মার্কেস ও মেটাফিকশন

লিখেছেন সুমন রহমান। তিনি মনে করেন " নেরুদা সম্পর্কে মার্কেস যা বলেছেন, তার সম্পর্কেও একই মন্তব্য করা যায়: তিনি বিংশ শতাব্দীর যে কোনো ভাষার শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী। যে কথাটি বললাম, এটা কি শুধুই প্যারাফ্রেজ? আমি যখন লিখেছিলাম মার্কেস বিংশ শতাব্দীর যেকোন ভাষার শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী– তখন এই তথ্যটি আমার স্মরণে ছিল না। লিখবার পর এখন মনে পড়ল। এভাবেই মেটাফিকশন কাজ করে"

0
372
লাতিন আমেরিকায় আমার সবচে পছন্দের লেখক হুয়ান রুলফো। সেটা এজন্য না যে, তিনি ম্যাজিক রিয়ালিজমের প্রবর্তকদের একজন। সেক্ষেত্রে হোসে মার্তি কিংবা কার্পেন্তিয়েরকেও একই স্বীকৃতি দিতে হবে। আস্তুরিয়াস কিংবা কর্তাজার পড়েছি, চোখ-ধাঁধানো ’ম্যাজিক’ তাদের ফিকশনে! অনুবাদে পাওয়া একেবারেই অসম্ভব তাই আরগুইরাস পড়াই হল না এ জীবনে। বোর্হেস অনেক বেশি প্রলিফিক এবং প্রহেলিকাময়। ইয়োসা বা ফুয়েন্তেস-এ ম্যাজিক তেমন নাই, কিন্তু অনেক বেশি ভার্সেটাইল তারা। কিন্তু গোটা  লাতিন আমেরিকা নামক ভূখণ্ডটাকে কলম বানিয়ে লিখেছেন একজনই: গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
হুয়ান রুলফো, জাদুবাস্তবতার পূর্বসুরী লেখক। লেখক হিসেবে পরিচিত হলেও আলোকচিত্রী হিসেবেও তিনি অনন্য।
লাতিন আমেরিকা থেকে বহু দূরে, এই গোলার্ধে, আমরা বেড়ে উঠছিলাম মূলত ইংরেজি-ফরাসি নন্দনতত্ত্বে-র তত্ত্বাবধানে।‘লাতিন আমেরিকা’ নামক এই উদ্ভাসের কথা প্রথম শুনি কবি মোহাম্মদ রফিকের মুখে। আশির দশকের শেষ দিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নামক এক জাদুবাস্তব উপত্যকায়। তিনি তার পাঠের আকাশ থেকে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি ঝরাতেন, সতের-আঠার বছর বয়সে চাতক পাখির মত তাইই হা করে গিলতাম। তখন পর্যন্ত ইংরেজিতে আস্ত একখানা উপন্যাস পড়ে ফেলবার সামর্থ কুলিয়ে উঠতে পারি নি। মার্কেসের ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ারস  অব সলিচিউডএর বাংলা অনুবাদ আরো কিছুকাল পরের ঘটনা। ফলে, দু’চারটা গল্প বাংলায় ও ইংরেজিতে পড়ে এবং মোহাম্মদ রফিকের মুগ্ধ ন্যারেশন থেকে আন্দাজ করতাম এই জলে-ভাসা শৈলচূড়ার নিচে কী বিশাল সিন্ধুপর্বত অপেক্ষা করছে!
The Fragrance of Guava বইয়ের প্রচ্ছদ
প্রথম দিকের সেই দুয়েকটা গল্প বাদ দিলে, আমার মার্কেস-পড়া জোরেশোরে শুরু হয় তার সাক্ষাৎকারভিত্তিক বই দ্য ফ্র্যাগর‌্যান্স অব গুয়াভা দিয়ে। সম্ভবত ১৯৮৮র দিকে খালিকুজ্জামান ইলিয়াসের অনুবাদে এটি বের হয় বাংলা একাডেমী পত্রিকায়। আমার ধারণা, মার্কেসের যে বইটির কথা লোকে সবচে বেশি বলে, কিন্তু সবচেয়ে কম লোক সেটি পড়েছে, তার নাম ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ারস অব সলিচিউড। বিপরীতে, মার্কেসের যে বইটির কথা লোকে (বিশেষত লেখকেরা) একেবারেই বলে না, কিন্তু সম্ভবত সবচে বেশি লোকে সেই বইটির বিষয়-আশয় অবগত, সেটির নাম দ্য ফ্র্যাগর‌্যান্স অব গুয়াভা মার্কেস-ডিসকোর্সে দ্য ফ্র্যাগর‌্যান্স অব গুয়াভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বই। এই বই অনেকে হয়ত সরাসরি পড়েনি, কিন্তু নানান কৌশলে এটি আমাদের মার্কেস পঠনপ্রক্রিয়ার ভেতর সঞ্চারিত হয়ে গেছে।
কী আছে ফ্র্যাগর‌্যান্স অব গুয়াভায়? খেয়াল রাখতে হবে, বইটি বেরিয়েছিল ১৯৮২ সালে, অর্থাৎ ঠিক যে বছরে মার্কেস নোবেল পান সে বছরেই। নোবেল পুরষ্কার পাবার সুবাদে সাহিত্যেও বৈশ্বিক মঞ্চে কেবল ঢুকতে শুরু করেছেন তিনি। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি ফিকশনের সাথে তার বহুমাত্রিক সম্পর্কের সুবাস ছড়িয়ে দিলেন তার সম্ভাব্য পাঠকসমাজে। ফিকশন এবং ফিকশনের পূর্বাপর বয়ান — প্রায় একসঙ্গেই হাজির হল তারা। এজন্যই এই প্রক্রিয়াটিকে আমি মেটাফিকশন বলছি। প্লিনিও মেন্দোজার সাথে দীর্ঘ আলাপে তিনি লাতিন আমেরিকার সাহিত্যকে খুব পোক্ত ঐতিহাসিক, নান্দনিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি দিয়েছেন। আবার বিশ্বসাহিত্যে তার ব্যক্তিগত ভ্রমণটিকে তার স্বভাবসুলভ ভঙিতে হাজির করেছেন। ফলে, আমরা জানতে পারলাম তলস্তয় তার দৃষ্টিতে ‘মহত্তম’ হওয়া সত্বেও মার্কেজ বেশি নিয়েছেন হেমিংওয়ে আর ফকনার থেকে। জানলাম, মার্কেসের বিচারে পাবলো নেরুদা হলেন “বিংশ শতাব্দীর যে কোনো ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি”! এই সাক্ষাৎকার সিরিজ ক্রমশই চিত্তাকর্ষক হয়ে উঠতে লাগল, যখন তিনি তার নিজের লেখার পদ্ধতি সম্পর্কে বলতে শুরু করলেন। কোন্ উপন্যাসটিকে তিনি কত বছর ধরে লিখলেন, কোনো উপন্যাসের মোক্ষম একটি আরম্ভের জন্য কী ধরনের দৃশ্যকল্পের জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল, বইয়ের একটি চরিত্র যখন মারা যাবে– সেটি লেখকের পারিবারিক বলয়ে কিভাবে উদযাপিত হচ্ছে, তার বৈষয়িক ও সাংসারিক ব্যবস্থাপনা কোন জাদুবাস্তবতায় সম্পন্ন হতে থাকল, ইত্যাদি। তার স্ত্রীর কথা জানলাম আমরা এই পর্বে– যিনি মার্কেস-এর  আগ্রহ টের পেয়ে পার্টিতে-আসা সুন্দরী নারীটিকে তার সাথে আলাপ করিয়ে দেন, এবং আলাপ-ক্লান্ত মার্কেসকে আবার ঠিক সময় মত পুনরুদ্ধার করেন।  তার উপন্যাসের চরিত্রগুলো বাস্তবের যেসব চরিত্র থেকে প্রেরণা পেয়েছে, তাদেরও হাজির করলেন পাঠকের সামনে। এভাবে, হান্ড্রেড ইয়ার্স-এর চরিত্রগুলো মার্কেস এর পারিবারিক ফোটোগ্রাফের ফ্রেমওয়ার্কে একে একে এঁটে যেতে থাকল। মার্কেসের জাদুকরি বর্ণনায় ইতিহাসের চরিত্রগুলো ফিকশনের চরিত্রগুলোর মতই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল, কারণ আমরা দুটোকে মিলিয়ে পড়তে অবচেতন প্রলোভনে পড়ে গেলাম।
এভাবে, নতুন সাহিত্যের স্বাদ নেবার আগেই ঐ সাহিত্যের পদ্ধতির সাথে এবং সাহিত্যিকের ব্যক্তিত্বের সাথে আমার অরিয়েন্টেশন হয়ে গেল। ফলে আমার পক্ষে সাহিত্য ও সাহিত্যিকের এই দু’মখো রিফ্লেক্সিভ কৌশলের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে মার্কেস এর ফিকশনের  ‘শুদ্ধ’ স্বাদ নেয়া সম্ভব হয়-ই নি। দ্য ফ্র্যাগর‌্যান্স অব গুয়াভা  যেহেতু ১৯৮২ সালেই বেরিয়েছিল, ফলে অনুমান করি এই অভিজ্ঞতা একান্ত আমারই নয়। হয়ত এটাই পদ্ধতি যে, মার্কেসের প্রতিটা গল্প তার পাঠককে এমনি একটা মেটাফিকশন প্রক্রিয়ায় সামিল করবে: পাঠক মার্কেস-এর গল্পটা পড়বে, এবং সেই গল্পের গল্পটাও সে অবগত হবে। পাঠক-হৃদয়ে মার্কেসের ফিকশন আর ফিকশনের মার্কেস দুটোই হাজির থাকবে। আর সে কারণেই পাঠকের পক্ষে মার্কেসকে এতটা নির্ণায়ক অবস্থান দেয়া সম্ভব হবে।
ফিকশনের ঘটনা বা চরিত্রকে বাস্তবের জমিনে খুঁজে পাওয়ার পদ্ধতিই মেটাফিকশনের একমাত্র পদ্ধতি নয়। উল্টোদিক থেকেও এটা হতে পারে। যেমন, বাস্তবের আরাকাটাকা শহর, যার আদলে মার্কেস তার বিখ্যাত “মাকোন্দো” গ্রাম বানিয়েছেন, সেও যখন এই নিখিল ফিকশনের হিস্যা চাইতে আরম্ভ করে, তখনো মেটাফিকশন ঘটে। ২০০৬ সালে আরাকাটাকা শহরের মেয়র একটা মেমোরেন্ডাম আনেন যেখানে তিনি শহরের ভবিষ্যত নাম আরাকাটাকা-মাকোন্দো করার প্রস্তাব করেন। অবশ্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটারের অভাবে সেই প্রস্তাব গৃহিত হয়নি। এভাবেও মেটাফিকশন রচিত হয়। বাঙালি পাঠক হুমায়ুন-এর চরিত্র বাকের ভাইয়ের ফাঁসি রদ করার দাবিতে মিছিল করেছে এক সময়। সেই ফাঁসিও রদ হয়নি। কিন্তু মেটাফিকশন রচিত হয়েছে।
মার্কেস-ডিসকোর্সে জাদুবাস্তবতাই একমাত্র জাদু নয়। সেরকম হলে আমরা লাতিন আমেরিকার আরো অনেক লেখককে আরো অনেক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক জায়গায় দেখতে পারতাম। মার্কেসকে আলাদা করে দিয়েছে তার ফিকশন-সম্পর্কিত বয়ান। এই বয়ানগুলো ফিকশনের সমবায়ে এক কার্যকর এবং সমসাময়িক মেটাফিকশন উপহার দিয়েছে বিশ্বপাঠককে। সমসাময়িক বলছি যেহেতু তারা পাঠকের কাছে একই সময়ে হাজির হয়েছে। সমসাময়িক হওয়ার কারণে পাঠকের পক্ষে ঐ বয়ানগুলোকে আর ফিকশনের পরিশিষ্ট কিংবা ভণিতা আকারে ভাবা সম্ভব হয় না। বরং তারা একই নান্দনিক প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে ওঠে।
সমসাময়িক লেখকদের মাঝে উমবার্তো একো এবং হারুকি মুরাকামির মধ্যে এ ধরনের মেটাফিকশন তৈরির সচেতন প্রচেষ্টা খেয়াল করা যায়। ১৯৮০ সালে প্রকাশিত দ্য নেইম অব দ্য রোজ উপন্যাসের পোস্টস্ক্রিপ্টাম লেখেন একো ১৯৮৩ সালেই। রিফ্লেকশনস একটা আলাদা বই, সেই বইয়ের ভূমিকায় তিনি রঁলা বার্থের অনুকরণে বলছেন যে, লেখা শেষ হওয়ার পর অথরের মরে যাওয়া উচিত — যাতে সে তার টেক্সটের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে! তারপরও একো আস্ত একটা বই লিখেছেন একটামাত্র নভেল নিয়ে। পোস্টমডার্ন জমানায় আমরা একোর এই গদ্যগ্রন্থকে হয়ত নেইম অব দ্য রোজ এর অথেনটিক ইন্টারপ্রিটেশনরূপে মানবও না। কিন্তু অস্বীকার করা যাবে না যে, লেখকের এই ইন্টারপ্রিটেশন অপরাপর পাঠকের কাছে উপন্যাসটিকে মেটাফিকশনাল টেক্সট হিসাবেই হাজির করবে। প্রায় একইরকম অভিপ্রায় থেকে মুরাকামি তার উপন্যাসগুলো নিয়ে লাগাতার ইন্টারভিউ দিয়ে বেড়ান। এভাবে আমরা পাঠকনন্দিত লেখকদের মেটাফিকশন তৈরির প্রবণতাকে একটি সাধারণ প্রবণতা হিসাবেও খেয়াল করতে পারি।
গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস  এর লেখা সকল দেখুন রকমারি ডট কম-এ
নেরুদা সম্পর্কে মার্কেস যা বলেছেন, তার সম্পর্কেও একই মন্তব্য করা যায়: তিনি বিংশ শতাব্দীর যে কোনো ভাষার শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী। যে কথাটি বললাম, এটা কি শুধুই প্যারাফ্রেজ? দ্য ফ্র্যাগর‌্যান্স অব গুয়াভা-র এক জায়গায় মার্কেস বলছেন, আন্তর্জাতিক পাঠকের মনোযোগের ভেতর চলে আসার পর তার জন্য লেখাটা অনেক বেশি কঠিন হয়ে গেছে। এখন তিনি স্প্যানিশে এক প্যারা লেখার পর ইংরেজি, ফ্রেঞ্চসহ অপরাপর প্রধান ভাষাগুলোতে এর প্রকাশভঙ্গি কেমন দাঁড়ায় — সে বিষয়টিও বিবেচনা করতে শুরু করেন। সে অনুযায়ী ভাষার বা প্রকাশভঙ্গির সম্পাদনাও করেন। আমি যখন লিখেছিলাম মার্কেস বিংশ শতাব্দীর যেকোন ভাষার শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী– তখন এই তথ্যটি আমার স্মরণে ছিল না। লিখবার পর এখন মনে পড়ল। এভাবেই মেটাফিকশন কাজ করে।
শুরুতে বলেছিলাম, রুলফো আমার সবচে পছন্দের লাতিন আমেরিকান লেখক। এজন্য না যে তিনি মোটে একখানা উপন্যাস আর গোটা দশেক গল্প লিখেছেন সারাজীবনে। এজন্যও না যে, তিনি রঁলা বার্থ-কথিত সেই মৃত অথর, যার কোনোরকম মেটাফিকশন তৎপরতা নাই।  মার্কেস তার ৩২ বছর বয়সে রুলফো পড়েছিলেন। ততদিনে মার্কেসের প্রথম উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়ে গেছে, আরো দুটি পাণ্ডুলিপি প্রকাশের অপেক্ষায়। যে বছর তিনি রুলফো পড়েছিলেন, সে বছর মার্কেস আর কোনো বই পড়ে শেষ করতে পারেন নি। রুলফো পড়বার পর প্রতিটা বইই পানসে লাগত তার কাছে। মার্কেস পড়ার পর যখন অপরাপর সাহিত্যগুলো মূল্য হারাতে শুরু করে আমার কাছে, রুলফোকে আঁকড়ে ধরেছিলাম উজ্জ্বল উদ্ধাররূপে। নিরাশ করেন নি তিনি। তাই আজ মার্কেস-এর শ্বাসরোধী মেটাফিকশনের প্রভাব বলয়ের বাইরে রুলফোতে এসে দু’দণ্ড জিরিয়ে নিতে পারি। আর এভাবেই, খুব-অল্প-লেখা রুলফো, একাডেমিক জগত থেকে ফিকশনের জগতে আসা উমবার্তো একো, ভার্সেটাইল হুমায়ুন, এসেনশিয়াল বিকসেল, অদ্ভূতুড়ে সিঙ্গার আর উইয়ার্ড মুরাকামি-সহ বিশ্বসাহিত্যে আমার ব্যক্তিগত পর্যটনকেন্দ্রগুলো নির্ভয়ে শনাক্ত করতে পারি।

লিখেছেনঃ সুমন রহমান। ড. সুমন রহমান কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক বিশ্লেষক হিসেবেও পরিচিত। তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘ঝিঁঝিট’। আরো রয়েছে প্রবন্ধের বই ‘কানার হাটবাজার’ ও গল্প সংকলন ‘গরিবি অমরতা’। তার ‘নিরপরাধ ঘুম’ বাংলাভাষায় লিখিত প্রথম গল্প হিসেবে কমনওয়েলথ শর্ট স্টোরি প্রাইজের জন্য শর্ট লিস্টেড হয়, এছাড়া অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে বের হচ্ছে ‘মাইগ্রেশন অব মেটাফরস’। ড. সুমন রহমান কর্মরত আছেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের মিডিয়া অধ্যয়ন ও সাংবাদিকতা বিভাগে।

LEAVE A REPLY