নির্মল আনন্দের খোরাক ‘নির্বাচিত ১০০০ মীরাক্কেল জোকস্’

2021-10-28 বই রিভিউ নির্বাচিত ১০০০ মীরাক্কেল জোকস্ 1

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলার একটি জনপ্রিয় রিয়েলিটি অনুষ্ঠান মীরাক্কেল। কৌতুকাশ্রয়ী এ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মীর আফসার আলী। যাকে সবাই মীর নামেই চেনে। ২০০৬ সাল থেকে এ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়ে আসছে। ভারত, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের বাংলাভাষী মানুষের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হিসেবে স্থান করে নিয়েছে দর্শকদের মধ্যে। এ রিয়েলিটি অনুষ্ঠানটির তিনজন বিচারক হলেন- রজতাভ দত্ত, শ্রীলেখা মিত্র এবং পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

সব বয়সী মানুষের কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কৌতুকগুলো উপস্থাপন করা হয়। এখানে যারা কৌতুক উপস্থাপন করেন তারা ভারত বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এ পর্যন্ত বাংলাদেশের অনেক প্রতিযোগী এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েছে। দুই দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজার হাজার কৌতুক সংগ্রহ করে এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।

কৌতুক হচ্ছে রসবোধে পূর্ণ বর্ণনামূলক অভিব্যক্তি যেখানে নির্দিষ্ট এবং বিশেষায়িত ভংগিমায় শব্দগুলো উপস্থাপিত হয় যার ফলে মানুষ হাসে। এটি সংলাপ দিয়ে শুরু হয়ে গল্পের রূপ নেয়, পাঞ্চ লাইনে শেষ হয়। আর এই পাঞ্চ লাইন শুনেই শ্রোতা বুঝতে পারে যে উপস্থাপিত কথাগুলোর দ্বিতীয় কোন অর্থ আছে। এটা মূলত করা হয়ে থাকে শ্লেষালঙ্কার অথবা অন্যান্য শব্দ খেলা যেমন বিদ্রুপ ব্যবহার করে। ব্যঙ্গ আরেক ধরনের রসিকতা যার উদ্দেশ্য অবমাননাকরা।

ভাষাবিদ রবার্ট হেটজরন যে সংজ্ঞাটি প্রস্তাব করেছেনঃ ‘‘একটি কৌতুক হলো ক্ষুদ্র আকারের মৌখিক সাহিত্যের রসাত্মক অংশ যেখানে শেষ বাক্যে হাস্যকর পরিনিতি পায় যাকে বলে পাঞ্চলাইন। আসলে প্রকৃত শর্ত হলো, কৌতুকের রসবোধটা শেষে যেন চরমে পৌছে। এ চরম হাস্যবোধ মিলিয়ে যায় এমন কিছু যোগ করা যাবে না। যদিও একে ‘মৌখিক’ বলা হয়েছে তথাপি কৌতুক ছাপানো হতে পারে, উত্তরোত্তর রূপান্তর হতে থাকলে, আক্ষরিক ভাবে পুনরূৎপাদনে কোন বাধ্যবাধকতা নেই যেরকমটা কবিতার ক্ষেত্রে হয়’’।

একটি ভাল কৌতুক হলো স্বল্পপরিসরে প্রকাশিত কতগুলো দৃশ্য যা শেষ মুহূর্তে হাসার জন্য যথেষ্ট। তবে ধাঁধাঁ কৌতুকের ক্ষেত্রে ভাবধারা পরোক্ষভাবে বুঝা যায়। রুক্ষ কুকুরের গল্পটি এর নিজস্ব মানে আছে অকৌতুক হিসেবে, যদিও বা একে কৌতুক বলে উপস্থাপন করা হয়। এতে বিস্তরভাবে সময়, স্থান, এবং চরিত্রের বর্ণনা থাকে, আরও অহেতুক গড়গড়ে বর্ণনা থাকে যা পরিশেষে পাঞ্চলাইন প্রদান করতে ব্যর্থ হয়। কৌতুক একধরনের রসবোধ সাহিত্য কিন্তু সব রসবোধ সাহিত্যই কৌতুক নয়। কিছু রসবোধ সাহিত্য গঠিত হয় যা মৌখিক কৌতুক নয় যেমনঃ অনৈচ্ছিক রসবোধ, অবস্থাগত রসবোধ, দৈনন্দিন কৌতুক, ধুমধারাক্কা এবং চুটকি। ডাচ ভাষাবিদ আন্দ্রে জুলির মতে সাধারন মৌখিক কৌতুকগুলি সময়ের সাথে বেনামে বয়ে চলে। এগুলো ব্যক্তিগত এবং জনসমাগমে বলা হয়ে থাকে, একজন তার বন্ধুকে কথোপকথনের মধ্যেই সাবলীলভাবে কৌতুক বলে থাকে।

অথবা অনেকগুলো মানুষ জড়ো হয়ে বিনোদনের উদ্দ্যেশ্যে সেখানে একগাদা কৌতুক উপস্থাপন হয়ে থাকে। কৌতুক সময়ের সাথে লিখিতরূপেও বয়ে চলে, অতি সম্প্রতি, ইন্টারনেটের মাধ্যমে। মঞ্চ-কৌতুক, কৌতুক অভিনেতা এবং কৌতুকের গতিময়তা কাজ করে উপস্থাপনে কৌতুক বলার সঠিক সময়, সূক্ষতা এবং ছন্দের উপর; শারীরিক অঙ্গসঞ্চালন হাসানোর জন্য ততটাই দরকার যতটা দরকার হয় পাঞ্চলাইনের।

একটি বিখ্যাত উক্তি আছে, ‘একটি কৌতুক হাস্যকর কথা বলে, আর কৌতুক-অভিনেতা বস্তুকে হাস্যকর করে তোলে’’

ভাষাগত কাঠামোর উপর ভিত্তি করে কৌতুক গল্পের আকারেও বলা হয়ে থাকে। যে কৌতুক বলে সে এটাকে সাহিত্যিক কৌতুক থেকে আলাদা করে মুখস্থ অনুযাযী ও দর্শকভেদে নিজের ইচ্ছে মত বলতে পারে। পাঞ্চলাইন দর্শকদের মুলত হাসানোর উদ্দেশ্যে তৈরি। রসবোধ ঠিক তখনি উপচে পড়ে যখন দর্শকরা এতক্ষন ধরে বিবৃত ঘটনার বিপরীত অর্থ ঊদ্ধার করে আসল ঘটনা বুঝতে পারে।

১০০০ মীরাক্কেল জোক্স
BUY NOW

হাসি হলো কৌতুকভিনেতার আশাকৃত প্রতিউত্তর। যে কৌতুক বলে সে আশা করে যে দর্শকবৃন্দ কৌতুক বুঝতে পেরেছে এবং তৃপ্তি পেয়েছে। কিন্তু যদি শ্রোতারা কৌতুক না বুঝতে পারে যদিও বা প্রয়োজনীয় দুটি স্ক্রিপ্ট সেখানে থাকে যা বুঝানোর চেষ্টা করে অথবা তারা বুঝতে পারে কিন্তু হাসেনা; তাহলে পরিস্থিতি বেখাপ্পা, অমার্জিত হয়। একটি মেয়ে, মহিলা বাথরুমে একটি কৌতুক শুনে যেভাবে প্রতিউত্তর দিবে, সেই একই কৌতুক অফিসে সহকর্মীর মুখে শুনে অন্যভাবে প্রতিউত্তর দিবে।

বক্তা কৌতুকের প্রাথমিক বর্ণনা দর্শকভেদে কিছুটা পরিবর্তন করে থাকে,তবে পাঞ্চলাইনে গিয়ে একইরূপ রসবোধ উপচে পড়ে। তবে একই পাঞ্চলাইন আনতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পুনর্মিলণী তে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয় এবং কারও দাদুর কাছ শোনা শব্দগুলো একই হবেনা।

আজকের যুগে অনেক ছাপা কৌতুকের বই পাওয়া যায়, ইন্টারনেটে একটি ‘সার্চ’ সম্পন্ন করলেই শিরোনামের আধিক্যে পাতা ভরে যায়। এগুলো নির্জনে হাসার জন্য পড়া যায় অথবা নিজের সংগ্রহে রেখে বন্ধুদের আনন্দ দেয়া যায়। কিছু মানুষ কৌতুকের মাঝে গভীর অর্থ খোঁজার চেষ্টা করে। বিভিন্ন ধরনের ‘ম্যাগাজিন’ প্রায়ই কৌতুক এবং কার্টুন ব্যবহার করে থাকে। রিডার্স ডাইজেস্ট প্রতিটি লেখা শেষ করার আগে একটি কৌতুক(অপ্রাঙ্গিক)দিয়ে শেষ করে। ‘The New Yorker’ প্রথম ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় যখন তারা তাদের উদ্দেশ্য বলেছিল ‘বাস্তবিকসম্পন্ন কৌতুক ম্যাগাজিন’ পত্রিকা হিসেবে যা আজও এটার কার্টুন এর জন্য পরিচিত।

অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই তাদের সাধ্যের মধ্যে কৌতুক নিয়ে গবেষণার দাবি করে থাকে। সৌভাগ্যক্রমে, এমন অনেক কৌতুক আছে ভাল, মন্দ, খারাপ যা চারপাশে ছড়িয়ে থাকে। সিগমুন্ড ফ্রয়েড হলো আধুনিক প-িতদের মধ্যে একজন যে কৌতুককে গবেষণা করার মত বিষয় বলে গুরুত্ব দিয়েছেন। ১৯০৫ সালে তার লিখিত ‘Jokes and their Relation to the Unconscious’ তে রসবোধের সামাজিক প্রকৃতি বর্ণনা করেন এবং ভিনেস কৌতুকের অনেক উদাহরণ দিয়েছেন। এক্ষেত্রে তার করা কাজ মূল্যবান, কেননা তিনিই প্রথম তার লেখাতে কৌতুক, রসবোধ এবং কমিকের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।

১৮৭২ সালে প্রথম দিককার একজন হিসেবে, চার্লস ডারউইন ‘শ্বাস-প্রশ্বাস, কন্ঠস্বর, মুখভঙ্গি, অঙ্গভঙ্গি ইত্যাদি সাপেক্ষে হাসির বোধগম্য ও অনেকদিক দিয়েই নির্ভুল বর্ণনা প্রকাশ করেন’। ডারউইন তার শুরুর দিকের গবেষণায় প্রশ্ন তুলছেন, কে হাসে এবং কেন হাসে; এর উপর অসংখ্য উত্তর একে আরও জটিল করে তুলেছে। মানুষ এবং একই শ্রেণীভুক্ত অন্যান্য প্রাণীর হাসি বোঝার জন্য, বৈজ্ঞানিক হাসিবিদ্যা (Gelotology) প্রতিষ্ঠিত হয়; মানসিক এবং শারীরিক উভয় বিবেচনায়, এটা হচ্ছে হাসি এবং দেহের উপর হাসির প্রভাব নিয়ে শিক্ষা। হাসির ছয়টি কারণ তালিকাভুক্ত করা হয়েছেঃ সামাজিক প্রসঙ্গ, অবহেলা, উদ্বিগ্নতা, উপহাস, ক্ষমাপ্রার্থনার অভিনয় এবং সুড়সুড়ি।

এই দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে এ কথা বোঝানো হলো যে হাসি আমাদের জন্য কতো জরুরি। কেবল মাত্র মীরাক্কেল জোকসই না আরো নানা ধরনের জোকস রয়েছে যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি ও অবসাদ মিটিয়ে আনন্দ দিতে পারে। মীরাক্কেল টিভি শো আসলে এসব কারণেই এতো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। টিভি শো যারা সব সময় দেখতে পারে না তাদের জন্য এ কৌতুকগুলো লিখিত আকারে সংগ্রহ করা হয়েছে বইটিতে। এতে মীরাক্কেলের অসংখ্য অনুষ্ঠানের মধ্য থেকে বাছাই করে ১০০০ জোকস্ নির্বাচন করেছেন মেরিনা আখতার মজুমদার। এর প্রতিটি জোকস্ই হাস্যরসে ভরপুর। আসুন কয়েকটি জোকস পড়ি-

**
এক বাচ্চা গেছে দোকানে ক্যালেন্ডার কিনতে-
: এই ডেক্স-ক্যালেন্ডারটা নিতো পারো, তোমার পড়ার টেবিলে রাখতে পারবে।
: না এটা নেব না।
: তাহলে কোনটা দেব?
: যেটাতে ছুটির দিন বেশি, সেই ক্যালেন্ডারটা দিন!

**

তুমি কি অপরাধ করে জেলে এসেছ?
: না হুজুর। আমি কোন অপরাধই করিনি। আমি সরকারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছিলাম। সরকার হেরে গিয়ে রাগ মিটিয়েছে।
: কীসের প্রতিযোগীতায় নেমেছিলে?
: হুজুর, নোট ছাপাতাম। সরকার পঁপচ হাজার টাকার বান্ডল পাঁচশ টাকায় দিত। আমি দিতাম একশ টাকায়। মার্কেট খারপ দেখে সরকার আমাকে জেলে ঢুকালো।

**

এক লােক গাড়ি কিনতে শােরুমে গেছে। তার কাছে আছে তেরাে লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮ টাকা। কিন্তু গাড়ির দাম চৌদ্দ লাখ টাকা, অর্থাৎ দুই টাকা কম। কিন্তু দোকানি সেটা বুঝতে চাইছে না। | দোকানের সেলসম্যান বলল, আপনি দুই টাকা নিয়ে এসে গাড়ি নিয়ে যান।

লােকটি শােরুমের বাইরে গিয়ে দেখে একজন ভিক্ষুক ভিক্ষা করছে। তার কাছে গিয়ে বলল, “আপনি আমাকে দুই টাকা দিতে পারবেন? একটা গাড়ি কিনব।

ভিক্ষুক : এই নেন চার টাকা। আমার জন্যও একটি গাড়ি কেনেন। ভিক্ষা করতে আর ভালাে লাগে না!

**

এক তেলাপােকা আরেক তেলাপােকাকে বলছে, গতকাল আমি রাস্তার ওপারে নতুন রেস্টুরেন্টটায় গিয়েছিলাম। ওটা খুবই পরিষ্কার! মেজে চকচক করছে। রান্নাঘরটা একেবারে ঝকঝকে। খুবই পরিচ্ছন্ন স্থান ওটা। | অন্য তেলাপােকা বিরক্তিভরে বলল, ‘খাওয়ার সময় ওসব বর্ণনা দিয়াে না, প্লিজ। বমি লাগছে!

**

স্বামী : দেখাে, ছেলে-পুলেরা বড় হচ্ছে। এখন আমাদের উচিত নিজেদের মধ্যে একদম ঝগড়া-বিবাদ না করা।

গিন্নি : আমিও তাে সেটাই বলতে চাই। কাল থেকে আমার সব কথা মেনে চললেই দেখবে বিন্দুমাত্র বাদ-প্রতিবাদ থাকবে না!

**

নিশ্চিত মনে ঘুমাচ্ছিলেন বার-এর মালিক। গভীর রাতে হঠাৎ টেলিফোন বেজে উঠল, ‘হ্যালাে, আপনি কি প্রিন্সেস বার-এর মালিক?

-আজ্ঞে হঁ্যা, কেন? ঘুম জড়িত কণ্ঠে জবাব দিল বার মালিক। ‘আপনার দোকান খােলা হবে কখন?

-সকাল দশটায়। টেলিফোন রেখে দিলেন বার মালিক। একটু পরে আবার টেলিফোন এল এবং একই প্রশ্ন করল। বার-মালিক একই জবার দিয়ে ফোন রেখে দিল। কিছুক্ষণ পর আবার ফোন এল। এবার বার-এর মালিক ক্ষেপে গেলেন। আপনাকে না কতবার বলেছি সকাল দশটায় দোকান খুলবে। এখন দয়া করে একটু ঘুমাতে দেবেন কি এবং নিজেও ঘুমাবেন কি? | -আহা সেই জন্যই তাে বলছি। ও প্রান্ত থেকে আকুতি শােনা গেল, বাড়ি যেতে পারছি না তাে। আমাকে ভেতরে রেখেই আপনি দোকান বন্ধ করে চলে গেছেন…!

**

মধ্যপ্রাচ্যে নাসিরউদ্দিন হােজ্জার বেশ নাম-ডাক ছিল। একবার তিনি তুরস্কের সুলতানের দরবারে এলেন। সুলতান বেশ সমাদর করে হােজ্জাকে বসিয়ে বললেন, ‘আপনার জন্য আমি কী করতে পারি?

হােজ্জা বললেন, হুজুর একটা ফরমান জারি করতে হবে। যারা স্ত্রীকে ভয় পান, তারা প্রত্যেকে যেন রাজদরবারে একটা করে ডিম জমা দেন।

সুলতান ফরমান জারি করলেন। রাজ দরবারে ডিম এসে ভরে যেতে লাগল। মাস ছয়েক পরে হােজ্জা একদিন সুলতানের সঙ্গে দেখা করে বললেন, ‘হুজুর, আপনার জন্য খুব ভালাে একটা খবর এনেছি। খবরটা ভরা-দরবারেই বলছি। ইরান দেশে অদ্ভুত সুন্দর চক্ষু মৃগের মতাে, চুল আকাশের মেঘকে হার মানায়- এমনি এক সুন্দরী রমণীর সন্ধান পাওয়া গেছে।

সুলতানের সিংহাসন থেকে বেশ খানিকটা দূরে বেগম সাহেবা বসেছিলেন। সুলতান বললেন, ‘আস্তে বলাে, আমার মহিষী শুনতে পাবেন। কিন্তু হােজ্জার গলা আরাে উপরে উঠল সেই মেয়েটির রূপ বর্ণনায়। সুলতান আবার বললেন, ‘হােজ্জা, নিচু গলায় বলাে, আমার বেগম শুনতে পাবেন।

এবার হােজ্জা নিচু গলায় বলল, হুজুর, রাজকোষের প্রাপ্য একটা ডিম দিন, তা হলেই আস্তে বলব!

এমন রসালো, বুদ্ধিদীপ্ত প্রায় ১০০০ মীরাক্কেলিয় জোকস পেয়ে যাচ্ছেন মেরিনা মজুমদার সম্পাদিত এই বইটিতে, যেগুলো বোরিং মুহূর্তকে নিঃসন্দেহে করে তুলবে আনন্দের।

মেরিনা আক্তার মজুমদারের অন্য বইগুলো দেখুন 

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading