অ্যাডমিশনের এই কনফিউজিং টাইমে যে ৩ টি বই মানসিক প্রস্তুতিতে এগিয়ে রাখবে।

আত্মউন্নয়নমূলক বই

মাসুম সাহেব ব্যংকে চাকরী করেন। উনার ছেলে মেহেদী এবার ভার্সিটি তে অ্যাডমিশন দিবে। উনি উনার মত করে চেষ্টা করে যাচ্ছেন কিভাবে তার ছেলের সাফল্য নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু এইচ এস সি পরীক্ষা এবং অ্যাডমিশন নিয়ে অস্পষ্টতার জন্য তিনি লক্ষ্য করছেন তার ছেলের মধ্যে অনেক অস্থিরতা কাজ করছে।
কোন কিছুতে হয়তো মনোযোগি হতে পারছে না। এই সময়ে তিনি তার ছেলের জন্য কী পরামর্শ দিবেন তা নিয়ে নিজেও কনফিউশনে আছেন।

এমন ঘটনা শুধু মেহেদীর নয় বরং বাংলাদেশের লক্ষ স্টুডেন্টের মধ্যে হচ্ছে। এইচ এস সি পরীক্ষা এবং অ্যাডমিশন নিয়ে অস্পষ্টতা তাদের করে ফেলেছে আরোও অস্থির এবং কনফিউজড।

উদ্ভাস উন্মেষ শিক্ষা পরিবারের অরিয়েন্টেশনে অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ এমন পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার উপায় সম্পর্কে বলেছিলেন। অস্থির সময়ে কিভাবে নিজেকে শান্ত রাখা যায়, ফোকাসড থাকা যায়, একটিভ থাকা যায় এবং রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড কাজ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

তিনি এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে কিছু অভ্যাস রপ্ত করতে বলেন। যে অভ্যাস শুধু স্টুডেন্ট লাইফে নয় বরং সারাজীবনের জন্য কাজে লাগবে এবং সফল মানুষ হতে আপনাকে সাহায্য করবে।

এই অভ্যাস গুলো কী কী তা বিস্তারিত জানতে উনি ৩ টি বই পড়ার কথা বলেন। যে কয়টি আত্মউন্নয়নমূলক বই পৃথিবীতে সাড়া ফেলেছে ও অসংখ্য মানুষের জীবনে পরিবর্তন এনেছে তার মধ্যে থেকে প্রথম সারির সেরা ৩টি বইয়ের তালিকা করা হলে, এই ৩ টি বই থাকবে।  তাহলে আসুন এই ৩ টি বই সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক এবং অভ্যাস গুলো সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাক-

দ্যা মিরাকল মর্নিংঃ 

কী আছে বইটিতে? প্রশ্নটির উত্তর শুধুমাত্র আরেকটি প্রশ্নের মাধ্যমেই দেয়া যায়- আত্মউন্নয়নের কী নেই বইটিতে?

দ্যা মিরাকল মর্নিংঃ 
BUY NOW

জীবন বদলে দেওয়া এক অমূল্য বই হ্যাল এলরড এর “দ্য মিরাকল মর্নিং“। প্রকৃতপক্ষে এটা শুধু একটি বই নয়; এটা জীবনযাপনের এক নতুন পদ্ধতি- একটি অভ্যাস গঠন প্রক্রিয়া যা জীবনকে গড়ে দেয় নতুন আঙ্গিকে। বইটি যেন একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সংগঠন। জীবনে এই বইটির সংস্পর্শে আসা মানে যে-কোনো মাত্রায় জীবনকে বদলে ফেলা, জীবনকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পারা। শুধু বইটি পড়া নয়, চিন্তা জগতের পাশাপাশি এই বইয়ে অনেকগুলো সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের উল্লেখ রয়েছে, যেগুলো অনুসরণ করলে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক জগতের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে। এই বইয়ে যে চিন্তা, ধারণা, পরামর্শ ও কার্যক্রমের উল্লেখ রয়েছে সেগুলোর প্রভাব আমাদের জীবনে ব্যাপক। ধারণাগুলো পাল্টে দেবে আপনার এত দিনের জীবনযাপনের দৃষ্টিভঙ্গি। জীবনকে আপনি যে মানের ও উচ্চতার মনে করেন, বইটি পড়ার পর মনে হবে তার চেয়ে অনেক বেশি। তাই বইটি পড়তে পড়তেই দেখবেন, নিজের অজান্তেই মানসিকভাবে আপনি পৌঁছে গিয়েছেন উন্নততর জীবনে । ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে আপনার চিন্তাজগতে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি সরাসরি উপলব্ধি করতে পারবেন আপনার জীবনে এই বইটির প্রভাব ।

দ্য মিরাকল মর্নিং -এ জীবনযাপনের অনেক রকমের পরামর্শ রয়েছে। যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকা সত্বেও অনেক মানুষ কেন তাদের স্বপ্নের জীবন থেকে বঞ্চিত হয়, কেন অধিকাংশই থেকে যায় গড় মানুষ কেন পরিতাপ ও সংগ্রামের জীবনে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, এসব কিছুর কারণ ব্যাখ্যা করে তা থেকে উঠে আসার অনেক বাস্তব পরামর্শ রয়েছে বইটিতে ।

দ্য মিরাকল মর্নিং -এর একটি বড় অংশ (ষষ্ঠ অধ্যায়) জুড়ে রয়েছে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে লাইফ সেভারস  নামে ছয়টি অভ্যাসের নির্দিষ্ট কার্যক্রম । ব্যক্তিগতভাবে গ্রন্থকার এগুলো থেকে ব্যাপকমাত্রায় উপকৃত হয়েছেম। সকালের এই কার্যক্রম ও তা থেকে সৃষ্ট ইমপ্যাক্টকে তিনি নাম দিয়েছেন “দ্য মিরাকল মর্নিং” । তাকে অনুসরণ করে চলেছেন পৃথিবীর হাজার হাজার মানুষ। লাইফ সেভারস নামের এই মিরাকল মর্নিং ঘিরে বিশ্বব্যাপী গড়ে উঠেছে বিভিন্ন সংগঠন, তৈরি হয়েছে মিরাকল মর্নিং সম্প্রদায়। তবে ‘দ্য মিরাকল মর্নিং”-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে বইটির উজ্জীবনী শক্তি। নেতিবাচক শক্তির যে প্রভাব মানুষকে পিছনে টেনে নিয়ে যায়, যে ভূল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মানুষ জীবনকে এক জায়গায় মিয়ে রাখে, চিন্তার যে দৈন্য জীবনকে সংকীর্ণতায় আবদ্ধ করে রাখে, সীমাবদ্ধ যে ভাবনা জীবনকে আজীবন বঞ্চিত করে রাখে বৃহত্তর বনের বিপুল আয়োজন থেকে, “দ্য মিরাকল মর্নিং” সেসবের বিপক্ষে যেন এক প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া যা নিমিষেই বিতাড়িত করে দেয় জীবনের নেতিবাচক সবকিছু। জীবনকে নিয়ে যায় সাফল্যের এক নতুন ঠিকানায় ।

দ্য পাওয়ার অব হ্যাবিটঃ

সকালে চোখ মেলে তাকিয়ে সবার আগে আপনি কি করেন? গােসলে ঢােকেন, ইমেইল চেক করেন, নাকি রান্নাঘরের তাক থেকে একটা ডােনাট বের করে আগে কামড় বসান? আপনি গােসলের আগে ব্রাশ করেন, না গােসলের পরে? কোন জুতাের ফিতেটা আগে বাধেন, ডান না বাম? বেরিয়ে যাওয়ার সময় সন্তানদের উদ্দেশ্যে কি বলেন? কোন রাস্তা ধরে অফিসের দিকে ড্রাইভ করেন? যখন নিজের ডেস্কে পৌঁছে যান, কি করেন সবার আগে? ইমেইলগুলাে দেখেন? সহকর্মীদের কারও সাথে কথা বলেন, নাকি সরাসরি কাজে ব্যস্ত হয়ে যান?

দ্য পাওয়ার অব হ্যাবিটঃ 
BUY NOW

উইলিয়াম জেমস লিখেছিলেন ১৮৯২ সালে-

“আমাদের জীবনটা, যতই নির্দিষ্ট কোনাে ধারার বলে মনে হােক, আসলে অসংখ্য অভ্যাসের যােগফল।”

প্রতিদিন যে পথগুলাে আমরা বেছে নেই, আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় খুব সচেতনভাবে গ্রহণ করা একেকটি সিদ্ধান্ত। তবে আসলে মােটেও তেমনটা নয়। ব্যাপারটা হল—এগুলাে সবই অভ্যাস। আর প্রতিটা অভ্যাস আমাদের জীবনকে সরাসরি খুব সামান্যই প্রভাবিত করে। অথচ সময়ের সঙ্গে ওটার কারণেই নিয়ন্ত্রিত হয়  আমাদের সবগুলাে সিদ্ধান্ত।

কোন খাবার অর্ডার করছি, আমাদের সন্তানদের কি বলে রাতে ঘুমাতে পাঠাচ্ছি, সঞ্চয় করছি না পুরােটাই উড়িয়ে দিচ্ছি, অনুশীলন কেমন ঘন ঘন করছি, আমাদের চিন্তাগুলাে কিভাবে সংঘবদ্ধ করছি বা কাজের জন্য কোন রুটিনটা অনুসরণ করছি, সবই আমাদের স্বাস্থ্য, সৃজনশীলতা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আর  সুখের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

ডিউক ইউনিভার্সিটিতে একটা পেপার পাবলিশড হয়েছিল, ওতে ২০০৬ সালের গবেষকবৃন্দ উপসংহার টেনেছেন এভাবে-

“মানুষ প্রতিদিন যে সব কাজ করে তাদের ৪০ শতাংশ  সচেতনভাবে নেওয়া কোনাে সিদ্ধান্ত নয়, বরং শুধুই অভ্যাস।” |

উইলিয়াম জেমস হলেন সেই গােত্রের মানুষ, যাদের মধ্যে পড়বেন  অ্যারিস্টোটল থেকে ওপরাহ পর্যন্ত অসংখ্য ব্যক্তিত্ব, যারা জীবনের প্রায় পুরােটা সময় ব্যয় করেছেন অভ্যাসের অস্তিত্ব থাকার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে। তবে মানুষের জীবনে অভ্যাসের কার্যপ্রণালি কেমন কিংবা আরও গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নটি হলাে, তা কিভাবে পাল্টে দেওয়া যায় তা গবেষকরা কেবল বুঝতে পেরেছেন গত দুই দশক ধরে। |

বইটিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম অংশে থাকছে কারও জীবনে একটা অভ্যাস কিভাবে গড়ে ওঠে তার আলােচনা। ওখানে দেখা হবে অভ্যাস গড়ে ওঠার নিউরােলজি, নতুন অভ্যাস কিভাবে গড়ে তুলতে হয়, পাল্টাতে হয় পুরােনােগুলাে। পদ্ধতিগুলাের আলােচনাও থাকবে বিস্তারিত, উদাহরণস্বরূপ বলা যায় কিভাবে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টুথব্রাশের ব্যবহার দেশজুড়ে একটা অভ্যাসে পরিণত করল একজন মানুষ।

দ্য কম্পাউন্ড ইফেক্ট:

নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং ইউএসএ টুডের বেস্ট সেলার বইগুলোর মধ্যে “দ্য কম্পাউন্ড ইফেক্ট” বই হল একটি। এই বইটি সাফল্য এবং এটি অর্জন করতে সত্যই কী লাগে তা সম্পর্কে।

আপনি যখনই আপনার শৃঙ্খলা, রুটিন, ছন্দ এবং ধারাবাহিকতায় আঘাত করতে পারবেন তখন বুঝতে পারবেন আত্মা থেকে নিজেকে নিজেই পৃথক করছেন। এতে আপনি নতুন শক্তিশালী এবং বিজয়ী আত্মার খোঁজ পাবেন।

দ্য কম্পাউন্ড ইফেক্ট
BUY NOW

আপনাকে অনেক দিন ধরে বাঁশ দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেটে দিনে দুই ঘণ্টা ব্যয় করে বছরে ২,০০০,০০০ টাকা আয় করুন, সপ্তাহে ৩০০০ হারান, ক্রিম দিয়ে আপনার মুখের ২০ বছর ঘসুন, একটি বড়ি দিয়ে আপনার প্রেমের জীবন ঠিক করুন, বা অন্য কোনও প্রকল্পের সঙ্গে স্থায়ী সাফল্য অর্জন এসব এ বই থেকে পাবেন না। স্থানীয় ওয়ালমার্ট থেকে খুব ভালোভাবে ক্ল্যাম-শেলড প্যাকেজে নিজের সাফল্য, খ্যাতি, আত্মমর্যাদাবোধ, সুসম্পর্ক এবং স্বাস্থ্য এবং সুস্বাস্থ্য কিনতে পারলে এটি দুর্দান্ত হবে। আমরা ধনী হওয়ার জন্য, ফিট হয়ে উঠতে, আরও কম বয়েসি হওয়ার জন্য,  চাঞ্চল্যকর দাবির ক্রমাগত বোমা বর্ষণ করছি।  এই পুনরাবৃত্তিমুলক বিপণন বার্তাগুলো আমাদের সত্যকে, সফল হতে কী লাগে এ নিয়ে আমাদের ধারণাকে বিকৃত করে দিয়েছে। সফল হতে যা লাগে তার সাধারণ কিন্তু গভীর মৌলিক বিষয়গুলো আমরা হারিয়ে ফেলেছি।

মানুষকে মৌলিক বিষয়ে ফিরিয়ে নিতেই এই বই। বিশৃঙ্খলা পরিষ্কার করে এবং মূল ফাল্ডামেন্টালগুলোতে ফোকাস আনতে সহায়তা করতেই এই বই । পরিমাপযোগ্য এবং টেকসই ফলাফল উৎপন্ন করতে এই বইতে থাকা অনুশীলন এবং পরীক্ষামূলক সাফল্যের নীতিগুলো আপনি তাৎক্ষণিকভাবে আপনার জীবনে প্রয়োগ করতে পারবেন। বইটি আপনার আরও খারাপ বা খারাপের জন্য, আপনার জীবন পরিচালিত করে এমন অপারেটিং সিস্টেমটি কম্পাউন্ড ইফেন্টের শক্তিকে কাজে লাগানো শেখাবে। আপনার সুবিধার্থে এই সিস্টেমটি ব্যবহার করুন এবং আপনি সত্যই আপনার জীবনে পরিবর্তন আনতে পারেন।

চূড়ান্ত সাফল্যের জন্য আপনার প্রয়োজন একমাত্র কম্পাউন্ড ইফেক্ট। প্রথমত, আমি এই নীতিগুলো আ্যান্টনি রবিনস যেমন উল্লেখ করেছেন,

“আমি আমার ব্যবসায়িক প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য উপভোগ করেছি কারণ আপনি এই বইটিতে_যে নীতিগুলো পড়বেন তা মেনে চলার বিষয়টিকে আমি তৈরি করেছি।

গত বিশ বছর ধরে আমি তীব্রভাবে সাফল্য এবং মানুষের কৃতিতৃ নিয়ে অধ্যয়ন করছি। আমি হাজার হাজার ডলার হাজার হাজার বিভিন্ন ধারণা, সংস্থান এবং দর্শনে ব্যয় করেছি। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে আপনি যা শিখেন বা কোনও কৌশল আপনি নিয়োগ করেন না কেন, “কম্পাউন্ড ইফেক্ট” -এর অপারেটিং সিস্টেমের ফলাফল হিসাবে সাফল্য আসে।”

আপনার সফল হওয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন তা আপনি ইতোমধ্যে জানেন। আপনার আর কিছু শেখার দরকার নেই।  আমাদের কেবল আরও তথ্যের প্রয়োজন হলে, ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে প্রত্যেকে একটি প্রাসাদে বাস করেন, স্টিলের আবরণে থাকবেন এবং আনন্দের সঙ্গে  খুশি হবেন। নতুন বা আরও তথ্য আপনার যা প্রয়োজন তা নয় কর্মের একটি নতুন পরিকল্পনা যা নাশকতা দূর করতে এবং সাফল্যের দিকে মনোযোগী  করে তুলতে এমন নতুন আচরণ এবং অভ্যাস তৈরি করার সময় এসেছে এবং এটা খুব সহজ।

আপনি কার্যের একটি বিশদ, বাস্তব পরিকল্পনা আবিষ্কার করতে চলেছেন এর জন্য আপনার প্রত্যাশাগুলো কাঁপিয়ে তুলুন, আপনার অনুমানগুলো দূর করুন, আপনার কৌতূহলৎ প্রজ্বলিত করুন এবং আপনার জীবনের মূল্য দিন, এখনই শুরু করুন।

জীবনকে পরিবর্তনকারী ছোট্ট একটি বইয়ের মধ্যে রয়েছে প্রতি মাসের সাকসেস ম্যাগাজিনে যা থাকে তার সেরা নির্যাস।

আরও পড়ুনঃ আপনার চিন্তার জগৎ পাল্টাতে সাহায্য করবে যে ৯টি বই

তবে একটি আত্মউন্নয়নমূলক বই কোনো তরল ঔষধ নয় যে, প্রতি চুমুকেই উপকার ও কার্যকারিতা রয়েছে। একটি বইয়ের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য সবার জন্য একই মাত্রায় কার্যকরী নাও হতে পারে, হয় না, সম্ভবও নয়। অনেক পৃষ্ঠা হয়ত আপনার জন্যে হতে পারে একেবারেই প্রভাবহীন। তবে সার্বিক বিবেচনায় একটি বইয়ের অর্ধেক পৃষ্ঠাও কিংবা তার কমও যদি কার্যকরী হয়, তাহলেই বা কম কিসে? মনে রাখবেন, উন্নয়নটি ঘটবে আপনার জীবনের, সুতরাং একটি আত্মউন্নয়নমূলক বই থেকে যতটুকু-পরিবর্তন আপনার জীবনে আসবে তা অমূল্য। বইগুলো পড়ে কেউ শতভাগ নতুনভাবে জীবনযাপন করতে সক্ষম হবে, কেউ একটু কম। তবে যে মাত্রায় হোক না কেন বইগুলো পড়ার পর এই বইয়ের প্রভাব জীবনযাপনে যে খুব বড় একটি পরিবর্তন আনবে তা নিশ্চিত। আর এই পরিবর্তিত জীবন মানেই নতুনভাবে উপলব্ধি করা এক বিরাট জীবন- আশায়, উদ্যমে ও স্বপ্নে। পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষ এই বইগুলো পড়ে দৃশ্যমান সুফল পেয়েছেন, এবার আপনার পালা।

ভিডিও দেখুন-

 

অন্যান্য আত্মউন্নয়নমূলক বই পড়তে 

 

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Published 05 Dec 2018
Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh
  0      1
 

comments (1)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png