অপারেশন কিলোফ্লাইটঃ যেভাবে উত্থান হলো বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর

অপারেশন কিলোফ্লাইট

১.

১৯৭১ সাল। বাঙালির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘটনাবহুল বছর। এ বছরই পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের উত্থান ঘটে এক স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে। কিন্তু স্বাধীনতা লাভের সে পথ ছিল ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ। পেরোতে হয়েছে নানা ঘাত-প্রতিঘাত। ভাঙতে হয়েছে অজস্র বাধার দেয়াল। আত্মবিসর্জন দিতে হয়েছে লাখো শহীদকে। সম্ভ্রম হারিয়েছেন অসংখ্য মা-বোন। তাদের বুকের তাজা রক্ত ও দীর্ঘশ্বাস মিশে আছে আমাদের স্বাধীনতায়, জাতীয় পতাকায়। কিন্তু তারপরও সমানে সমানে লড়াইয়ের মাধ্যমে বীর বাঙালি শেষ পর্যন্ত ঠিকই ছিনিয়ে এনেছে স্বাধীনতার লাল সূর্য। সেই বিজয়ে অন্যতম প্রধান ভূমিকা ছিল যুদ্ধ চলাকালীন গঠিত স্বাধীন বাংলার প্রথম বিমানবাহিনীরও। নিরাপত্তার স্বার্থে যার কোড নেম ছিল… কিলো ফ্লাইট!

লাখো শহীদ
আত্মবিসর্জন দিতে হয়েছে লাখো শহীদকে; সূত্র: ফোকাস বাংলা

২.

১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পরও ক্ষমতার মসনদে বসতে দেয়া হয়নি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে। তাছাড়া সাতচল্লিশে দেশভাগের পর থেকেই নানাভাবে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছিল পূর্ব বাংলার মানুষ। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক- সকল খাতেই দাবিয়ে রাখা হচ্ছিল তাদের। পূর্ব বাংলার প্রতি সবদিক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বৈষম্য-বঞ্চনার কথা বেশ ভালোভাবেই অবগত ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থানরত বাঙালি সামরিক সদস্যরা। বাদ যাননি বিমান সেনা ও অফিসাররাও। পাকিস্তানে বসে বিষয়গুলো আরো যেন বেশিই ধরা দিচ্ছিল তাদের সামনে। পূর্ব বাংলার সাধারণ বাঙালিরা হয়তো রাজপথে নেমে নিজেদের দাবিতে সরব হয়েছিল, যা তারা পারেননি। তবে মনে মনে তারাও ফুঁসছিলেন। চাইছিলেন দেশের স্বার্থবিরোধী হানাদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, পেশার খাতিরে তারা কিনা বাস করছিলেন শত্রুরই ডেরায়!

বাঙালিদের বিক্ষোভ
বাঙালিদের বিক্ষোভ; সূত্র: AP

৩.

দৃশ্যপট পাল্টে যেতে থাকে একাত্তরের মার্চে। ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জনসমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে যে তেজোদ্দীপ্ত ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু, তা ছুঁয়ে যায় সবার মন। ফেনিত হতে শুরু করে হৃদয় অলিন্দে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা দেশপ্রেম। আর সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি আসে ২৫শে মার্চ কালরাতে। রাতের আঁধারে অসহায়, নিরস্ত্র বাঙালির উপর নির্মম ধ্বংসযজ্ঞই শুধু চলেনি, গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঙালির যাবতীয় আশা-ভরসার কেন্দ্রস্থল বঙ্গবন্ধুকেও। বঙ্গবন্ধুর সাথে নিয়মিতই সংযোগ ছিল পাকিস্তানে অবস্থানরত বাঙালি বিমানসেনা ও অফিসারদের। শত্রু শিবিরে বসে বঙ্গবন্ধুর বাণীই ছিল তাদের সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণার উৎস। সেই বঙ্গবন্ধুর জীবনই যখন হয়ে উঠল বিপন্ন ও অনিশ্চিত, তারা মনস্থির করে ফেললেন: আর নয় শোষকদের দাসত্ব, করতে হবে সম্মুখসমরে যুদ্ধ!

বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণ
বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণ

৪.

পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসেন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অনেক বাঙালি ক্যাডেট, সেনা ও অফিসার। পাঁচ শতাধিক বিমানসেনার পাশাপাশি ৩৫ জন অফিসার পদধারীও ছিলেন সেখানে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকেন তারা। বাংলাদেশে তখন ছিল না কোনো বিমানবাহিনী। তাই শুরুর দিকে আকাশপথে নয়, জলে-স্থলেই সীমাবদ্ধ থাকে তাদের যুদ্ধ।

১৯৭১ সাল বাঙালি
১৯৭১ সাল বাঙালির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘটনাবহুল বছর। সূত্র: sahos24.com

৫.

পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা বিমানসেনা ও অফিসাররা মনে-প্রাণে চাইছিলেন, বাংলাদেশের যাতে ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও একটি বিমানবাহিনী হয়। কারণ এতে মুক্তিবাহিনীর শক্তিমত্তা যাবে বহুগুণে বেড়ে। ভারতীয় সরকার ও বিমানবাহিনীর সাথে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলে আসছিল তাদের। অবশেষে আসে সেই বহুল প্রতীক্ষিত দিনটি। ২৮ সেপ্টেম্বর। এদিনই ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরের পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটিতে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশের প্রথম বিমানবাহিনীর। সেই পাহাড়ঘেরা, দুর্গম জায়গায় বসে বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার। তার নামের আদ্যক্ষর ‘কে’ থেকেই নামকরণ করা হয় কিলো ফ্লাইটের।

এ কে খন্দরকার
এ কে খন্দরকার ও তার লেখা বই  ‘১৯৭১ : ভেতরে বাইরে’ ; সূত্র: যুগান্তর

এ কে খন্দকার এর ‘১৯৭১ : ভেতরে বাইরে (হার্ডকভার)‘ বই ! 

৬.

কিলো ফ্লাইটের অধিনায়ক নির্বাচিত হন স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ। তাছাড়া বিভিন্ন সেক্টরে যুদ্ধরত ৫৮ জন বিমানসেনাকে নিয়ে আসা হয় কিলো ফ্লাইটে। ছিলেন আনুমানিক দশ থেকে বারোজন পাইলট এবং কয়েকজন টেকনিশিয়ানও।

কিলো ফ্লাইটের কিছু সদস্য
কিলো ফ্লাইটের কিছু সদস্য; সূত্র: বাংলাদেশ বিমানবাহিনী

৭.

বিমানবাহিনীর প্রধান এ কে খন্দকার এবং প্রবাসী সরকারের প্রচেষ্টায় পাওয়া গিয়েছিল মোট দুটি বিমান ও হেলিকপ্টার। একটি বিমান ছিল আমেরিকান প্রস্তুতকৃত ডিসি-৩ ডাকোটা। এটি প্রবাসী সরকার উপহার পেয়েছিল ভারতের যোধপুর রাজ্যের মহারাজার তরফ থেকে। অপর বিমানটি ছিল কানাডায় তৈরি ডিএইচসি-ত্রি অটার। আর হেলিকপ্টারটি ফ্রান্সে নির্মিত এলুয়েট থ্রি মডেলের। সবগুলো বিমানই ছিল সেকেলে ও বেসামরিক। কিলো ফ্লাইটের দক্ষ প্রকৌশলীদের কৃতিত্বে এগুলো হয়ে ওঠে যুদ্ধে ব্যবহারের উপযোগী। ভারত সরকার সরবরাহ করে বিমান ও হেলিকপ্টার থেকে ব্যবহারের মেশিনগান, রকেট, পড এবং জ্বালানী।

অটার
অটার; সূত্র: ডিফেন্স বাংলা

৭.

পরের মাস দুয়েক চলে কঠোর মাত্রার প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণে নেতৃত্ব দিতে থাকেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর অনেক কর্মকর্তা। দিন-রাত কিলো ফ্লাইটের সদস্যের পেছনে খাটতে থাকেন ভারতীয় বিমানবাহিনীর সদস্যরা। টানা দুই মাসের প্রশিক্ষণের পর কিলো ফ্লাইটের প্রথম আক্রমণের দিন ধার্য করা হয় ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে দিনটি পরবর্তীতে পিছিয়ে দেয়া হয়।

প্রশিক্ষণ
প্রশিক্ষণ; সূত্র: ডিফেন্স বাংলা

৮.

কিলো ফ্লাইটের সমরকৌশল নির্ধারিত হয় ‘হিট অ্যান্ড রান’। রাতে আক্রমণ করতে পারত না পাকিস্তানি বিমানবাহিনী। তাদের এই অপারগতাকে কাজে লাগানোই কিলো ফ্লাইটের প্রধান কৌশল। রাতের আঁধারে পাকিস্তানি ঘাঁটিগুলোতে আচমকা আক্রমণ করতে হবে। সেই সাথে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকেও যথাসম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত করে আসতে হবে। এই সমরকৌশল মেনেই ৩ ডিসেম্বর কিলো ফ্লাইট তাদের প্রথম আঘাত হানে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার ইস্টার্ন রিফাইনারি ও নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল তেল ডিপোতে।

মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনী
মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনী; সূত্র: বাংলাদেশ বিমানবাহিনী

৯.

তেল ডিপোর আক্রমণ দুটি ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এই ডিপোগুলো থেকেই পাকিস্তানি বিভিন্ন বাহিনীতে জ্বালানি সরবরাহ করা হতো। ইতিপূর্বে গেরিলা বাহিনী বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় তেল ডিপোগুলোর ক্ষতি করতে। শেষ পর্যন্ত অটার বিমান ও অ্যালুয়েট হেলিকপ্টারের সাহায্যে সম্ভব হয় কাজটি করা। ৪ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধের প্রাক্কালে এই মিশন দুটি স্বভাবতই পাকিস্তানকে ভঙ্গুর ও অপ্রস্তুত করে দেয়। তাছাড়া জন্মের মাত্র ৬৬ দিনের মাথায় এমন অসাধারণ অভিযান পরিচালনা চাট্টিখানি কথা নয়।

জেলা ও সেক্টর-ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বইসমূহ 

১০.

কিলো ফ্লাইটের পরবর্তী অভিযানটি পরিচালিত হয় ৫ ও ৬ ডিসেম্বর। সেটির লক্ষ্যস্থল ছিল সিলেটের মৌলভীবাজারের পাকিস্তানি সেনা ছাউনি। এদিকে কিলো ফ্লাইটের ঘাঁটি ডিমাপুর থেকে সরিয়ে প্রথমে শমসেরনগর, পরবর্তীতে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে আগরতলায় নিয়ে যাওয়া হয়।

অ্যালুয়েট
অ্যালুয়েট; সূত্র: ডিফেন্স বাংলা

১১.

কিলো ফ্লাইটের একটি খুবই উল্লেখযোগ্য আক্রমণ সংঘটিত হয়েছিল ১৩ ডিসেম্বর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ত্যাগের পূর্বে ভৈরব ব্রিজ ধ্বংস করে দিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদাররা। ফলে মিত্রবাহিনীর ঢাকা অভিমুখে অগ্রসরের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। উপায়ন্তর না দেখে মিত্রবাহিনী নরসিংদীতে হেলিকপ্টার দিয়ে ছত্রীসেনা অবতরণ করায়। ওই সময় পাকিস্তানী বাহিনী উল্টো অ্যাম্বুশ করে আক্রমণ করলে বিপাকে পড়ে যায় মিত্রবাহিনীর ছত্রীসেনারা। তখন সাহায্য করতে এগিয়ে আসে কিলো ফ্লাইট। পাকিস্তানি বাহিনীর উপর আক্রমণ চালায় তারা। নিহত হয় ২০ জন পাকিস্তানি সেনা। সাথে আহত হয় আরো ২০-২৫ জন। বাকিরা পালিয়ে যায় নরসিংদী ছেড়ে।

১২.

সব মিলিয়ে ৪ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অটার ১২টি ও অ্যালুয়েট ৭৭টি ছোট-বড় আক্রমণ চালায়। এর মধ্যে প্রায় ৪০টি ছিল সিলেট, কুমিল্লা, দাউদকান্দী ও নরসিংদীতে কমব্যাট মিশন। কিলো ফ্লাইট তাদের বীরত্বের স্বাক্ষর রাখে নারায়ণগঞ্জ, জামালপুর ও মেঘনা নদীতেও।

হেলিকপ্টারে প্রস্তুত মেশিনগানা
হেলিকপ্টারে প্রস্তুত মেশিনগানার; সূত্র: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টরকমান্ডার, সামরিক ও বেসামরিক বাহিনী বিষয়ক বই ! 

১৩.

১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে শত্রুমুক্ত হয় বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল। বিজয় লাভ করে এই দেশ। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে মিত্রবাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। তাদের সাহায্য ছাড়া বাংলাদেশের বিজয়ের প্রতীক্ষা হয়তো আরো প্রলম্বিত হতো। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, মিত্রবাহিনী যাতে তাদের কাজ ঠিকভাবে করতে পারে, সেজন্য কিলো ফ্লাইটেরও ছিল অপরিসীম ভূমিকা। তাই বাংলাদেশের বিজয়লাভে কিলো ফ্লাইট তথা বাংলাদেশের বিমানবাহিনীও দাবিদার বড় ধরনের কৃতিত্বের।

কিলো ফ্লাইটের কয়েকজন অফিসার
কিলো ফ্লাইটের কয়েকজন অফিসার; সূত্র: বাংলাদেশ বিমানবাহিনী

১৪.

মুক্তিযুদ্ধ শেষে কিলো ফ্লাইটের উচ্চপদস্থ অনেকেই পেয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক খেতাব। ২০১৭ সালে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছে বাংলাদেশ বাহিনী। ২০১৮ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার জিতেছেন কিলো ফ্লাইটের অধিনায়ক, বীর উত্তম সুলতান মাহমুদও।

২০১৭ সালে স্বাধীনতা পদক
২০১৭ সালে স্বাধীনতা পদক পায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী; সূত্র: আইএসপিআর

১৫.

কিন্তু ইতিহাস তো বেঁচে থাকে না বইয়ের পাতায়। কিংবা কোনো সম্মাননায়। ইতিহাস বেঁচে থাকে মানুষের মনে। এই বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে কিলো ফ্লাইট তথা বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যে অবদান, তা কখনো ভুলবার নয়। ভোলা উচিতও নয়।তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি অপারেশন কিলোফ্লাইট কে।

মুক্তিযুদ্ধের দলিল ও গবেষণাপত্র বিষয়ক বইসমুহ 

 

তথ্যসূত্রঃ

১. https://www.youtube.com/watch?v=IQbiccNFTXc

২. https://defencebangla.com/aircrafts-in-our-liberation-war/

৩. একাত্তর: ভিতরে ও বাইরে (এ কে খন্দকার)

৪. https://www.channelionline.com/

৫. https://www.ntvbd.com/bangladesh/31288/

rokomari

rokomari

Published 29 Jan 2018
Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money.
  0      0
 

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png