মায়েদের লেখা ও মাকে নিয়ে লেখা মনে রাখার মতো ১০টি বই

মাকে নিয়ে লেখা জনপ্রিয় বইকথা
feature image

আইরিশ কবি এবং নাট্যকার অস্কার ওয়াইল্ড বলেছিলেন, “সব মেয়েই তাদের মায়ের মতো হয়ে যায়। এটা তাদের ট্র্যাজেডি। ছেলেরা হয় না, এটা তাদের ব্যর্থতা।” আপাতঃদৃষ্টিতে বাক্যটিকে সাধারণ মনে হলেও এটা কোনো সাধারণ বাক্য নয়। কেন, সেই কারণ নিহিত আছে এই বাক্যটিতে — “ব্যস্ত থাকার মতো ঈশ্বরের আরও অনেক কাজ আছে, তাই তিনি আমাকে মা দিয়েছেন।” পৃথিবীর মানুষেরা একমত হয়ে একটি দিনকে ‘মা দিবস’ ঘোষণা করেছে। নানানভাবে সন্তানরা মায়েদের প্রশংসা জ্ঞাপন করে, উপহার দিয়ে দিনটি পালন করে। কিন্তু মায়ের দায়িত্ব, কর্তব্য, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সন্তানকে আগলে রাখার বলিষ্ঠ গুণের স্বীকৃতি দিলে বলতে হবে, প্রতিদিনই মা দিবস। মা মানে মা। যত কবিতা, যত গল্প কিংবা যত উপন্যাসই রচিত হোক মাকে নিয়ে, প্রশংসার অন্তত এক শতাংশ হলেও বাকি থেকে যাবে। কিন্তু মায়ের দৃষ্টিকোণ থেকে মায়েদের লেখা কিংবা মাকে নিয়ে লেখা সেসব বই অবশ্যই থাকতে পারে আমাদের পাঠ তালিকায়। এরকম আলোচিত ১০টি বইয়ের খবর দিয়ে যাই এই লেখায়–

১। একাত্তরের দিনগুলিজাহানারা ইমাম 

 

একাত্তরের দিনগুলি
BUY NOW

১৯৭১ সালে বাঙালির স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সঙ্গে জাহানারা ইমাম একাত্মতা ঘোষণা করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মৃত্যু, দুঃস্বপ্নভরা বিভীষিকার মধ্যে তার ত্যাগ ও সতর্ক সক্রিয়তা দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ উদাহরণ হয়ে আছে। শহীদ রুমীর মা পরিণত হন শহীদ জননীতে। মুক্তিযুদ্ধে সন্তান বিয়োগের বেদনাবিধুর মাতৃহৃদয় এবং যাতনা মূর্ত হয়েছে তাঁকে কেন্দ্র করে। উত্তাল মার্চ থেকে বিজয়ের ডিসেম্বর, প্রায় ১৯৭১ সালের পুরো ৯টি মাস খুব সুন্দরভাবে লিপিবদ্ধ করে গেছেন জাহানারা ইমাম। এই নয় মাসে অনেক উত্থান-পতন, কান্না, প্রিয় মানুষ হারানো- সবকিছু সাথে নিয়েই লিখে গেছেন তিনি।

পড়ুন- ‘একাত্তরের দিনগুলি’: একজন মায়ের হৃদয়ক্ষরা দিনলিপি

২। জীবন যে রকমআয়েশা ফয়েজ 

 

জীবন যে রকম - আয়েশা ফয়েজ
BUY NOW

“……. আমার মা স্থিরচোখে মানুষটির দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে সেই সন্ধ্যেবেলায় আমার একজন অতি সাধারণ নিরীহ মা পৃথিবীর সবচেয়ে অসাধারণ মানুষে পাল্টে গেলেন। তাঁর বুকে জম্ম নিল সিংহীর সাহস, তাঁর স্নায়ুতে হাজির হল ইস্পাতের দৃঢ়তা, তাঁর মস্তিষ্কে এল শতবর্ষী তপস্বীর ধী শক্তি, বুকে বানের মতো ফুলে-ফেঁপে উঠল সন্তানদের জন্যে ভালোবাসা। মাতব্বরের দিকে শান্ত চোখে তাকিয়ে বললেন, আপরার ভয় নেই। আমি আমার ছেলে-মেয়ে নিয়ে এখনই চলে যাব। ভর সন্ধ্যাবেলা একটা নৌকা ডাকিয়ে আনা হল। ভাই-বোনদের নিয়ে আমার মা নৌকায় উঠে বসলেন। মাঝি নৌকা ছেড়ে জিজ্ঞেস করল, ‘কোথায় যাব গো মা?’ আমার মা কিছু না বলে চুপ করে পাথরের মতো বসে রইলেন, কী বলবেন, মা তো নিজেও জানেন না কোথায় যাবেন।…….একাত্তরের পর আমাদের অনিশ্চিত জীবনের কথা লিখতে গিয়ে এভাবে আমার মায়ের কথা লিখেছিলাম। তারপর বহুকাল কেটে গেছে কিন্তু এখনও আমার মায়ের তাকালে মাঝে মাঝে মনে হয় কোনো এক মাঝি বুঝি তাঁকে জিজ্ঞেস করছে, কোথায় যাব গো মা? মনে হয় আমার মা এখনও উত্তর না দিয়ে চুপ করে বসে আছেন। মনে হয় ভাবছেন তিনি কোথায় যাবেন। একজন মায়ের পথ চলা বুঝি কখনোই শেষ হয় না। “জীবন যে রকম” তার সেই পথ চলার কিছু ছবি। কিছু গল্প। —মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বইটি সম্পর্কে বোঝার জন্য মুহম্মদ জাফর ইকবালের উক্ত কথাকটিই যথেষ্ট। ‘জীবন যে রকম’ একজন অসম সাহসী মায়ের জীবন সংগ্রামের গল্প। যে কারো পাঠ তালিকায় থাকার মতো একটি বই।

৩। মাআনিসুল হক 

 

মা - আনিসুল হক
BUY NOW

আজাদ ছিল তার মায়ের একমাত্র সন্তান। আজাদের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় বালক আজাদকে নিয়ে তার মা স্বামীর গৃহ-অর্থ-বিত্ত ত্যাগ করে আলাদা হয়ে যান। মা বড় কষ্ট করে ছেলেকে লেখাপড়া করান। আজাদ এমএ পাস করে। এই সময় দেশে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। আজাদের বন্ধুরা যােগ দেয় ঢাকার আরবান গেরিলা দলে। আজাদ মাকে বলে, আমিও যুদ্ধে যাব। মা তাকে অনুমতি দেন। ছেলে যুদ্ধে যায়। ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট একরাতে ঢাকার অনেক ক’টা মুক্তিযােদ্ধা-নিবাসে হামলা চালায় পাকিস্তানী সৈন্যরা, আরাে অনেকের সঙ্গে ধরা পড়ে রুমী, বদি, আলতাফ মাহমুদ, জুয়েল এবং আজাদ। আজাদের ওপর পাকিস্তানীরা প্রচণ্ড অত্যাচার চালিয়েও কথা বের করতে পারে না। তখন তার মাকে বলা হয়, ছেলে যদি সবার নাম-ধাম ইত্যাদি বলে দেয়, তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

আজাদের মা ছেলের সঙ্গে দেখা করেন এবং বলেন, শক্ত হয়ে থেকো, কারাে নাম বলে দিও না। আজাদ বলে, মা দুদিন ভাত খাই না, ভাত নিয়ে এসাে। মা পরের দিন ভাত নিয়ে হাজির হন বন্দিশিবিরে, কিন্তু ছেলের দেখা আর মেলে না। আর কোনােদিনও ছেলে তার ফিরে আসে নাই আর এই মা আর কোনােদিনও জীবনে ভাত খান নাই। যুদ্ধের ১৪ বছর পরে মা মারা যান, নিঃস্ব, রিক্তবেশে। মুক্তিযােদ্ধারা তাঁকে কবরে শায়িত করলে আকাশ থেকে ঝিরঝির করে ঝরতে থাকে বৃষ্টি। মুক্তিযােদ্ধাদের কাছে এই কাহিনীর সন্ধান পেয়ে আনিসুল হক বহুজনের সাক্ষাৎকার নিয়ে, বহু দলিল-দস্তাবেজ ঘেঁটে রচনা করেছেন অসামান্য এক উপন্যাস, জানাচ্ছেন এক অসমসাহসিকা মায়ের অবিশ্বাস্য কাহিনী। বইটির একশ’ তম সংস্করণই প্রমাণ করে দেয় বইটি আপনার পাঠ তালিকায় থাকার যোগ্য কিনা।

পড়ুন - একজন বিশ্বমানের মা আছেন 

৪। টু উইমেনআলবার্তো মোরাভিয়া  

 

টু উইমেন
BUY NOW

আলবার্তো মোরাভিয়ার সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘টু উইমেন’ এ রয়েছে এক মায়ের তার টিন-এজার মেয়েকে বাঁচানোর আপ্রান চেষ্টার এক অনবদ্য আখ্যান। সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধের বিভৎসতা থেকে মেয়েকে রক্ষা করতে গিয়ে ধর্ষিত হন মা। এক প্রচন্ড হৃদয়ক্ষরা উপন্যাস এই ‘টু উইমেন’। কিন্তু এত ত্যাগের পরও তিনি কি মেয়েকে পারেন রক্ষা করতে? জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে বইটি। ১৯৬০ সালে উপন্যাসটি থেকে নির্মিত হয় চলচ্চিত্র। সোফিয়া লরেন অভিনিত সেই চলচ্চিত্রটি অর্জন করে এ্যাকাডেমি এ্যাওয়ার্ডও। কিন্তু তারপরও পৃথিবীব্যাপী বইটি এখনো ব্যাপকভাবে পঠিত হয়।

। মাম্যাক্সিম গোর্কি 

 

মা - ম্যাক্সিম গোর্কি
BUY NOW

বিশ্বসাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস মা (১৯০৭)। এর রচয়িতা রুশ ঔপন্যাসিক ম্যাক্সিম গাের্কি (১৮৬৮-১৯৩৬)। অনেকের মতে মা উপন্যাসের মাধ্যমেই গত শতাব্দীর শুরুতে শিল্পসাহিত্যে সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদের সূত্রপাত ঘটে। মা গাের্কির সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য উপন্যাস। প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ঘরানার উপন্যাস হিসেবে তা পাঠকদের সপ্রশংস দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়। শুধু রাশিয়ায় নয়, সমগ্র বিশ্বের উপন্যাস পাঠকের কাছে অনুবাদের মাধ্যমে উপন্যাসটি ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। অনেকে মনে করেন, রুশ সাহিত্যের সমৃদ্ধ পটভূমি, সমকালীন বিশ্বপরিস্থিতি, রুশ সমাজের নানা টানাপড়েন এবং সাহিত্যের চিরায়ত হয়ে উঠবার কিছু উপাদান মা উপন্যাসে আছে বলেই তা বিশ্বজুড়ে শীর্ষস্পর্শী পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে।

৬। লিটল ওম্যানলুইসা মে এ্যালকট 

 

লিটল উইমেন - লুইসা মে এলকট
BUY NOW

ঊনবিংশ শতাব্দীর গৃহযুদ্ধ-বিধ্বস্ত আমেরিকার একটি সংস্কৃতিবান মধ্যবিত্ত পরিবারকে কেন্দ্র করে এ কাহিনির ভিত্তিভূমি রচিত হয়েছে। এ পরিবারের আবেগ-চঞ্চলা চারটি কিশােরী মেয়ের স্বপ্ন-কামনা, দুঃখ-বেদনা আর কল্যাণবােধে অনুরণিত এক জীবন-জিজ্ঞাসায় বিমূর্ত হয়ে উঠেছে এ কাহিনির প্রতিটি অধ্যায়ে। কিন্তু ব্যক্তি-চরিত্র হিসেবে তাদের স্বতন্ত্র মন আর স্বতন্ত্র আবেগ-অনুভূতির স্পর্শ সর্বত্র সুস্পষ্ট ছাপ রাখলেও একটি পথনির্দেশক আলােক-স্তম্ভকে অবলম্বন করেই তারা পাশাপাশি গড়ে উঠেছে এবং তাদের মধ্যে জীবন-চেতনা প্রশাখা বিস্তার করেছে। এর কেন্দ্র-চরিত্র হচ্ছে, তাদের মা—আর সেই সঙ্গে তাদের সহযাত্রী, বন্ধু ও দিশারী । পুরুষ চরিত্রগুলােও একই সঙ্গে স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। মােট কথা, সবদিক থেকে এটি একটি অনন্য জীবনকথা, মেয়েদের এবং মায়েদের। আমেরিকার নারী-সমাজে লিটল উইমেনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। আমাদের দেশে এ ধরনের আদর্শ পারিবারিক উপন্যাস নেই বললেই চলে। সকল শ্রেণির পাঠকের—বিশেষ করে মেয়েদের এবং মায়েদের অবশ্য-সংগ্রহযােগ্য বইয়ের মধ্যে এ বইটি নিঃসন্দেহে অগ্রগণ্য হবে বলে বিশ্বাস রাখা যায়।

৭। মাপার্ল এস বাক 

 

মা- পার্ল এস বাক
BUY NOW

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক পার্ল এস বাক-এর একটি কালজয়ী উপন্যাস ‘মা’। নাম শুনেই বোঝা যায়, উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন একজন মা। মায়ের একমাত্র কন্যা ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যায় এবং তার আকস্মিক মৃত্যু হয়। জমিদারের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া কমিউনিস্ট আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অপরাধে ছোট ছেলের মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয়। মা স্বচক্ষে তার সন্তানের মৃত্যুদণ্ড দেখেন। এমনই এক মর্মান্তিক গল্পের উপন্যাস ‘মা’। উপন্যাসটিতে একজন মায়ের সংগ্রামী জীবনের উত্থান-পতন, তীব্র দহন ও বেদনার গল্প হৃদয়ের গহীনে নাড়া দিয়ে যায়।

৮। লেটার টু এ চাইল্ড নেভার বর্নওরিয়ানা ফাল্লাচি 

 

লেটার টু এ চাইল্ড নেভার বর্ন
BUY NOW

ওরিয়ানা ফাল্লাচির একটি চমকপ্রদ বই ‘এ লেটার টু চাইল্ড নেভার বর্ন’। বইটি আসলে নিজের অনাগত সন্তানের প্রতি একজন মায়ের চিঠি। মাত্র পঞ্চান্ন পৃষ্ঠার বইটিতে উঠে এসেছে সন্তানকে ঘিরে মায়ের নানা উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার বিবরণ। এই বিপদসংকুল, নিষ্ঠুর পৃথিবীতে শিশুটিকে পৃথিবীতে আনা কি মায়ের উচিত হবে? এমন প্রশ্ন উচ্চারিত হয়েছে বারংবার। লেখিকা বলছেন – “যদি তুমি ছেলে হয়ে জন্মাও তবুও আমার কোন দুঃখ থাকবে না। তবে তোমার ঝামেলা তাতে অনেক কম হবে। অন্ধকার রাস্তায় ধর্ষিতা হবার ভয় থাকবে না। প্রয়োজন হবে না বুদ্ধিবৃত্তি ঢেকে মসৃণ শরীর বানানোর। নিজের পছন্দমতো কারো সাথে শুলে কোনো বাজে কথা শুনতে হবে না তোমার। মানুষ কখনোই বলবে না, যেদিন তুমি একটি নিষিদ্ধ ফল তুলে নিয়েছ সেদিন থেকেই তোমার মধ্যে পাপ ঢুকেছে। জীবন সংগ্রাম হয়তো অনেক সহজতর হবে। তুমি তখন প্রয়োজনীয় অবাধ্যতার জন্য অপমানের শিকার হবে না, ভালোবাসার ‘দায়’ হিসেবে গর্ভধারণের ভয় থাকবে না।” মা ও সন্তানের নিখাদ ভালোবাসার একটি বই, যা চোখে আঙ্গুল দিয়ে সমাজের দুর্বলতাগুলো দেখিয়ে দেয়।

৯। মাগ্রেজিয়া দেলেদ্দা

 

মা- গ্রেজিয়া দেলেদ্দা
BUY NOW

আজ পর্যন্ত বিশ্বের যে তিনজন মহিলা কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নােবেল পুরস্কার প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করেছেন, ইতালির গ্রেজিয়া দেলেদ্দা তাঁদের অন্যতম, বাকি দুজন হলেন নরওয়ের সালমা ল্যাগাবলফ আর আমেরিকার পার্ল এস বাক। La-Madre (The Mother— মা) উপন্যাসটি ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হওয়ার পূর্বপর্যন্ত তিনি একজন আঞ্চলিক সাহিত্য-সেবিকা “রূপে পরিচিত ও সমাদৃত ছিলেন। বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জনের উচ্চাভিলাষ তাঁর কোনোদিন ছিল বলে মনে হয় না। কিন্তু এই উপন্যাসে তাঁর চিন্তা-ধারার বলিষ্ঠতা, অকৃত্রিম ও অসাধারণ মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, সাধারণ মানুষের বিশেষ করে একজন মায়ের চরিত্র চিত্রণের উৎকর্ষ তাঁকে জগৎজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। ১৯২৬ সালে মূলত এই বইটির উৎকর্ষের বিচারেই তাঁকে নোবেল পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।

১০। মুক্তিযোদ্ধার মাআনোয়ারা সৈয়দ হক 

 

মুক্তিযোদ্ধার মা- আনোয়ারা সৈয়দ হক
BUY NOW

আনোয়ারা সৈয়দ হক-এর সাবলীল গদ্যে চমৎকার একটি বই ‘মুক্তিযোদ্ধার মা’। বইটি কয়েকটি অধ্যায়ে ভাগ করা। বইটির নামকরণ করা হয়েছে এর শেষ অধ্যায় অনুসারে। একজন মায়ের ত্যাগ-তিতিক্ষা, উদারতা আর সন্তানদের শিক্ষা দেয়ার গল্প আছে বইটিতে, আছে একজন সন্তানহারা মায়ের অশ্রু, যিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত মা। যে কোনো বয়সের পাঠক অনায়াসে লুফে নিতে পারে এই বইটি।

আরও পড়ুন- রবির মা: বিশ্বকবির মায়ের জানা-অজানা গল্প জানায় যে বইটি

মা কেন্দ্রিক সকল বই দেখুন 

 

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading