একজন লেখকের তাঁর সৃষ্টি নিয়ে আরও বেশি সরব হওয়া উচিত- সাদাত হোসাইন

0
877
আলাপচারিতার আগে হুট করে তুলে নেয়া সেলফিতে তারা দুইজন

পাঠকের বাড়ি বই নিয়ে যাচ্ছেন লেখক। রকমারির এই অভিনব আইডিয়ার প্রথম সঙ্গী হয়েছিলেন সমকালীন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন। যে পাঠকের দরজায়ই গিয়েছেন সে পাঠকই আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছেন। সকাল থেকে গড়িয়ে দুপুর হতেই খিদে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল সবার। বৃষ্টিভেজা দিনে ভোজের আচারি খিচুড়ি খেতে গিয়েই জমে ওঠে আড্ডা। পকেট থেকে মোবাইল বের হয়ে আসে অবলীলায়, অন হয়ে যায় রেকর্ডার।মেহেদী হাসান মুন-এর সহজিয়া প্রশ্ন ও সাদাত হোসাইনের মনখোলা উত্তরে প্রাণবন্ত সেই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হল আজ……

মেহেদী হাসান মুনসাদাত হোসাইন কেন লেখে?
সাদাত হোসাইন– আমার না লিখতে অনেক ভালো লাগে। আমার গল্প বলতে ভালো লাগে। ছোটবেলা থেকেই মনে হতো আমার ভেতর অনেক গল্প জমে আছে। গল্প পড়তে পারাটা এখন জরুরী, পাঠকের জন্য যেমন জরুরী তেমনি লেখকের জন্য জরুরী। আমি যখন ফেসবুকে আমার শৈশবের কথা লিখি, তখন অনেকেই বলে- কী সুন্দর শৈশব! কিন্তু আমি আসলে সুন্দর শৈশবের কথা লিখি না, আমি লিখি খুব দুঃখী শৈশবের কথা। ছোট্ট একটা ছনের ঘরের কথা, পানি পড়তো যেখানে টুপ টুপ করে। আমি চাইলেও কিছু লিখতে পারতাম না, মা বলতো- এসব লিখে কী হবে, তার চেয়ে ক্লাসের লেখা লেখ। এরকম একটা আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় প্রচণ্ড দারিদ্র্যতার মাঝে আমি বেড়ে উঠেছি। এরকম শৈশব আসলে আতঙ্কের শৈশব যেকোনো শিশুর জন্যই। এটা আসলে ধরো তুমি ছোটবেলায় দুই টাকার একটা চকলেট চেয়েছিলে কিন্তু সেটা পাওনি অথচ তুমি বড় হয়ে যদি দুই হাজার টাকার চকলেটও পাও তাহলে সেই অপূর্ণতা এই চকলেট দিয়ে পূরণ হয় না। ইউনিসেফ যেমন বলে না যে শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলুন। কারণ কিন্তু এটাই। কারণ ছোটবেলার প্রাপ্তির আনন্দের সাথে অন্য কোন আনন্দের তুলনা করতে পারবে না। সেরকমই একটা বঞ্চিত ও আক্ষেপের শৈশব আমি পালন করেছি, কিন্তু সেই শৈশবের কথা যখন বলি আমি তখন সবাই ভাবে হয়তো কী সুন্দরই না ছিল আমার শৈশব। আমার মনে হয় যে গল্প বলতে গিয়ে আমি যে অনুভূতি প্রকাশ করছি সেটি একটা অসুন্দর জিনিসকেও সুন্দরভাবে অনুভব করাতে পারে। যখন মানুষকে আমি এসব অনুভূতি অনুভব করাতে পারি তখন আমার খুব ভালোলাগে। তেমনি আমার ভেতরে অসংখ্য গল্প আছে। আমার কাছে মনে হয় যে আমার সময় খুব কম। যতটা গল্প আমার ভেতরে আছে ততোটা সময় আমার নেই। এজন্য আমি সবসময় গল্প বলতে চাই। আমি ফিল্ম বানাতে চেষ্টা করি, আগে ফটোগ্রাফি করতাম। আমার কাছে মনে হয় কি গল্প বলাটা গল্প বলার একটা মাধ্যম। আমার কাছে মনে হয় পৃথিবীর সব সৃজনশীল মাধ্যমের কাজই গল্প বলা। তুমি যখন লেখো তখন গল্প বলো, যখন ফিল্ম বানাও তখন গল্প বলো। আমার মনে হয় ফিল্ম-ফটোগ্রাফির মধ্য দিয়ে আমরা গল্প বলি, পেইন্টিং-স্কাল্পচার দিয়ে আমরা গল্প বলি, সকল সৃজনশীল মাধ্যমের কাজই গল্প বলা। আমি গল্প বলতে চাই, আমার প্রচণ্ড গল্প বলার আগ্রহ, গল্প না বললে আমি ছটফট করি। মনে হয় কি মনের ভেতরের অনেক ভাবনা-অনুভূতি আমি প্রকাশ করতে পারছি না। তো আমার ভাবনা-অনুভূতি-দর্শন প্রকাশ করতেই আসলে আমি গল্প লিখতে উদ্বুদ্ধ হই, ভালো লাগাটা যার সবচেয়ে বড় কারণ। একসময় যেমন ধরো ছবি তুলতাম, ছবির মাধ্যমে গল্প বলতাম; এখন ফিল্ম বানাই, লিখি-এসবের মধ্য দিয়ে গল্প বলি। তো মনে করো সামগ্রিক ভাবে আমার মনে হয় আমার গল্প বলতে ভালো লাগে এটিই হচ্ছে আমার গল্প লেখার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দেয়া বা পাঠকদের কাছে আপনার সৃষ্টি পৌঁছে দেয়া এটি কতোটা গুরুত্বপূর্ণ আপনার কাছে?

সাদাত হোসাইনঃ ধরো আমরা জানি দা ভিঞ্চি মোনালিসা এঁকেছেন, এরোপ্লেনের প্রথম কাঠামো তাঁর আঁকা, আবার চাকা আবিষ্কার হয়েছে, পেনিসিলিন আবিষ্কার হয়েছে- এখন তুমি যদি এসব সৃষ্টি মানুষের জন্য উন্মুক্ত না করে দাও তাহলে তো তারা এর সুফল ভোগ করতে পারবে না। লেখালেখি কিন্তু অন্যসব সৃষ্টির চেয়ে গৌণ কিছু না। পৃথিবীর সকল সভ্যতা বলো, দর্শন বলো, পলিটিক্যাল ফিলোসফি বলো, ধর্মগ্রন্থ বলো সবকিছুই কিন্তু লেখালেখির সাথে জড়িত।  আমার মনে হয় লেখালেখি পৃথিবীর সবচেয়ে মহৎ সৃষ্টির একটি। সেই সৃষ্টিকে যদি তুমি মানুষের কাছে পৌঁছেই না দাও তাহলে মানুষ কীভাবে তাঁর সুফল ভোগ করবে? আমি মনে করি বিজ্ঞান যেমন উদ্ভাবন করে মানবসভ্যতাকে এখানে নিয়ে এসেছে, সেই উদ্ভাবনগুলো যদি তারা প্রকাশ না করতেন তাহলে মানবসভ্যতা এখানে পৌঁছাতে পারতো না। আমার কাছে মনে হয় যে লেখালেখিও সেসব উদ্ভাবনের চেয়ে কম কিছু না, এবং সেটা পাঠকের কাছে পৌঁছে যাওয়াটা খুবই জরুরী।

সাদাত হোসাইনের বইমেলা-২০১৮ তে প্রকাশিত বই নিঃসঙ্গ নক্ষত্র দেখুন রকমারিতে


পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে লেখকের ভূমিকা কতোটুকু হতে পারে?
সাদাত হোসাইনঃ আজকে থেকে ১৫ বছর আগে একজন লেখক কী তাঁর বইয়ের প্রচারণা করতেন না? এখন যেমন সমালোচনা হয় একটা গোষ্ঠীর মাধ্যমে যে কেন লেখক তাঁর বইয়ের প্রচারণা করবেন, সেসময় কী করতেন! ১৫-২০ বছর আগে লেখকরা প্রচারণা করতেন হয়তো পত্রিকার মাধ্যমে, লিফলেটের মাধ্যমে। কিন্তু সেগুলো তখন ম্যাস পিপলের কাছে পৌছাতো না। এখন যা হয়েছে ফেসবুকের মতো নানান সোশ্যাল মিডিয়া এসে প্রচারনার কাজটা অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখন একবিংশ শতাব্দীতে এসে যদি আমি কম্পেয়ার করতে যাই শরৎচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথরা কীভাবে প্রচারণা করেছেন আর আমরা কীভাবে প্রচারণা করি তাহলে সেটি আমার কাছে অনেক অপরিপক্ক চিন্তা মনে হয়। কিংবা অনেক সময় অনেকেই থাকেন যে সমালোচনা করতে হয় বলে সমালোচনা করি। সেক্ষেত্রে আমি আমার ব্যর্থতাকে একটা অজুহাত দিয়ে বৈধ করার জন্য কাউকে প্রশ্নবিদ্ধ করছি বলে আমার কাছে মনে হয়। আমার ব্যক্তিগত ধারণা যে বইয়ের প্রচারণা করতে হবে সবচেয়ে বেশি। একটা দেশে এনার্জি ড্রিঙ্ক বা ফেয়ারনেস ক্রিম যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বা বর্ণবাদের চিন্তা উসকে দেয় সেসব ক্ষতিকারক জিনিসের বিজ্ঞাপন যদি বড় পরিসরে বিলবোর্ডে, টেলিভিশনে, রেডিওতে হতে পারে তাহলে বই নিয়ে কেন হবে না? এইজন্য আমি মনে করি একজন লেখককে তাঁর বই নিয়ে পাঠকের কাছে পৌঁছে যাবার জন্য সকল উপায় অবলম্বন করতে হবে। কারণ একটা লেখা কখনো কারও ক্ষতি করে বলে আমার মনে হয় না। বাংলাদেশে কীসের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ? মদের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, গাঁজার বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, সিগারেটের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ তাহলে তাদের ভাষ্যমতে কি বইয়ের বিজ্ঞাপনও নিষিদ্ধ হতে হবে? আমি মনে করি একজন লেখকের কাছে তাঁর সৃষ্টি তাঁর সন্তানের মতো। এখন মানুষ কী তাঁর সন্তানকে লুকিয়ে রাখবে? সন্তান যদি সফল হয়, তাহলে সে খুশি হবে না? আমার ধারণা একজন লেখকের তাঁর সৃষ্টি নিয়ে আরও বেশি সরব হওয়া উচিত। এখন পাঠক সেটি গ্রহণ করবে কীনা সেটি কিন্তু তাঁর কন্টেন্টের ওপর নির্ভর করবে। ধরো, আমি তোমাকে বারবার বলছি আমার এই সাবানটি খুব ভালো খুব ভালো। আমি বলছি আমার লেখাটি খুব ভালো লাগবে পড়ে। আমার সে বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ হয়ে তুমি নিয়েছও সেই পণ্য, কিনেছ আমার বই। কিন্তু যদি প্রোডাক্ট কোয়ালিটি ভালো না হয়, যদি বইয়ের কন্টেট ভালো না হয় তাহলে সে পণ্য, সে বই কোনটাই মানুষ বেশিদিন গ্রহণ করবে না। ইনিশিয়ালি হয়তো কিছু মানুষ কিনবে কিন্তু কন্টেন্ট ভালো না হলে ছুঁড়ে ফেলবে ঠিকই। এখানে আবার আরেকটি ব্যাপার আছে। আজ থেকে ২০-৩০ বছর আগের সময়ের সাথে এখনকার পারস্পেক্টিভ মেলানোটা বোকামি। এখন কিন্তু বিনোদনের অনেক মাধ্যম হয়েছে, আগে যেমন বই ই বিনোদনের একমাত্র বা দুইমাত্র মাধ্যম হয়েছে। এখন যেমন টেলিভিশন, টেলিভিশনে হাজারটা চ্যানেল, ফেসবুক, ইউটিউব, ভিডিও গেমস, মোবাইল ফোন নানান ধরণের বিনোদন মাধ্যম আছে। এসবের মাঝ দিয়ে বইকে অবসরের সঙ্গী করার জন্য তোমাকে অবশ্যই বেসিক প্রচারণা করতে হবে। এখন তুমি এটার সাথে মানিয়ে নেবে নাকি সরিয়ে রাখবে সেটা তোমার ব্যাপার। কিন্তু সেটি তোমার অস্তিত্বকে কোথায় রাখবে সেটি সময় বলে দেবে। তাই আমি মনে করি একজন লেখককে অবশ্যই সর্বোচ্চ পর্যায়ে সব উপায়ে তাঁর বইয়ের প্রচারণা করা উচিত।

পাঠকের কাছে বই পৌঁছে দেয়া বা প্রোডাক্ট হিসেবে তা কঞ্জ্যুমারের কাছে পৌঁছে দেয়া, যদি বইকে প্রোডাক্ট হিসেবেও ধরি আবার সৃজনশীল কন্টেন্ট হিসেবেও ধরি সেক্ষেত্রে রকমারি বা অন্যান্য অনলাইন বুকশপগুলো কী ভূমিকা রাখছে বা রাখতে পারে?
সাদাত হোসাইনঃ খুবই ইন্টারেস্টিং তোমার প্রশ্নের প্রথম দুটো টার্ম। সেগুলো নিয়ে একটি বলি। তুমি বলছ বই পণ্য হিসেবে আবার সৃজনশীল কন্টেন্ট হিসেবে। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে কোন সৃজনশীল কন্টেন্ট হচ্ছে পণ্য না? কিছুদিন আগে আমি দেখলাম ভিঞ্চির একটি আঁকা একটি ছবি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। এটা কী? এটা তাঁর শিল্পমূল্য যেমন, তেমনি তাঁর প্রোডাক্ট ভ্যালুও তেমন। আমাদের বাংলাদেশে যেমন শাহাবুদ্দিন আছেন যার আঁকা ছবি অনেক দামে বিক্রি হয়, সবারটা কিন্তু হয় না। এখন এই প্রোডাক্টভ্যালু আর শিল্পমূল্য মিলেই সে মূল্যটা হয়েছে। এখন ধরো তুমি একটা ফিল্ম বানাবা, সে ফিল্ম বানাতে একটা প্রোডাকশন কস্ট আছে, সে ফিল্ম বানানোর পর যদি তুমি প্রচারণা না করো, দর্শককে না জানাও তাহলে কিন্তু তোমার ফিল্ম দেখতে কেউ আসবে না। যে টাকা লগ্নি করেছে তোমার ফিল্মের পেছনে সে কিন্তু বলবেনা যে- তুমি আরেকটা সিনেমা বানাও, টাকা লাগবে না। কারণ তাঁর প্রোডাকশন কস্ট কিন্তু উঠতে হবে। সিনেমা একটা শিল্প কিন্তু সে সৃষ্টিশীল সিনেমাকে প্রোডাক্ট হয়ে উঠতে হবে, সকল শিল্পকে প্রোডাক্ট হয়ে উঠতে হবে। এখানে যারা বলে শিল্পের কেন প্রচারণা হবে, তাদের মতো বোকা কেউ নেই। বর্তমান বাজার ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে শিল্পের প্রোডাক্ট হয়ে উঠতে হবে এবং সে শিল্পিত প্রোডাক্টের অবশ্যই শিল্পমানও থাকতে হবে। এখন রকমারির কথাটা বলি। বাংলাদেশের বই পড়াপড়ির জায়গাটা এই পাঁচ বছরের আগেও হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছিল। আমরা যখন গ্রামে থাকতাম তখন দেখেছি গ্রামে কেবল হুমায়ূন আহমেদের বই পাওয়া যেত। হুমায়ূন স্যারের বইয়ের চাহিদা ছিল বলেই সেখানে পাওয়া যেত, আরও দুই-একজন নতুন লেখকেরও হয়তো বই থাকতো। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ মারা যাবার পর সেই বইয়ের বাজারটা ধুম করে সঙ্কুচিত হয়ে গেল। গ্রামে কারোই নতুন বই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঠিক সেসময়ই রকমারির আবির্ভাব। রকমারি হচ্ছে অনেকটা নিভে যাওয়া সম্ভাবনাকে আবার ঝলমলে আলোয় পরিণত করেছে। আর তরুণ লেখকদের পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে রকমারি যে ভূমিকা নিয়েছে তা অ-ভা-ব-নী-য়। অভাবনীয় এই অর্থে যে আমার বই গ্রামের কোন পাঠককে আমি কীভাবে পৌঁছাতাম! এই অসাধারণ উদ্যোগের কারণেই প্রায় মুমূর্ষুপ্রায় বই বিক্রির বাজারকে রকমারি নতুন প্রাণদান করেছে। পাঠককে নতুন করে ভাবিয়েছে যে অর্ডার করলেই বই হাতের মুঠোয়। আপনি ফোন দিলেই বইটা বাসায় পৌঁছে যাচ্ছে- such an innovative idea! এটা আসলে একটা ঝুঁকিরও ব্যাপার ছিল, রকমারি যে সেই ঝুঁকি নিয়েছে এবং সফল হয়েছে তাঁর প্রমাণ হচ্ছে এখন আরও অনেক বুক ডিস্ট্রিবিউশন শপ হচ্ছে এবং তারা কিন্তু রকমারিকে দেখেই উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এবং প্রকাশকরাও এখান থেকে নতুন আশার সম্মুখীন হয়েছে যে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে রকমারি। সব মিলিয়ে রকমারির একটা বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য লেখক-পাঠক-প্রকাশক সকলের কাছ থেকেই। সব দিক মিলিয়েই রকমারি একটা আলাদিনের চেরাগের মতো, যে একসাথে ইচ্ছেপূরণ করে দিচ্ছে সবার।

দেখুন সাদাত হোসাইনের প্রকাশিত সকল বই রকমারিতে

LEAVE A REPLY