কত নদী সরোবরে জ্বলে কত দীপাবলি…

হুমায়ুন আজাদ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে একটি কবিতার পঙক্তি অনেক বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। হলফ করে বলা যায়, নিয়মিত ব্যবহারকারী হলে আপনি কখনও কখনও সেখানে এই কবিতার কয়েক লাইন দেখেছেন-

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবো
ছোট ঘাসফুলের জন্যে
একটি টলোমলো শিশিরবিন্দুর জন্যে
আমি হয়তো মারা যাবো চৈত্রের বাতাসে
উড়ে যাওয়া একটি পাঁপড়ির জন্যে
একফোঁটা বৃষ্টির জন্যে।

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাবো
দোয়েলের শিসের জন্যে
শিশুর গালের একটি টোলের জন্যে
আমি হয়তো মারা যাবো কারো চোখের মণিতে
গেঁথে থাকা একবিন্দু অশ্রুর জন্যে
একফোঁটা রৌদ্রের জন্যে।

(কবিতাঃ আমি সম্ভবত খুব ছোট কিছুর জন্য)

এটি মুলত হুমায়ুন আজাদের কবিতা। বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী হলেও হুমায়ুন আজাদ নিয়ে যেসব চর্চা হয়, সেসবের মধ্যে তার ভাষা সম্পর্কিত কাজ কিংবা ভাষার শক্তির আলোচনা খানিকটা উহ্যই থাকে। অথচ নব্বই দশক কিংবা তার পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল মাধ্যম ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন থেকে ডাকা অনুষ্ঠানে তার বক্তব্য এবং উচ্চারণ মাধুর্য সহজাতভাবেই তার ভাষা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলবার কথা। আজ আমরা এই লেখায় হুমায়ুন আজাদের কবিতার বাইরেও তার ব্যক্তিগত ভাষা চিন্তা ও ভাষা গ্রন্থ নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করবো। এবং হুমায়ুন আজাদের কিশোরগ্রন্থের দিকেও নজর দেবো।

লেখক জীবনে বই লিখেছেন ৬০ এর অধিক। বিষয়, বিন্যাস, বিশ্লেষণ ইত্যাদির গুরুত্বও গভীর নান্দনিক মননশীলতার কারণে অধিকাংশ বই-ই গ্রাহ্য করার মতো।

হুমায়ুন আজাদের পিএইচডির বিষয় ছিলো ‘বাংলা ভাষায় সর্বনামীয়করণ’। ১৯৭৬ সালে তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানের এই বিষয় থেকে পিএইচডি লাভ করেন। সেসময়েই তিনি রবার্ট ক্যাল্ডরের সহযোগিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ এবং নিজের কিছু কবিতা অনুবাদ করেছিলেন। পরবর্তীতে এসব অনুদিত কবিতা লিডস ইউনিভার্সিটি জার্নাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি ম্যাগাজিন ‘চ্যাপম্যান’ সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো।

মুলত স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশে ফিরেই তিনি প্রথম ছোট গল্প লেখেন। ছোট গল্পে তার হাতে খড়ি হয়েছিলো ‘অনবর তুষারপাত’ নামে একটি গল্প দ্বারা। আরও দুই বছর পর এই গল্পটি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। ততদিনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন। সময়টা ১৯৭৮।

কবি শামসুর রহমানের বাসায় হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলন এবং সালেহ চৌধুরী

আহমাদ ইশতিয়াক সেই সম্পর্কে লেখেন, আশির দশকে হুমায়ুন আজাদের পিএইচডি অভিসন্দর্ভ প্রকাশিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে। এর পরের বছর ১৯৮৪ সালে বাংলা ভাষার বাক্যতত্ত্বের ওপর ‘বাক্যতত্ত্ব’ নামে একটি বই বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশ করেন তিনি। একই সালে বাংলা একাডেমি থেকে তিনি ‘বাঙলা ভাষা’ নামে দুই খণ্ডের একটি সংকলিত বই প্রকাশ করেন যেখানে বাংলা ভাষার বিভিন্ন ক্ষেত্রের ওপর বিগত শতাধিক বছরের বিভিন্ন ভাষাবিদ ও সাহিত্যিকের লেখা গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক রচনা সংকলিত হয়েছিল। এই তিনটি গ্রন্থই আজ অবধি বাংলা ভাষাবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসাবে বিবেচিত হয়। ১৯৮৬ সালে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হন ড. হুমায়ুন আজাদ। এর দুই বছর পর বের হলো তার ‘তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান’ গ্রন্থ।

বাক্যতত্ত্ব

 

BUY NOW

হুমায়ুন আজাদের ‘বাক্যতত্ত্ব’ বাংলা ভাষায় লেখা একটি অসাধারণ গ্রন্থ, সম্ভবত এই বইয়ের মাধ্যমেই বাংলাভাষীরা প্রথম পরিচিত হয় রুপান্তর মূলক সৃষ্টিশীল ব্যাকরণের সাথে, নোয়াম চমস্কির তত্ত্ব ও তথ্যের সাথে। ‘বাক্যতত্ত্ব’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৪ সালে। তার মতে নোয়াম চমস্কির দেয়া ভাষার বাক্যের ধারণা বা চোমস্কীয় ধারণায় ভাষাবিজ্ঞানকে বলা হয়েছে ‘শ্রেণীকরণী ভাষাবিজ্ঞান’ এবং সঙ্গে সঙ্গে দেখানো হয়েছে সাংগঠনিক ভাষাবিজ্ঞানের মর্মে লুকিয়ে আছে মারাত্মক ত্রুটি।

কিন্তু বাঙলা ভাষাবিজ্ঞান সব সময়ই কিছুটা পশ্চাত্বর্তী হওয়ায়, পাশ্চাত্যের আধুনিক তত্ত্ব-কৌশল আমাদের অঞ্চলে পৌঁছাতে বেশ সময় নেয়। চোমস্কীয় রূপান্তর ব্যাকরণকাঠামোতে বাঙলা ভাষার বাক্যের এক এলাকা প্রথম বিশ্লেষিত হয়েছিলো হুমায়ুন আজাদেরই গবেষণাগ্রন্থ প্রেরনোমিনালিয়াজেশন ইন বেঙ্গলিতে (১৯৭৩-১৯৭৬)। বাঙলা ভাষার সেই তত্ত্ব-কৌশল পরিবেশিত হয় নি সেভাবে। এই বইতেই প্রথম পরিবেশিত হলো রূপান্তর ব্যাকরণের তত্ত্ব ও কৌশল। কিন্তু এ-গ্রন্থে শুধু রূপান্তর ব্যাকরণের তত্ত্বকৌশলবিষয়ক নয়; এতে পেশ করা হয়েছে ভাষাতত্ত্বের প্রধান তিনটি ধারার বাক্য বর্ণনাকৌশলের অনুপুঙ্খ বিবরণ।

বাঙলা ভাষা

 

BUY NOW

বাঙলা ভাষা এক হাজার বছরেরও বেশি বয়স্ক, কিন্তু বাঙলা ভাষাতত্ত্বের বয়স মাত্র দু-শো চল্লিশ বছর (১৭৪৩-১৯৮৩)। ভাষাতত্ত্বের অসামান্য বিকাশ ঘটেছিলো ধ্রুপদী ভারতে, তবে ঐ ভাষাতাত্ত্বিক ঐতিহ্য কোনো সহায়তা করে নি বাঙলা ভাষতত্ত্বের উন্মেষে; বরং, মনে হয়, সংস্কৃতনিষ্ঠ ভারতীয় ভাষাতাত্ত্বিক ঐতিহ্য অনেকটা বাধা হ’য়ে দাঁড়িয়েছিলো বাঙলা ভাষাতত্ত্বের উদ্ভবে।

উনিশশতকের শুরুতে আবির্ভাব ঘটে সুপরিকল্পিত-সচেতন বাঙলা গদ্যের;- উনিশশতকের প্রথমার্ধে চতুর্দিকে সক্রিয় হ’য়ে ওঠে কর্মী গদ্য; আর বাঙলা ভাষা একটি আঞ্চলিক বা বহু-আঞ্চলিক ভাষা থেকে পরিণত হ’তে থাকে একটি প্রধান ভারতীয় ভাষায়-স্থির-সুস্থিত হ’তে থাকে তার লেখ্য ও কথ্য মানরূপ।

আর এসব নিয়েই তাত্ত্বিক আর বিশদ আকারে লেখা হুমায়ুন আজাদের সম্পাদনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ সংকলন গ্রন্থ ‘বাঙলা ভাষা’।

বাঙলা ভাষা (দ্বিতীয় খন্ড)

 

BUY NOW

বাঙাল ভাষা বইটির দ্বিতীয় খন্ড বের হয় পরবর্তীতে। ভাষা তত্ত্বের আলোচনায় যেসব প্রবন্ধ অত্যাবশ্যকীয় ছিলো, এবং প্রথম খন্ডে সংকলন করাটা সম্ভব হয়নি, তা এই খন্ডে যুক্ত করা হয়। বাঙলা ভাষার শিক্ষার্থী কিংবা গবেষকদের জন্য এই বইটির দু’টো খন্ডই অবশ্যপাঠ্য।

লাল নীল দীপাবলি

 

BUY NOW

হাজার বছর আগে আমাদের প্রথম প্রধান কবি, কাহ্নপাদ, বলেছিলেনঃ নগর বাহিরে ডোম্বি তোহোরি কুড়িআ। তাঁর মতো কবিতা লিখেছিলেন আরো অনেক কবি। তাঁদের নামগুলো আজ রহস্যের মতো লাগেঃ লুইপা, কুক্কুরীপা, বিরুআপা, ভুসুকুপা, শবরপার মতো সুদূর রহস্যময় ওই কবিদের নাম। তারপর কেটে গেছে হাজার বছর, দেখা দিয়েছেন অজস্র কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার। তাঁরা সবাই মিলে সৃষ্টি করেছেন আমাদের অসাধারণ বাঙলা সাহিত্য। বাঙলা সাহিত্য চিরকাল একরমক থাকে নি, কালে কালে বদল ঘটেছে তার রূপের, তার হৃদয়ের। সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন সৌন্দর্য। মধ্যযুগে কবিতা লিখেছেন পদাবলি, লিখেছেন মঙ্গলকাব্য। উনিশশতকে বাঙলা সাহিত্য হয়ে ওঠে অপরূপ অভিনব। তখন কবিতায় ভরপুর বাঙলা সাহিত্যে দেখা দেয় গদ্য, বাঙলা সাহিত্য হয়ে ওঠে ব্যাপক ও বিশ্বসাহিত্য। বিশশতকের বাঙলা সাহিত্যের শোভার কোনো শেষ নেই। বাঙলা সাহিত্যের অনেক ইতিহাস লেখা হয়েছে, আর কবি হুমায়ুন আজাদ বাঙলা সাহিত্য নিয়ে লিখেছেন লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী, যা শুধু বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস নয়, এটি নিজেই এক সাহিত্য সৃষ্টি। কবি হুমায়ুন আজাদ হাজার বছরের বাঙলা সাহিত্যকে তুলে ধরেছেন কবিতার মতো, জ্বলে দিয়েছেন বাঙলা সাহিত্যের। নানান রঙের দীপাবলি।

এ-বই কিশোরকিশোরীদের তরুণতরুণীদের জন্য লেখা, তারা সুখ পেয়ে আসছে এ-বই পড়ে, জানতে পারছে তাদের সাহিত্যের ইতিহাস। লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী এমন বই, যার সঙ্গী হতে পারে ছোটোরা, বড়োরা, যারা ভালোবাসে বাঙলা সাহিত্যকে। বাঙলার প্রতিটি ঘরে আলো দিতে পারে এ-বই।

আব্বুকে মনে পড়ে

 

BUY NOW

হুমায়ুন আজাদের কম চর্চিত এক কিশোর উপন্যাস। সে এক বিষন্ন সুন্দর তরুণ, জীবনযাপন ক’রে যাচ্ছে সে; কিন্তু সে প’ড়ে আছে তার সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে মধুর, সবচেয়ে মহান স্মৃতির মধ্যে। আব্বুকে তার মনে পড়ে এবং মনে পড়ে না। মনে পড়ে না ব’লেই আব্বুকে তার বেশি মনে পড়ে। একটি মহাযুদ্ধ এসেছিল তার জীবনে। সবার জীবনে। ওই মহাযুদ্ধের নাম মুক্তিযুদ্ধ। তার সুন্দর মধুর কবিতায় ভরা আব্বু গিয়েছিল সেই মহাযুদ্ধে। আর ফেরেনি। তারপর সকলের জীবন ভ’রে উঠেছে স্বাধীনতায়; কিন্তু তার জীবন ভরেনি আব্বু ফেরেনি ব’লে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ছিল শিশু, এই উপন্যাসে সে বলেছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা। তার সুখের কথা। স্বপ্নের কথা। আনন্দের কথা। বুকের ভেতরে জ’মে থাকা জলের কথা।

হুমায়ুন আজাদ কবিতার মতো ক’রে শিশুকিশোরদের বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের এমন গল্প, যা বুকে জাগিয়ে দেয় হাহাকার।

ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না

 

BUY NOW

বাল্যকাল মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। প্রতিটি মানূষের জীবনেই তার হারিয়ে যাওয়া শৈশব-কৈশোর অমোঘ, অমোচনীয় পদচ্ছাপ ফেলে যায়, রেখে যায় একরাশ মধুর, স্মৃতিমেদুর অনুভূতি। ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না বইতে হুমায়ুন আজাদ রোমন্থন করেছেন তার ছেলেবেলা। অপূর্ব উপমাখচিত ও অভাবিত চিত্রকল্পশোভিত ভাষায় তিনি লিখে গেছেন তার বাল্যকালের কথা। তার গ্রাম রাড়িখালের বর্ণনা স্মৃতিকাতর করে একালের পাঠকেও। আবহমান গ্রামবাংলার প্রকৃতি, গাছ, পাখি, ফুল, মাঠ, ধানখেত, ঘাস, লতাগুল্ম, পুকুর-বিল-নদী, মাছ, নৌকা, স্টিমার, শিশিরের শব্দ, খেজুরের রস, জোৎস্না, গ্রামীণ মেলা, যাত্রা, সার্কাস চিত্রকল্পের মতো হাজির হয় চোখের সামনে। ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না পড়ে পাঠক ফিরে যান নিজ নিজ রাড়িখালে। নিপুণ চিত্রকরের তুলিতে যেন আঁকা হয়েছে একেকটি অধ্যায়।

হুমায়ুন আজাদের মৃত্যু হয়েছিলো নীরবে, দেশ থেকে বহুদূরে। ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট সকালে জার্মান পেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ইয়োহানেস স্ট্রাসার ছেলে কতগুলো দাপ্তরিক কাজে নিয়ে যাবার জন্য হুমায়ুন আজাদের এপার্টমেন্টে পৌঁছে কলিং বেল বাজিয়ে, ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে ভেতরে ঢুকে তাঁকে ঘুমন্ত অবস্হায় পান৷ তখন তিনি মৃত৷ তার মৃত্যুর এত বছর পরেও বাংলা ভাষা নিয়ে তার জ্ঞান বিতরণ করে চলছে তার বইগুলো। আমরা এখনও বিদায়ের সময় কিশোরসুলভ কবিতা আওড়াই হুমায়ুন আজাদের মতো করে–

ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল, ভালো থেকো।

ভালো থেকো ধান, ভাটিয়ালি গান, ভালো থেকো।

ভালো থেকো মেলা, লাল ছেলেবেলা, ভালো থেকো।

 

হুমায়ুন আজাদের বইসমূহ দেখতে ক্লিক করুন 

 

তথ্যসূত্রঃ-

১. হুমায়ুন আজাদের কবিতা ও কবিশক্তি (আবু আফজাল সালেহ)

২. হুমায়ুন আজাদ (১৯৪৭-২০০৪): সব মৃত্যু থেমে থাকা নয় (ডয়েচে ভেলে)

৩. হুমায়ুন আজাদ ও তার ভাষা (রহমান সিদ্দিক)

৪. হুমায়ুন আজাদ: বাংলা ভাষার এক নিরন্তর সংগ্রামী অভিযাত্রী (আহমাদ ইশতিয়াক)

৫. কবিতাঃ ভালো থেকো

৬. কবিতাঃ আমি সম্ভবত খুব ছোট কিছুর জন্য

 

Zubayer Ibn Kamal

Zubayer Ibn Kamal

For the last half a decade, I have been writing stories, articles, features, and other content in various national level magazines. I am most interested in creative writing. I have read thousands of fiction books in the last few years. I have memorized the book of the last revelation of God. My day goes by reading books and thinking.

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading