০ জনেরও বেশি নিয়মিত বাহিনীর সদস্য, ৩০ জনের ওপর রেঞ্জার ও মিলিশিয়াসহ বেশ কিছু স্থানীয় রাজাকার। এভাবেই বহু ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে সফল হয় অপারেশন কামালপুর।

কামালপুরে পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ
কামালপুরে পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ; ছবি: হারুন হাবীব

জেলা ও সেক্টর-ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বইসমুহ

১৯.

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অপারেশন কামালপুরের স্মৃতি হয়ে থাকবে চিরস্মরণীয়। পুরো মুক্তিযুদ্ধে কামালপুরে অনুষ্ঠিত সবগুলো যুদ্ধ মিলিয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১৯৭। আর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পক্ষে নিহত হয়েছে ২২০ জন। শুধু অপারেশন কামালপুরে বীরত্ব ও সাহসিকতার জন্যই বীর উত্তম থেকে বীর প্রতীক সম্মাননা পেয়েছেন ২৯ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এমন দৃষ্টান্ত বিরল। তাই তো এই অপারেশন কামালপুরের স্মৃতিও চিরকাল হয়ে রইবে অক্ষয়।

বাঙালিদের বিজয়োল্লাস
বাঙালিদের বিজয়োল্লাস

মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা বিষয়ক বইসমুহ

তথ্যসূত্র

https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2018/03/17/185073.php

https://www.kalerkantho.com/print-edition/victory-day-special/2014/12/16/163466

https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1571172/

https://molwa.gov.bd/

srbokul

srbokul

Published 13 Nov 2019
American Thriller author Daniel Gerhard Brown was born on June 22. The birthplace of this author, known as Dan Brown, is in Exeter, New Hampshire, United States. His father was renowned mathematics teacher Richard G.
  0      0
 

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png