অপারেশন সার্চলাইটঃ বিংশ শতাব্দীর বর্বরতম গণহত্যার সূচনা

অপারেশন সার্চলাইট

১.

গভীর রাতে প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল প্রফেসর নূরুল উল্লার। ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের অধ্যাপক তিনি। তার বাসার ঠিক সামনেই ৩০০ গজ দূরে জগন্নাথ হলের ছাত্রাবাস এবং মাঠ।

চারদিকে অবিরাম গোলাগুলি আর মর্টারের আওয়াজ। এর মধ্য দিয়েই জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন তিনি। নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের মধ্যেও বুঝতে পারলেন, চারদিকে মিলিটারি গিজগিজ করছে। হলের রুমে রুমে গিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে তল্লাশী করছে, রুমগুলোতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, আর থেমে থেমে এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষণ করছে। ছিটকে আসা গুলির ভয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাসার করিডোরে বসে রাত কাটালেন প্রফেসর।

ভোরের আলো ফোটার পর সাহস করে আবার উঁকি দিলেন বাইরে। এবার যে দৃশ্য দেখলেন, তার জন্য তিনি মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না। তার চোখের সামনে একের পর এক সংঘটিত হতে লাগলো নৃশংস হত্যাকাণ্ড। নিরস্ত্র, আহত ছাত্রদেরকে বয়ে এনে মাঠের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে মেরে ফেলা হতে লাগলো ব্রাশ ফায়ার করে।

অপারেশন সার্চলাইট জগন্নাথ হলের ছাত্রাবাস
জগন্নাত হলে ২৫ শে মার্চ রাতে প্রফেসর নূরুল উলার ক্যামেরায় তোলা ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার ছবি যা পরের দিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। ছবি- সংগৃহীত

দেশের ক্রান্তিকালে চুপ করে বসে থাকতে পারলেন না নূরুল উলা। বাইরে রাস্তা দিয়ে তখনও মিলিটারি ট্রাক আসা-যাওয়া করছে। লাউড স্পীকারে কার্ফিউর ঘোষণা জানান দিচ্ছে। হুঁশিয়ার করে দিচ্ছে, কেউ যেন জানালা দিয়ে বাইরে না তাকায়। কিন্তু তারপরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজের ভিডিও ক্যামেরাটা বের করে আনলেন তিনি। জানালার কাঁচ ঢেকে দিলেন কালো কাগজ দিয়ে। এরপর কাগজে ছোট একটা ফুটো করে ক্যামেরার লেন্সটা চেপে ধরলেন তার উপর। জানালাটা একটু ফাঁক করে সামান্য একটু বাড়িয়ে দিলেন মাইক্রোফোনটা। ধারণ করতে লাগলেন ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যাগুলোর একটার প্রত্যক্ষ দৃশ্য।

জগন্নাথ হলের এই হত্যাকাণ্ড ছিল ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতের শত শত হত্যাকাণ্ডের মধ্যে একটি। সেদিন হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী নেমে এসেছিল একটি জাতির ন্যায্য অধিকারের দাবিকে চিরতরে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার জন্য। তারা শুরু করেছিল বিংশ শতাব্দীর নৃশংসতম অপারেশনগুলোর মধ্যে একটি। যে অপারেশনের কোডনেম ছিল ‘অপারেশন সার্চলাইট’!

কিল থ্রি মিলিয়ন অব দেম, অ্যান্ড দ্য রেস্ট উইল ইট আউট অব আওয়ার হ্যান্ডস – সেনা বৈঠকে ইয়াহিয়ার মন্তব্য

২. অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয়েছিল ২৫শে মার্চ মাঝরাতে। কিন্তু এর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল আরো অনেক আগে। ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনের কিংবা ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক দেওয়ারও অনেক আগে – ফেব্রুয়ারির ২২ তারিখে। মূলত সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে যে টালবাহানা শুরু করেছিল, অপারেশন সার্চলাইট ছিল তারই চূড়ান্ত রূপ। বাঙালি কোনো নেতা সমগ্র পাকিস্তানকে শাসন করবে, এ ধারণাটিই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল না। ফলে তারা সিদ্ধান্ত নেয়, বল প্রয়োগের মাধ্যমেই বাঙালির অধিকার আদায়ের স্বপ্নকে তারা চিরতরে চুরমার করে দেবে।

২৫শে মার্চ রাত ১১.৩০ মিনিটে পাকিস্তানি সৈন্যরা সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে আসে। প্রথমেই তারা ফার্মগেটে মিছিলরত বাঙালিদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে অপারেশন সার্চলাইটের সূচনা ঘটায়। এরপর একযোগে তারা আক্রমণ চালায় পিলখানার ইপিআর সদর দপ্তর এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনে। রাত ১.৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তবে তার আগেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করে যেতে সক্ষম হন।

অপারেশন সার্চলাইট শুধু ঢাকার মধ্যেই সীমিত ছিল না। ঢাকার বাইরে কুমিল্লা ও যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানিরা আক্রমণ করে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সেনাদের উপর। চট্টগ্রামে গুলিবর্ষণ করে সাধারণ জনতার উপর।

ঢাকায় ইত্তেফাক, সংবাদ ও দি পিপলসসহ বিভিন্ন পত্রিকা অফিসে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে হত্যা করে বহু সংবাদকর্মীকে। গভীর রাতে ইকবাল হল, জগন্নাথ হল, রোকেয়া হলসহ শিক্ষকদের আবাসিক এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে হত্যা করে বহু ছাত্র-শিক্ষককে। অনেককে গণকবর দেয়, অনেকের লাশ ফেলে রাখে রাস্তার উপর।

বাঙালিদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ
বাঙালিদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞর চিত্র। ছবি- সংগৃহীত

সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের মতে, সেদিন রাতে শুধু ইকবাল হলেই ২০০ ছাত্রকে হত্যা করা হয়। পুরানো ঢাকায় পুড়িয়ে মারা হয় অন্তত ৭০০ মানুষকে। স্বামীদেরকে তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে টেনে নিয়ে হত্যা করা হয়। শিশুদেরকে হত্যা করা হয় বাবা-মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে আছড়ে দিয়ে।তরুণীদেরকে নির্যাতন করে, তাদের শরীর ক্ষত-বিক্ষত করে লাশ ফেলে রাখা হয় নর্দমায়, খোলা রাস্তায়। বস্তিগুলোতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আগুন থেকে পালাতে চেষ্টা করা মানুষদেরকে হত্যা করা হয় গুলি করে।

নিহতের প্রকৃত সংখ্যা হয়তো কোনোদিনই পাওয়া যাবে না, কিন্তু বিদেশী সাংবাদিকদের বর্ণনা অনুযায়ী প্রথম রাতেই শুধুমাত্র ঢাকা শহরে হত্যা করা হয়েছিল অন্তত ৭ থেকে ১০ হাজার মানুষকে। প্রথম এক সপ্তাহ পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৩০ হাজারে। যেকোনো বিচারেই এটা ছিল আধুনিক বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম নৃশংস গণহত্যা।

৩.

একজন মানুষের মৃত্যু একটি ট্র্যাজেডি, কিন্তু এক মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু একটি পরিসংখ্যান – স্ট্যালিন

স্ট্যালিন বলেছিলেন, একজন মানুষের মৃত্যু একটি ট্র্যাজেডি, কিন্তু এক মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু একটি পরিসংখ্যান। কিন্তু আসলেই কি তা-ই? আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদের সংখ্যা তিন মিলিয়ন। কিন্তু এটা মোটেও নিছক পরিসংখ্যান না। এটা হচ্ছে টুকরো টুকরো তিন মিলিয়ন ট্র্যাজেডির সমষ্টি। হতে পারে অধিকাংশ ট্র্যাজেডিই লিপিবদ্ধ করা সম্ভব হয়নি, কিন্তু তারপরেও সেগুলো ট্র্যাজেডি তো বটেই!

২৫শে মার্চের রাতে অপারেশন সার্চ লাইটের আওতায় যে হাজার দশেক মানুষ শহীদ হয়েছিল, তাদের অধিকাংশের নাম-পরিচয়ই আমাদের কাছে অজানা রয়ে গেছে।

সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের মতে,
১৩ জুন ১৯৭১ সালে দ্যা সানডে টাইমস পত্রিকায় পাকিস্থান সেনাবাহিনীর গণহত্যা নিয়ে প্রকাশিত খবর। ছবি- সংগৃহীত

কিন্তু তারপরেও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় শত শত ঘটনা ইতিহাসবিদ এবং সাংবাদিকরা লিপিবদ্ধ করতে পেরেছেন। সেসব ঘটনা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বরতা, তুলে ধরে পাশবিক শক্তির সামনে নিরীহ-নিরস্ত্র জনগণের অসহায়ত্ব, দেখিয়ে দেয় শহরভর্তি মানুষের স্বাধীনতার জন্য আকুলতা।

‘অপারেশন সার্চলাইট (হার্ডকভার)পরিকল্পনা ভিত্তিক এবং বাঙালির সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ‘ বইটি পড়তে পারেন । 

৪.

আমরা স্মরণ করতে পারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী লেঃ কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের কথা।

“পাকিস্তানিরা যদি আক্রমণ করে, তাহলে বাঙালি লাখে লাখে মারা পড়বে” – এক প্রতিবেশীর মন্তব্যের উত্তরে তিনি হেসে বলেছিলেন, “আরে, কী যে বলো! ওরা কি আমাদেরকে বাড়ির ভেতর থেকে টেনে বের করে মারবে?” অথচ ঠিক সেটাই ঘটেছিল। ২৫শে মার্চ রাতে পাক বাহিনী তার এলিফ্যান্ট রোডের বাসা ঘিরে ফেলে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ড্রয়িং রুমের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে স্ত্রী-সন্তানদের সামনে থেকে তাকে টেনে বের করে নিচে নামিয়ে যায়। এরপর কাছ থেকে গুলি করে তাকে হত্যা করে। তাকে গুলি করার আগে পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন বলেছিলেন, “তুমি বাংলাদেশ আর্মির কমান্ডার-ইন-চিফ হতে চাও? বানাচ্ছি তোমাকে কমান্ডার-ইন-চিফ, দাঁড়াও।”

৫.

অথবা আমরা স্মরণ করতে পারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর মনিরুজ্জামানের কথা। গভীর রাতে পাক সেনারা তার বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা তাকে এবং তার ছেলেকে সিঁড়ি দিয়ে টেনে নিচে নিয়ে যায়। নিচে নামার পর তারা তাকে মাটিতে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বলে।

অধ্যাপক প্রফেসর মনিরুজ্জামান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর মনিরুজ্জামান- ছবি- সংগৃহীত

কিন্তু তিনি বসতে অস্বীকৃতি জানালে প্রথমে তারা তার পায়ে গুলি করে। তার পা থেকে অবিরাম রক্ত ঝরতে থাকে, কিন্তু তারপরেও তিনি দাঁড়িয়ে থাকেন মাথা উঁচু করে। অবশেষে তার কপালে গুলি করা হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রাণ দিয়েছেন, কিন্তু জীবিত অবস্থায় পাকিস্তানিদের সামনে মাথা নত করেননি তিনি।

 

৬.

এদের তুলনায় ভাগ্যবান ছিলেন কর্নেল ইমাম-উজ-জামান (বীর বিক্রম)। তিনি ছিলেন সে সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে দায়িত্বরত একজন সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট। ২৫ মার্চ রাতে সেনাবাহিনী কুমিল্লা শহরে অভিযান শুরু করে। কিন্তু তার আগেই ইমাম-উজ-জামানসহ তিনজন বাঙালি অফিসারকে আটক করে একটি রুমে বন্দী করে ফেলা হয়। সেই রুমের কাঁচের জানালা দিয়েই তিনি বাঙালি সৈন্য এবং শহর থেকে ট্রাক বোঝাই করে আনা বেসামরিক বাঙালিদেরকে নৃশংসভাবে হত্যার সাক্ষী হন।

চারদিন আটক রাখার পর ৩০ মার্চ রাতের বেলা একে একে সকল বন্দীকে হত্যার মহোৎসব শুরু করে পাক বাহিনী। গুলি খেয়েও মরার ভান করে পড়ে থেকে বেঁচে যান তিনি। তিনটা গুলি তার শরীরে লেগেছিল – একটা চোখে, একটা হাতের কব্জিতে, আরেকটা পিঠে। অনবরত রক্ত ঝরছিল তার শরীর থেকে, এক চোখ প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেই পেছনের দরজা খুলে দৌড়াতে শুরু করেন তিনি। পেছন থেকে সৈন্যরা তাকে তাড়া করতে থাকে, অনবরত গুলি করতে থাকে।

এর মধ্যেই তিনি দুর্বল শরীরেও প্রচণ্ড ঐচ্ছিক শক্তির বলে বার পড়ে গিয়েও আবার উঠে দাঁড়িয়ে ছুটতে থাকেন এবং শেষপর্যন্ত সাঁতরে গোমতী নদী পাড়ি দিয়ে মুক্ত এলাকায় পৌঁছেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতে গিয়ে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

৭.

ইয়াহিয়া খানের বিশ্বাস ছিল, অপারেশন সার্চলাইটের ব্যাপ্তি হবে বড় জোর কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত। তিনি বলেছিলেন, ১০ এপ্রিলের পরে পূর্ব পাকিস্তানে ভিন্নমত প্রকাশ করার মতো আর কেউ থাকবে না। কিন্তু তিনি বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে, বাঙালির আবেগকে বুঝতে ভুল করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে আর কয়েক হাজার বা কয়েক লাখ মানুষকে হত্যা করেই বুঝি এই জাতিকে দমিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু বাস্তবে অপারেশন সার্চ লাইটের কারণে প্রতিটি বাঙালিই হয়ে উঠেছিল এক একজন বঙ্গবন্ধু।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্ব
২৫ শে মার্চ ঢাকায় নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের উপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্ব আক্রমণাত্মক হামলা। ছবি- সংগৃহীত

অপারেশন সার্চলাইট শেষপর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল মে মাস পর্যন্ত। ততদিনে কয়েক লাখ মানুষ শহীদ হয়েছিল, কয়েক মিলিয়ন মানুষ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু এদের মধ্য থেকেই একটা অংশ যখন প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরে এসেছিল দেশকে স্বাধীন করার জন্য, তখন পাকিস্তানিদের আর কোনো উপায় ছিল না। অপারেশন সার্চলাইট শুধু বাঙালিকে হত্যাই করেনি, এটি বাঙালির মুক্তির পথও নির্ধারণ করে দিয়েছিল। ২৫শে মার্চ রাতে অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর সাথে সাথেই আমাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। বাকিটুকু ছিল শুধু কেবল সময়ের ব্যাপার।

মুক্তিযুদ্ধের আরোও ইতিহাস জানতে দেখতে পারেনঃ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিষয়ক বই সমূহ 

এর বাইরে আরোও যে বইগুলো সংগ্রহ করতে পারেনঃ

(১) ১৯৭১: ভয়াবহ অভিজ্ঞতা (রশীদ হায়দার)
(২) ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যাযজ্ঞের স্বরূপ – ভোরের কাগজ
(৩) অপারেশন সার্চলাইট – বাংলাপিডিয়া
(৪)  জেনোসাইড বাংলাদেশ


লিখেছেনঃ  মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা


তথ্যসূত্রঃ Remembering the barbarities of Operation Searchlight – The Daily Star, ১৯৭১: ভয়াবহ অভিজ্ঞতা (রশীদ হায়দার), এবং অপারেশন জেনোসাইড বাংলাদেশ  ইত্যাদি।

rokomari

rokomari

Published 29 Jan 2018
  2      5
 

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png