প্যাসিভ ইনকামঃ সম্ভাবনার নতুন দুয়ার

প্যাসিভ ইনকাম

প্যাসিভ ইনকাম টার্ম টা খুব শোনা যাচ্ছে বেশি দিন হয়নি। তবে এরই মাঝে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে ব্যাপারটা। কিন্তু প্যাসিভ ইনকাম জিনিসটা কি?

আমরা সবাই জীবন চালাতে কোন না কোন জীবিকার সাথে যুক্ত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চাকুরি। চলুন গতানুগতিক পরিস্থিতিটা একটু দেখে নেই। চাকুরি জোটানো, পারফর্ম করা, প্রোমোশন বাগানো, বেতনের ডিজিট বাড়ানো, এক্সিকিউটিভ থেকে কবে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হব? অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, ম্যানেজার, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিনিয়রভাইস প্রেসিডেন্ট এগুলো কত দূর সেই টেনশন।

 আগে ছিল ক্লাস> খাওয়া> ঘু, এখন ঘুম থেকে ওঠা> অফিস> লাঞ্চ> বাসায় ফেরা> ঘুম এই চক্রের বাইরে আর বের হওয়া যাচ্ছেনা। চাইলেও না। ততদিনে মাথায় অনেক দায়িত্ব। বেতনের টাকা হিসাব করে খরচ করতে হয়। চাকুরির বাইরে সামান্য কিছু

ইনকাম থাকলে এতটা অসহায় লাগত না। একটা বড় সুযোগ এসেছিল ঠিকই কিন্তু প্রথম কিছুদিন খুব বেশি আয় হবেনা তাই ঝুঁকি নিতে পারলাম না। এসব সমস্যার যে সমাধান তার নাম প্যাসিভ ইনকাম।

চাকুরি করেন ভাল কথা। এর বাইরেও আপনার ছোট ছোট ইনকামের দরজা থাকবে। সেটাই প্যাসিভ ইনকাম।হতে পারে কৃষিকাজ, পশু  বা পাখি পালন , হতে পারে শেয়ার মার্কেটে কিছু ইনভেস্টমেন্ট , হতে পারে পত্রিকায় লেখালেখি বা ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা , হতে পারে ফটোগ্রাফি , হতে পারে আপনার দক্ষতা ব্যবহার করে অন্য কোথাও পরামর্শ প্র

দান, হতে পারে ওয়েব ডেভলপমেন্ট, হতে পারে টিশার্ট বা অন্য কোন ড্রেস এর ডিজাইনিং, হতে পারে ভিডিও এডিটিং , হতে পারে সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির/মোটরবাইক বেচাকেনার ব্যবসা এমন আরও আরও অনেক কিছু। আপনি কি করবেন তা নির্ভর করে আপনার দক্ষতার উপর।উপার্জনের বিকল্প উপায় হাতে থাকলে কোন ক্রিটিকাল সময়ে আরেকটু স্থির, নির্ভার হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

 

টার্কি পালনঃ সম্ভাবনার নতুন হাতছানি

বর্তমানে বাংলাদেশে অন্যতম এক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হচ্ছে টার্কি পালন। বাংলাদেশের প্রথম টার্কি ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান আমেরিকার পড়াশুনা শেষ না করে বাংলাদেশে শুরু করেছিলেন বানিজ্যিকভাবে টার্কি চাষ

BUY NOW

গত দুই বছরে তিনি ২২টি টার্কি থেকে প্রায় ৭০০ টার্কি বিক্রি করেছেন। বর্তমানে খামারে রয়েছে ৬০০ টার্কি।

বাচ্চা ফোটার অপেক্ষায় রয়েছে ৫০০ ডিম। এখন ডিম দেওয়ার উপযোগী প্রতি জোড়া টার্কি বিক্রি করছেন আট হাজার টাকায়। তাকে নিয়ে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত কলামে বিস্তারিত জানতে পারবেন।  দেখুন এখানে 

কয়েক দশক আগের চেয়ে এখন পরিস্থিতি ভিন্ন।  তরুণরা অনেক বেশি ইনোভেটিভ। নিজেদের প্যাশনকে প্রফেশন হিসেবে গ্রহণ করতে উৎসাহী। শুধু একটা চাকুরির উপর ভরসা রাখা যাচ্ছেনা। নিজের গুন, দক্ষতা বিচার করে সিদ্ধান্ত নিন আপনার প্যাসিভ ইনকামের জন্য সেক্টর সবথেকে সম্ভাবনাময়।

 

আপনার প্যাসিভ ইনকামের জন্য কাজে আসতে পারে এমন ধরনের কিছু বই নিচের লিংকে দেখতে পারেন।

কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফ্রিল্যান্সিং   আউটসোর্সিং

কৃষিকাজ, মৎস্য, পশু পাখি পালন

সেলফ ডেভলপমেন্ট

ড্রয়িং, পেইন্টিং ডিজাইন ফটোগ্রাফি

শুভকামনা রইল আপনার জীবন ও জীবিকার সফলতা কামনায়।

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png