হুমায়ূনের সাহিত্যে নারী-পুরুষ সম্পর্ক

হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যে নারী-পুরুষ

হুমায়ূন আহমেদ একজন জনপ্রিয় লেখক ছিলেন। এই কথা শুধু বললে তাহলে কোনো তাৎপর্য দাঁড়ায় না। তার জনপ্রিয়তার ভিত্তি কী, কাদের মধ্যে তিনি জনপ্রিয়, তিনি কী লিখতেন ইত্যাদিও একইসঙ্গে বলার প্রয়োজন হয়। এই প্রয়োজনটা বাংলাদেশের সাপেক্ষে আরেকটা গুরুতর ব্যাপার আছে। আমি এটা বহুবার লিখেছি ও বহুবার বলেছি। হয়তো আপনারা খেয়াল করবেন। বাংলাদেশে জনপ্রিয়তাকে ভীষণভাবে সন্দেহের চোখে দেখা হয়। এই সন্দেহের চোখে দেখার অতীত একটি ইতিহাস আছে। একটা ঔপনিবেশিক ইতিহাস আছে। এবং ঔপনিবেশিক ইতিহাসের মধ্যে কলকাতায় জনবিচ্ছিন্ন অথচ বুর্জোয়া নন্দনতত্ত্বের বিচারে প্রায় বিশ্ব মাপের যে সাহিত্য চর্চা হয়েছিলো তার ইতিহাসের মধ্যে এই জনপ্রিয়তার বিষয়টাকে সন্দেহ করার গোড়া লুকিয়ে আছে। বাংলা অঞ্চল শিল্পসাহিত্যের দিক থেকে ভীষণ রকম জনবিচ্ছিন্ন। এবং এই জনবিচ্ছিন্নতাকে বেশ জোরের সঙ্গে প্রচার করা হয়। সুধীন দত্তের সেই কথা আমাদের অঞ্চলে খুব জনপ্রিয়। এখন আর পাঠকের নিষ্ক্রিয় থাকলে চলবে না। লেখককে যেরকম পরিশ্রম করতে হবে, সারা পৃথিবী থেকে উপাদান খুঁজে এনে সাহিত্য রচনা করতে হবে। ঠিক তেমনি পাঠককেও সেই প্রস্তুতি নিয়ে পড়তে হবে। এটা হয়তো ভিন্ন অর্থে ঠিকই আছে। কিন্ত এই কথার গোড়ায় যে জনবিচ্ছিন্ন আছে সেটা আমাদের ভুললে চলবে না। আমরা এই কথাও মনে করতে পারবো যে, আমাদের খুব কাছাকাছি অন্য দুটি ভাষা একটি উর্দু আরেকটি হিন্দি এই দুই সাহিত্য কিন্তু ভীষণ রকম জনলগ্ন। আগে তো বটেই, এখনো হিন্দি ও উর্দু কবিতার যে আসর হয় রাজদরবারের রাজা থেকে গাড়োয়ানরা পর্যন্ত একসঙ্গে উপস্থিত হয়। এবং এই অনুষ্ঠানগুলো খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। আর এই খোলা মাঠে একসঙ্গে হাজার হাজার মানুষ সেই কবিতা উদযাপন করে। হিন্দি ও উর্দু সাহিত্যের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা কিন্তু এখনো কিছু অংশে আছে। এই ইতিহাসটা মনে রাখলে আমরা বাংলা কবিতার সঙ্গে আধুনিক বাংলা কবিতার পার্থক্যের ব্যাপারটা বুঝবো। আমি এখানে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্য এরকমই জনপ্রিয় ছিলো। এমনকি মধ্যযুগের শেষে পুঁথি সাহিত্যের হাজার হাজার কপি বিক্রি হতো, যখন লোকের মধ্যে স্বাক্ষরতা খুবই কম ছিলো। সেই ইতিহাস আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। সুতরাং আমাদের মধ্যে এখানে জনপ্রিয় কথাটি যখন বলা হয় সেখানে ভিন্ন ধরণের ঝোঁক বেশি থাকে। আমরা জনপ্রিয় বলি এর মানে ইনি খারাপ ধরণের একজন লেখক। জনপ্রিয়তার ব্যাপারে আমাদের সংস্কৃতিতে এধরণের একটা সন্দেহ আছে। সন্দেহ যে আসলে অমূলক নয় সেটা যে নিশ্চিত সেটা বুঝা যাবে সারা দুনিয়ায় গত কয়েক দশক ধরে জনপ্রিয় সাহিত্য বিচার-বিশ্লেষণ করার যে ঝোঁক দেখা গেছে, ফোক-কালচার, ম্যাস-কালচার এগুলোকে বিশেষভাবে উচ্চতর পাঠের আওতায় আনার যে তাত্ত্বিক প্রায়োগিক ঝোঁক সারা পৃথিবীতে গত কয়েক দশক ধরে চলছে বাংলাদেশে আসলে সেই দিকে আমরা এক পাও দিতে পারিনি।

হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে জনপ্রিয় কথাটি যদি ‘সিরিয়াসলি’ বলা হতো তাহলে এধরণের পাঠ আমরা ইতোমধ্যে পেতাম বলে আমার ধারণা। কিন্তু আসলে আমরা সেটা পারিনি। ধরা যাক, কেউ যদি ৭০ বা ৮০-এর দশকের বাংলাদেশের ছবি খুঁজতে চায়, তাহলে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, এটা এককভাবে হুমায়ূন আহমেদের লেখায় সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যাবে। কেউ যদি ঢাকা শহরের একটা ছবি অঙ্কন করতে চায়, নব্বই দশক পর্যন্ত তার অবকাঠামো, তার সাংস্কৃতিক বিস্তার ও চর্চা, তার জনমিতি, তার মধ্যবিত্তের উত্থান, স্থিতি ও বিকাশ কোনো ধরণের স্টাডি যদি কেউ করতে চায় তাহলে তার জন্য হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারতো। কিন্তু আসলে তা হয়নি। ১৯৮৭ সালে ‘সমকালীন বাংলা সাহিত্য’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হয়েছিলো। খান সরওয়ারের সম্পাদনায় এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে বই আকারে বের হয়েছিলো। সেখানে আমি একটি মজার জিনিস পড়েছি। সেখানে রশীদ হায়দার একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিষয় ছিলো নারী-পুরুষ সম্পর্ক। ওই প্রবন্ধের একজন আলোচক ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদ তার আলোচনায় গুরুতর দুটি অভিযোগ তুলেছিলেন। একটা আলোচনা এই যে, নারী-পুরুষ সম্পর্কের প্যাটার্নের দিক থেকে আমরা আমাদের বিদ্যমান বাস্তবতার উপর কতটুকু নির্ভর করতে পেরেছি। আর বই-পুস্তক অপরাপর আমরা যেসব উপাদান পেয়েছি, যা প্রধানত পশ্চিমা কিংবা বাংলাদেশের বাইরের সেগুলো থেকে এই প্যাটার্ন নিয়ে ভাবার ক্ষেত্রে কতটা নির্ভর থেকেছি। হুমায়ূন এই প্রশ্ন তুলেছেন একটু বিনয়ের সঙ্গে। আসলে তিনি বলতে চেয়েছেন যে, আমরা নারী-পুরুষ সম্পর্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে খুব ভালোভাবে আমাদের বাস্তব জীবনের যে নারী-পুরুষ সম্পর্ক সেটার দিকে গভীরভাবে নজর দিতে পারিনি। হুমায়ূন আহমেদ ওই বক্তৃতায় দ্বিতীয় আরেকটি অভিযোগ করেছেন। বাংলাদেশে হুমায়ূন আহমেদ নামে একজন লেখক নারী-পুরুষ সম্পর্ক নিয়ে বেশকিছু বই লিখেছেন। কিন্তু এই প্রবন্ধে তার কোনো নাম দেখা গেলো না। এই ব্যাপারটা আজকের দিন পর্যন্ত প্রযোজ্য।

হুমায়ূন আহমেদকে তার গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত না করার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণা করেছে অন্ততপক্ষে এমন দুজন গবেষককে আমি ভীষণভাবে তীরস্কার করেছি। তার মধ্যে একটি হলো মধ্যবিত্তের মনস্তত্ত্ব। আমি তাঁকে বললাম যে, বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের মনস্তত্ত্ব খোঁজা হচ্ছে, অথচ সেখানে হুমায়ূন আহমেদ নেই। সেটা কোনো থিসিসই হতে পারে না। কারণ, এককভাবে হুমায়ূন আহমেদ একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ লেখক, যেখানে মধ্যবিত্তের মনস্তত্ত খুঁজতে হবে। আবার আরেকটা থিসিস দেখলাম, যেখানে গ্রাম জীবন নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে হুমায়ূন আহমেদ নেই। বাংলাদেশে গ্রাম জীবন উপস্থাপনে হুমায়ূন আহমেদ নেই, সেটা একটা অ্যাবসার্ড। বাংলাদেশের গ্রাম জীবন উপস্থাপনের ক্ষেত্রে হুমায়ূন আহমেদের তুল্য দ্বিতীয় কোনো লেখক নেই। তাহলে এই যে দুজন গবেষক বা রশীদ হায়দার এরা তাদের সংশ্লিষ্ট থিসিসে হুমায়ূন আহমেদকে রাখলেন না কেন? তারা যে ব্যাপারটা জানেন না তা কিন্তু নয়। তারা রাখলেন না কেনো? এই না রাখার পেছনে আসলে ওই ডমিনেন্ট ডিসকোর্সটা আছে, যে হুমায়ূন আহমেদ একজন জনপ্রিয় লেখক। আমি আবারো বলছি এই ‘জনপ্রিয়‘ কথাটি যে বলা হয়, তা বাইডিফল্ট ‘জনপ্রিয়‘ বলতে সস্তা বুঝায়, বাংলাদেশ। তবে সমস্ত পৃথিবীতে এরকম নয়। তার মানে আমার প্রস্তাবটা হলো যে, হুমায়ূন আহমেদকে যে জনপ্রিয় লেখক বলা হচ্ছে, এই বলাটা আসলে কোনো অ্যানালিটিক্যাল ক্যাটাগরি নয়। এটা আসলে একটা বিশেষণ, যে বিশেষণটা আবশ্যিকভাবে বুঝায় এটা সাহিত্য হিসেবে পরিত্যজ্য। বক্তব্যটা হলো এই ব্যাপারটা গত ত্রিশ বছর ধরে অত্যন্ত ডমিনেন্ট থাকার কারণে হুমায়ূন পাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুমায়ূন ঠিকমতো পড়া হয়নি এবং হুমায়ূন পড়ার সংস্কৃতিটা তৈরি হয়নি। এই প্রসঙ্গে পুনরায় আমি বহুদিন ধরে হুমায়ূন আহমেদ নিয়ে লিখছি। এবং আমার লেখার বই কেনার যেহেতু লোক নেই। ফলে আমি এগুলো বই হিসেবে না রেখে পাঠকদের পড়ার জন্য একাডেমিয়াএডু সাইটে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এই ক্ষেত্রে আমার একটি অবজারভেশন অত্যন্ত মর্মান্তিক এই যে, হুমায়ূন নিয়ে আমার প্রায় ৮ থেকে ১০টি লেখা আছে ওই পেইজে। এগুলোর পাঠকের সংখ্যা অন্য যে কোনো লেখার পাঠকের চেয়ে কম। তার মানে হলো এই হুমায়ূন পাঠের মধ্যে দারুণ একটি গোলমাল আছে। গোলমালটা এই যে, হুমায়ূন যারা পড়ে তারা হুমায়ূন সম্পর্কে কোনো প্রকার বিশ্লেষণাত্মক ব্যাপারে যেতে অভ্যস্ত নয়। আর যারা হুমায়ূন পড়ে না তারা হুমায়ূন সম্পর্কে অ্যানালাইসিস সম্ভব সেটাই মনে করে না। এই একটা পাঠ সংস্কৃতির মধ্যে হুমায়ূন আটকা পড়েছে। যে কেউ আসলে হুমায়ূনের জনপ্রিয় অংশগুলো নিয়েও সিরিয়াসলি মনোযোগ দিতো, তাহলে দারুণ ফল পেতো।

ধরা যাক, হুমায়ূন ’হিমু’ নামে একটি চরিত্র তৈরি করেছে। এই হিমু নামের একটি চরিত্র, যার কোনো প্রকার পূর্বসূত্র নেই, যেটা একেবারেই হুমায়ুনের তৈরি করা। যেটাকে আলাদা করে চেনা যায়। যার কর্মকাণ্ডকে চেনা যায়, যাকে বিশেষভাবে প্লেস করা যায়, এবং যার মধ্যদিয়ে গল্প বলা যায় যাকে ঢাকা শহরে খালি পায়ে হাটানো যায়। এবং সেইসূত্রে ঢাকার মানুষ, অবকাঠামো, এবং ভূমির একটা পরিচ্ছন্ন বয়ান উপস্থাপন করা যায়। এবং যাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজন হলে হলুদ হিমু কালো র‌্যাবের মতো একটা প্রথম শ্রেণির স্যাটায়ার লেখা যায়, যে স্যাটায়ার রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করে, যে স্যাটায়ার অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা পালন করে, যে স্যাটায়ার রাষ্ট্র কর্তৃক নিপীড়নের জন্য তৈরি করা একটি অত্যন্ত প্রতাপশালী বাহিনীকে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। এটা তৈরি করা সম্ভব হয় একমাত্র আগে থেকে একটা অত্যন্ত অরিজনাল সারা দুনিয়াতে অদ্বিতীয় ব্যতিক্রমী চরিত্র তৈরি ছিলো বলেই। সেই হিমুর জন্য আমরা হুমায়ুনের জন্য কম প্রশংসা বরাদ্দ করেছি। সারা দুনিয়াতে সিরিজেই এরকম অরিজিনাল একটা ক্যারেকটার লেখকদেরককে আরো বেশি প্রশংসা করা হয়। বাংলাদেশে আমাদের প্রজন্মের কেউ কেউ হিমুকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছে। যদিও আমার বিবেচনায় সেটা এখন পর্য্ত সম্ভব হয়নি। কিন্তু হিমুকে নিয়ে, ধরা যাক শুধু হিমুর যে ইমেজ নিয়ে হাজার পৃষ্ঠার দূর্দান্ত সাংস্কৃতিক বিশ্লেষণ করা সম্ভব। আমি একবার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগে হিমু নিয়ে একটা প্রবন্ধ পড়বো, যেখানে আমি দেখাবো যে, হিমুর কল্পনার মধ্যে মূলত বুদ্ধিস্ট সংস্কৃতির একটা অতীত প্রচণ্ডভাবে সক্রিয় আছে। বুদ্ধিস্ট থিওলোজি বিষয়ে আমার যথেষ্ট দখল নেই বলে বেশি আগাতে পারিনি। কিন্তু আমার ধারণা এটা সম্ভব। যে কেউ এটা করতে পারে। মিসির আলীর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। আমি সারা দুনিয়ায় এধরণের যত চরিত্র পড়েছি, যে সমস্ত বই-পুস্তক পড়েছি। আপনারা সবাই জানেন যে, এধরণের গোয়েন্দা লেখালেখির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শার্লক হোমস। বাংলাদেশে ফেলুদা দারুণভাবে স্থিত হয়েছে। আপনারা যারা শার্লক হোমসফেলুদা একসঙ্গে পড়বেন তাহলে জানবেন যে, ফেলুদা শার্লক হোমসের একটি অপভ্রংশ ছাড়া কিছু নয়। একেবারেই এর সহকারীসহ, ওর যাবতীয় অনুমানসহ, যেই ভিত্তিতে সে অপরাধকে সাব্যস্ত করে, যেই ভিত্তিতে সে অপরাধ অনুসন্ধান চালায়, যেভাবে সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আইন ও নৈতিকতার মধ্যে যে ফারাক সে করে, এসমস্ত প্রধান অনুমানগুলো আসলে শার্লক হোমস থেকে হুবহু কপি করা।

ড. মোহাম্মদ আজম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক
——————————————————————————————————————————————————————————————————
ড. মোহাম্মদ আজম সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের মধ্যে একালের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন তাত্ত্বিক। গভীর ও শাণিত যুক্তির মধ্যদিয়ে কোনো বিষয়কে ব্যবচ্ছেদ করার জন্য সুধীমহলে তার খ্যাতি রয়েছে। ঢাকার মতো অস্থির বিদ্বৎসমাজের মধ্যে তার নিবিষ্ট জ্ঞানচর্চা বিশ্ববিদ্যালয় ও যে কোনো তরুণ পাঠকের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বইয়ের ফেরিওয়ালা ’র সাহিত্য আড্ডায় ‘হুমায়ূন আহমেদ : পাঠ পদ্ধতি ও তাৎপর্য’ শীর্ষক একটি গণবক্তৃতা প্রদান করেন। সেই বক্তৃতার দ্বিতীয় কিস্তি।

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png