একরোখা আহমদ ছফা’র ৭ টি সাহসী ঘটনা

Ahmed chofa

মানুষ খুব অসহায়। মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলেও কি হবে, মানুষ খুব মূল্যহীন। এগুলো নিয়ে খুব আস্ফালন করার কিচ্ছু নেই।মানুষ পৃথিবী থেকে অনেক কিছু শিখে। কিন্তু মানুষ আরেকটা জিনিস শিখে না, বিনীত হওয়া শিখে না – আহমদ ছফা

বাংলাদেশের সাহিত্য ইতিহাসের অন্যতম প্রতিবাদী এবং প্রগতিশীল লেখক আহমদ ছফা। অন্যায়, অবিচার, কুসংস্কার ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে তাঁর কলম ছিল ক্ষুরধার। অনেকের মতে, বাংলাদেশে আহমদ ছফার মতো সাহসী লেখক দ্বিতীয় কেউ নেই। তিনি কখনো হিসেব করে লিখতেন না। কখনো কারও সঙ্গে আপস করেননি। বলা হয়, নির্লোভ মননশীলতা এবং সত্যসমৃদ্ধ স্পষ্টবাদিতার জন্য তাঁকে ভয় পেতেন সে সময়ের সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবিরা। আজকের আয়োজনে থাকছে এই বিশিষ্টজনের ৭ টি সাহসী ঘটনা।

৭. খালেদা জিয়ার সাথে ফোনালাপ

একবার খালেদা জিয়া আহমদ ছফাকে ফোন করে দাওয়াত করেছিলেন। তিনি বেগম জিয়াকে বলেছিলেন, যেতে পারি এক শর্তে। আমাকে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে হবে। শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে রান্না করে খাইয়েছিলেন। খালেদা জিয়ার রান্না করার সময়ও হয়নি, ছফাও যেতে পারেননি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছফা’র আরেকবার ফোনালাপ হয়েছিল। উপলক্ষ ছিল এনজিও ব্যুরো থেকে ‘বাংলা-জার্মান সম্প্রীতি’র রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে। ছফা-ই বেগম জিয়াকে ফোন করেছিলেন। ফোনটি ধরেছিলেন তাঁর পিএস। ছফা বিনয়ের সঙ্গে পিএসকে বলেছিলেন,

– ম্যাডামকে কি একটু দেয়া যাবে? আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাই।
– আপনি কে?
– আমি আহমদ ছফা।
– কোন আহমদ ছফা?

পিএস-এর কথায় ছফা ভয়ানক রকম ক্ষেপে গিয়েছিলেন। তিনি রাগলে সচরাচর যে গালটি তাঁর মুখ দিয়ে বের হত সেটি বেরিয়ে গিয়েছিল। তারপর তিনি কোন রকম ভূমিকা না করে বললেন,

– বাংলাদেশে আহমদ ছফা দু’জন আছে নাকি?

ছফা কথা না বাড়িয়ে রিসিভারটি ধপাস করে রেখে দিয়েছিলেন। পিএস সাহেব ছফার এ অশোভন আচরণের কথা বেগম জিয়াকে জানিয়েছিলেন কিনা জানা যায়নি। কিছুক্ষণ পরে বেগম জিয়া ফোন করেছিলেন। ছফা’র কথার ঝাল তখনও থেকে গিয়েছিল। ফোন পেয়ে তিনি বেগম জিয়াকে বিরক্ত কণ্ঠে বলেছিলেন,

– ম্যাডাম, কী সব অশিক্ষিত পিএস টিএস রাখেন আহমদ ছফার নাম জানে না।

ছফা’র কথায় বেগম জিয়া হেসে জবাব দিয়েছিলেন,

– আমি নিজে অশিক্ষিত; শিক্ষিত মানুষ পাব কোথায়? আপনারা কেউ তো এগিয়ে আসছেন না।

নাসির আলি মামুনের ছবিতে আহমদ ছফা

৬. কলকাতা বইয়ের বিরোধীতা

বাংলা একাডেমীর একুশে বইমেলায় কলকাতার বই আসত। আহমদ ছফা এর বিরোধীতায় নামেন। তার বিরোধীতার ফলে কলকাতার বই আসা বন্ধ হয়। ছফা কাজটা করেছিলেন দেশের লেখকদের কল্যাণের জন্য কিন্তু এদশেরই লেখক শওকত ওসমান তাকে বাজে লোক বলে মন্তব্য করেন। ছফা তাকে নিয়ে নিউমার্কেটের বইয়ের দোকানে দোকানে নিয়ে যান। গিয়ে জিজ্ঞেস করেন শওকত ওসমানের কোনো বই আছে কী-না। কেউ লেখককেই চিনতে পারল না। তখন কলকাতার একজন সাধারণ মানের লেখকের নাম বলতেই অনেকগুলো বই বের করে দিলো। আহমদ ছফা তখন শওকত ওসমানকে জিজ্ঞেস করলেন,

– দেশটা আমরা বাল ছেঁড়ার জন্যে স্বাধীন করেছি?

কাউকে জ্ঞান বিতরণের আগে জেনে নিও যে তার মধ্যে সেই জ্ঞানের পিপাসা আছে কিনা। অন্যথায় এ ধরণের জ্ঞান বিতরণ করা হবে এক ধরণের জবরদস্তি। জন্তুর সাথে জবরদস্তি করা যায়, মানুষের সাথে নয়। হিউম্যান উইল রিভল্ট

৫. ছফার প্রতিজ্ঞা

হুমায়ূন আহমেদসহ কয়েকজন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন কেউ বিয়ে করবেন না। সবাই বিয়ে করেছিলো, এক আহমদ ছফা ছাড়া। তিনি চিরকুমার-ই ছিলেন।

৪. হুমায়ূন আহমদকে প্রকাশ

ঊনিশ শ’ বাহাত্তর সালে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে লিখেন। আহমদ ছফা বইটি প্রকাশের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। তিনি হুমায়ূন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে প্রকাশকের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন। তখন কোন প্রকাশকই তাঁর লেখাটি ছাপার যোগ্য মনে করেননি, এমনকি নতুন লেখক বলে হুমায়ূন আহমেদকে কেউ পাত্তাও দিতে চাননি। মুক্তধারার মত আরও অনেক বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এ উপন্যাসের সাহিত্যমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে এ ধরনের একটা লেখা কেন ছাপতে হবে। নন্দিত নরকে বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রত্যাখ্যাত হলে ছফা কাকা এটি নিয়ে খান ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানি নামক একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং বইটি প্রকাশ করার জন্য প্রকাশককে বাধ্য করেছিলেন। তিনি কেবল একজন প্রকাশক যোগাড় করে দিয়ে দায় সারেননি, বইটির প্রচার প্রসারের দায়িত্বও অনেকটা কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। ডক্টর আহমদ শরীফ এই বইটির জন্য একটি ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন।

৩. পুরস্কার প্রত্যাখ্যান

আহমদ ছফাকে যেন বাংলা একাডেমী পুরস্কার দেওয়া হয় সেজন্য তলব করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। আহমদ ছফা সেই পুরস্কার নেননি, উল্টো হুমায়ূন আহমেদকে বলেছেন- হুমায়ূন, তোমার এত্তবড় সাহস! তুমি আমার জন্য তলব করো পুরস্কারের?

২. যেভাবে ওঙ্কার লিখেছিলেন

এই ঘটনার কথা হুমায়ূন আহমেদ বয়ান করেছেন। তাঁরা আনিস সাবেতের বোনের বিয়েতে কুমিল্লা গিয়েছিলেন। সেখানে আনিস সাবেত ছফা’র কোন একটি লেখার সমালোচনা করলে তিনি ভীষণ রকম খেপে যান। আনিস সাবেত তাঁর মতে অটল থাকার কারণে ছফা ঢাকার উদ্দেশ্যে রাতের বেলা ওঁদের ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন। তখন রাত এত গড়িয়েছিল যে রাস্তায় কোন গাড়ি ছিল না। ফলে ছফা কাকা কুমিল্লা থেকে হেঁটে ঢাকা চলে এসেছিলেন। তাতে ছফা পা ফুলে গিয়েছিল। তাঁর জ্বর এসে গিয়েছিল। বেশকিছু দিন পর ভয়ে ভয়ে আনিস সাবেত ছফা কাকার কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে তিনি বলেছিলেন, সারা রাস্তা হেঁটে আসার কারণে তাঁর মাথায় একটি উপন্যাসের ধারণা মাথায় এসে গিয়েছে। রাগ করে না এলে এ ধারণাটা আসত না। হুমায়ূন আহমেদের কথায় যে উপন্যাসের গল্পটি তাঁর মাথায় এসেছিল তার নাম ‘ওঙ্কার’।

এস এম সুলতানের সাথে আহমদ ছফা

১. হুমায়ূন আহমেদের বাড়ি রক্ষা

রক্ষীবাহিনীর দখল থেকে হুমায়ূন আহমেদের বাড়িটি বাঁচিয়েছিলেন আহমদ ছফা। স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর হুমায়ূন আহমেদ তাঁর মায়ের সাথে বাবর রোডের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে উঠেছিলেন। বাংলাদেশ সরকার শহীদ পরিবারের সম্মানার্থে হুমায়ূন আহমেদের মায়ের নামে ওই পরিত্যক্ত বাড়িটি বরাদ্দ করেছিলেন। কিন্ত অল্প কয়েক দিন পর গভীর রাতে রক্ষী বাহিনীর একটি সশস্ত্র দল হুমায়ূন পরিবারকে বাড়ি থেকে বের করে দরজায় তালা লাগিয়ে দেয়।

চারিদিকে ঘোর অন্ধকার, কোথায় যাবেন তাঁরা? সকাল হল, কেউ নেই, কেউ আসার কোনো আশা নেই। চর্তুদিকে গিজগিজ করছে রক্ষী বাহিনী। কার বুকে এত পাটা যে এগিয়ে আসবে। আহমদ ছফা এসে হাজির। ছফার হাতে একটি টিন, কেরোসিনে ভর্তি, কাঁধে মোটা চাদর।

এ নিয়ে আমীন এবং ছফার কথোপথন:

– আপনি কি হুমায়ূনের কাছে একাই গিয়েছিলেন?
– হ্যাঁ, একাই। তবে হাতে একটা কন্টেনার ছিল, তাতে পাঁচ লিটার কেরোসিন, কিনেছিলাম।
– কেরোসিন কেন?
– জ্বলব এবং জ্বালাব বলে।
– কাকে?
– নিজেকে এবং গণভবনকে।

আমি হুমায়ূনকে বললাম, আমার সাথে রিক্সায় উঠুন, আমরা গণভবন যাব। একটি রিনাউন শহীদ পরিবারকে বাড়ি হতে উচ্ছেদ করে জ্ঞানীর কলমের চেয়েও পবিত্র রক্তকে অবমাননা করা হয়েছে। অপমান করা হয়েছে স্বাধীনতা ও জাতির আত্মদানের গৌরবমন্ডিত ঐশ্বর্যকে। আমি কেরোসিন ঢেলে আত্মহুতি দেবার সংকল্পে উম্মাদ হয়ে উঠেছিলাম সেদিন।

– কেন?

– যে দেশের সরকার স্বাধীনতায় জীবন বিসর্জনকারী একজন প্যাট্রিয়ট পরিবারকে বাসা হতে গভীর রাতে উচ্ছেদ করে দেয়ার মত জঘন্য ঘটনা ঘটাতে পারে সে দেশে আর যাই থাকুক, আমি নেই। এমন ঘৃণ্য দেশে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল, অনেক। তো, আমি হুমায়ূনকে বললাম, আপনি তাড়াতাড়ি রিক্সায় উঠুন। হুমায়ূন বললেন, কোথায় যাব? আমি বললাম গণভবনে যাব। নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেব। একটি শহীদ পরিবারের প্রতি যে অপমান করা হয়েছে- তার প্রতিবাদে এ কাজটা করব। আত্মহুতি।

– কী বলছেন ছফা ভাই?
– কথা বলে সময় নষ্ট করবেন না। উঠে আসুন। সঙ্গে ভারী চাদরও নিয়ে এসেছি। আপনি আমার গায়ে ভালোমত চাদরটা জড়িয়ে দেবেন। যেন আগুনটা ঠিকমত লাগে।

আহমদ ছফার গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহুতি দেয়ার সংবাদ দাবানলের মত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। সবাই আস্তে আস্তে জড়ো হতে লাগলেন। বন্ধুরা ছফাকে বুঝাতে চেষ্টা করলেন। কিন্ত ছফা অনঢ়, তিনি আত্মহুতি দেবেনই। অন্য কেউ হলে ভাবা যেত আত্মহুতি নয়, কেবল হুমকি, কথার কথা। কিন্ত সবাই জানে ছফা অন্য রকম, সিদ্ধান্ত যখন নিয়েছেন প্রতিকার না পাওয়া পর্যন্ত একচুলও এদিক সেদিক করবেন না, যাহোক কিংবা যাই ঘটুক।

কবি সিন্দাকার আবু জাফর ব্যস্ত হয়ে ছফার কাছে এলেন। জোর গলায় বললেন, আমি ব্যবস্থা করছি। কথা দিচ্ছি, এই শহীদ পরিবারের জন্য থাকার একটা ব্যবস্থা করব। তুমি কেরোসিন টিন আমার বাসায় দিয়ে এসো। ছফা বললেন, হুমায়ূন পরিবারকে আবার সস্থানে তুলে না দেয়া পর্যন্ত আমি আমার সিদ্ধান্ত পাল্টাবো না এবং আপনার হাতে সময় মাত্র ১ ঘন্টা।

পরবর্তীতে সরকার হুমায়ূন আহমেদের পরিবারকে পুনরায় উচ্ছেদকৃত বাসায় তুলে দিতে বাধ্য হয়েছিল।

ঘটনাগুলোর পরিক্রমায় হয়তো ব্যক্তি আহমদ ছফা ফুটে উঠেছেন কিন্তু এর বাইরেও রয়েছে তার সাহিত্যের বিশাল জগত। তার প্রতিটি লেখায় সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমসাময়িক পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। তার সাহিত্যকর্মের দ্বারা বিশেষত তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল।

দেখুনঃ আহমদ ছফা’র সকল বই

 

এক নজরে আহমদ ছফার সাহিত্যকর্মঃ  আহমদ ছফার প্রথম উপন্যাস ‘সূর্য তুমি সাথী’, প্রকাশিত হয়েছিলো ১৯৬৭ সালে।  তার প্রবন্ধমূলক গ্রন্থগুলো সর্বাধিক আলোচিত ছিল। তাঁর প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে ‘জাগ্রত বাংলাদেশ’ (১৯৭১), ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ (১৯৭২),  ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা’ (১৯৭৭), ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ (১৯৮১), ‘শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ (১৯৮৯), ‘রাজনীতির লেখা’ (১৯৯৩), ‘নিকট ও দূরের প্রসঙ্গ’ (১৯৯৫), ‘সংকটের নানা চেহারা’ (১৯৯৬), ‘সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ (১৯৯৭), ‘শান্তিচুক্তি ও নির্বাচিত প্রবন্ধ’ (১৯৯৮), ‘বাঙালি জাতি এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র’ (২০০১), ‘আমার কথা ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ (২০০২), ‘সেই সব লেখা’ (২০০৮) ইত্যাদি উল্লেখ্যযোগ্য।

তাঁর উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘সূর্য তুমি সাথী’ (১৯৬৭), ‘উদ্ধার’ (১৯৭৫), ‘একজন আলী কেনানের উত্থান পতন’ (১৯৮৯), ‘অলাতচক্র’ (১৯৯০), ‘ওঙ্কার’ (১৯৯৩), ‘গাভীবিত্তান্ত’ (১৯৯৪), ‘অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী’ (১৯৯৬), ‘পুষ্পবৃক্ষ ও বিহঙ্গপুরাণ’ (১৯৯৬) ও ‘নিহত নক্ষত্র’ (১৯৬৯)।

‘জল্লাদ সময়’ ও ‘দুঃখের দিনের দোহা’ (১৯৭৫), ‘একটি প্রবীণ বটের কাছে প্রার্থনা’ (১৯৭৭), ‘লেনিন ঘুমোবে এবার’ (১৯৯৯), ‘আহিতাগ্নি’ (২০০১) তাঁর কাব্যগ্রন্থ।

আহমদ ছফার অন্যতম জনপ্রিয় একটি বই ‘যদ্যপি আমার গুরু’। এ ছাড়া তিনি ভ্রমণ কাহিনি, কিশোর গল্প ও শিশুতোষ ছড়ার বই রচনা করেছিলেন।

*পূনঃপ্রকাশ, ২০১৯ সালে প্রথম প্রকাশ

 

rokomari

rokomari

Published 29 Jan 2018
Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money.
  0      0
 

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png