৫০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি কতটুকু আগালো?

সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়নের বই
50years of economy

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার শপথকে বুকে আঁকড়ে ধরে ১৯৭১ সালে অর্থনৈতিক শোষণের নাগপাশ ছিন্ন করে চিরস্থায়ী মুক্তির এক আলোকযাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ২০২১ সালে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের অর্থনীতিও সুবর্ণ জয়ন্তীতে পদার্পন করতে যাচ্ছে।

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশের অবস্থান আজ ঠিক কোথায়, এই মূল্যায়ন তৈরির একান্তই দরকার। বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমাদের অতীতের ৫০ বছরের অর্জন ও ব্যর্থতা গুলোর সুনিপুণ পর্যালোচনা করা সময়ের দাবী। আমাদের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ, সরকার গুলোর সাফল্য ও ব্যর্থতার বিচার বিশ্লেষণ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানান সব অর্জনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমে নতুন পথপরিক্রমার সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করাই সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রধানতম উপলভদ্ধি হওয়া চাই।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবার স্বপ্নকে ধারণ করে বিগত একদশক পথ চলেছে বাংলাদেশ, সেই সাথে একটি মর্যাদা সম্পন্ন জাতি হিসেবে নিজেকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করার অঙ্গীকার করেছে। একসময়ে দারিদ্র্য ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের এমন মর্যাদা নিশ্চয়ই একটা মহিমান্বিত বিষয়।

পাশাপাশি আগামী দিনের হীরক জয়ন্তী (৬০), প্লাটিনাম জয়ন্তী (৭৫) কিংবা শতবর্ষ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ অর্থনীতি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য গুলো ঠিক কি কি, তার আলোচনা এখনই শুরু হয়ে যাওয়া ভালো। অর্থনৈতিক, মানবাধিকার, গণতন্ত্র,  দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা ও বাকস্বাধীনতায় আগামীর দিনে আমাদের গন্তব্য কোথায় হবে, তা নিয়ে সমাজের সকল স্তরের বুঝাপড়া জরুরি বিষয়। তার জন্য চাই, দেশের নাগরিক সমাজ, প্রতিষ্ঠান, বুদ্ধিজীবী, রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের মধ্যে অতীত অর্থনীতির সাফল্য ও ব্যর্থতার ধারা গুলোকে উপ্লভদ্ধি করা, যার মধ্যমে নতুন বুঝাপড়া গুলো তৈরি হবে। এই বুঝাপড়ার ভিত্তিতেই তৈরি হবে রাষ্ট্রীয় অর্জনের নতুন নতুন অন্তর্ভুক্তিমূলক রুপকল্প, লক্ষ্য ও অভিলক্ষ্য।

‘বাংলাদেশ: অর্থনীতির ৫০ বছর’ স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী স্মারক গ্রন্থ। এখানে অর্থনীতি শাস্ত্রের বিদ্যায়তনিক (একাডেমিক) ও তাত্ত্বিক বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। বরং এটা বাংলাদেশের বিগত ৫০ বছরের চলমান অর্থনীতির চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য আলোচনার একটা সহজ ধারা বিবরণী। সাধারণ পাঠকের বোধগম্য করতে শ্রেণীকক্ষে পঠিত জটিল অর্থনৈতিক বিষয়কে আলোচনা থেকে দূরে রাখা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেসব প্রায়োগিক আর্থ-সামাজিক সূচক দিয়ে অর্থনীতির অবস্থা বা দেশের আর্থিক খাতের স্বাস্থ্যকে বুঝার চেষ্টা করা হয় এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূচকের আলোচনা আনা হয়েছে। একেবারে শেষে গিয়ে সামান্য কিছু তাত্ত্বিক আলোচনা করা হয়েছে।

পুস্তকের আলোচনাকে চারটি অধ্যায়ে বিভিক্ত করা হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে দেখানো হয়েছে যে, বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিরই একটা বড় চরিত্রগত বাঁক তৈরির সময়ে, একটা বৈশ্বিক ক্রান্তিকালে। শীতল যুদ্ধকালীন বিশ্ব অর্থনিতির আচরণগত যে বৈশিষ্ট্য গুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে প্রভাবিত করেছে তার একটা ছোট বিবরণ এখানে দেয়া হয়েছে। এরপর বাংলাদেশের ৫০ বছরের শাসনকালকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করে আলোচনা শুরু করা হয়েছে। পুস্তকের কলেবর ছোট রাখতে কোন অধ্যায়েই ভূমিকা ও সামগ্রিক প্রেক্ষাপটের বিশদ আলোচনায় যাওয়া হয়নি। অর্থনৈতিক ধারার বিচারে সমজাতীয় শাসনকাল বা সরকার গুলোকে একই ভাগে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ: অর্থনীতির ৫০ বছর
বাংলাদেশ অর্থনীতির ৫০ বছর

BUY NOW

 উল্লখযোগ্য কিছু অর্জন ও ব্যার্থতা আলোচনার পাশাপাশি এই সময়ের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত কিভাবে বর্তমানকেও প্রভাবিত করছে তার সীমিত কিছু বর্ণনা দেয়া আছে। এই অধ্যায়ের শেষে আমরা বাংলাদেশের ৫০ বছরের দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির একটা সার-সংক্ষেপ দেখানো আছে, এখানে বিশ্ব ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ গুলোর সাথে বাংলদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনামূলক একটা চিত্র দেখনো হয়েছে খুব সংক্ষেপে। উন্নয়ন অর্থনীতির ধারাবিবরণী উপস্থাপনে পুস্তকে জিডিপি কেন্দ্রিক বিশ্লেষণ প্রাধান্য পেয়েছে ঠিক, তবে জিডিপি’র সাথে অপরাপর কিছু সূচকের সামঞ্জস্যহীনতাকেও প্রশ্ন করা হয়েছে।

অধ্যায় দুইয়ে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির প্রধান প্রধান খাত গুলো অতি সংক্ষেপে তুলে আনা হয়েছে। এরপর  বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থাকে (পারফর্মেন্স) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আর্থসামাজিক সূচকের মাধ্যমে উপস্থাপনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে লেখকের সম্পাদকমণ্ডলীর ব্যক্তিগত বিবেচনায় না দেখে একটা বহুপাক্ষিক বিবেচনায় দেখার প্রয়াস নেয়া হয়েছে। এখানে প্রাসঙ্গিক ভাবে দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি অর্থনীতিবিদগনের বক্তব্য, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার তথ্য উপাত্ত ও অর্থনৈতিক প্রতিবেদন থেকে উদ্ধৃতি নিয়ে সেগুলোকে পরস্পর সংযুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেট এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে দারিদ্র্য বিমোচন একটি প্রধানতম টাস্কফোর্স বলে এই বিষয়কে অতি সীমিত পরিসরে আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক মনে করেছি। দারিদ্র্য বিমোচন স্বধীনতা উত্তর বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য এবং আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত কার্যক্রম। বাংলাদেশের বেসরকারি দারিদ্র্য বিমোচন মডেল বিশ্বে প্রশংসিত। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও করোনা মহামারীর প্রক্ষাপটে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের চলমান সরকারি ও বেসরকারি কৌশলের নতুন চ্যালেঞ্জ গুলোকে এই অধ্যায়ে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে আলোচনায় আনা হয়েছে। অধ্যায় তিনে দারিদ্র্য  বিমোচনে নতুন কৌশলের দরকার কেন তার উপ্লভদ্ধি তৈরির সামান্য একটা চেষ্টা করা হয়েছে।

অধ্যায় চার আলোচ্য পুস্তকের বিশদ পরিসর জুড়ে আছে। এখানে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি যে, ২০১৩-১৪ সালের পূর্বের অর্থনীতির চেয়ে বৈশিষ্ট্যগতভাবে কিছুটা ভিন্ন তা আলোচনা করা হয়েছে। এখানে রাজস্ব আয়, আমদানি রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও ভোক্তা বাজার, প্রবাসী আয়, খেলাপি ঋণ , সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ট্রেন্ড গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, বিশ্ব ব্যাংকের তথ্য ও উপাত্ত সহকারে পর্যবেক্ষণ গুলো  তুলে ধরা হয়েছে অধ্যায়ের শুরুর দিকে। পরের অংশে মূলত তিনটি মৌলিক প্রশ্ন এবং একটি সম্পুরক প্রশ্নের উত্তরকে সামনে রেখে আলোচনা এগিয়ে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের ভিত্তি তৈরি করতে সীমিত পরসরে প্রাসঙ্গিক তাত্ত্বিক আলোচনাকে আনা হয়েছে।

ক। সুবর্ণ জয়ন্তীতে এসে অর্থনীতির সম্ভাব্য অবস্থান কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তরের পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করতে আমরা আধুনিকায়নের তত্ত্ব বা রস্ট থিউরি নিয়ে আলোচনা করে পরে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি। আলোচনা যাতে একদিকদর্শী (বায়াসড) হয়ে না যায় সেজন্য আমরা উন্নয়ন আধুনিকায়ন তত্ত্বের সমালচনা গুলোকে সংক্ষেপে আলোচনায় এনেছি। প্রসঙ্গক্রমে ঠিক এখানেই আমরা স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের উন্নয়ন দর্শন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতির দর্শনের ক্ষত গুলো নিয়ে কিছুটা বিস্তারিত আলোকপাত করেছি।

খ। গণতন্ত্রতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অবনমন কালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে ভঙ্গুরতার লক্ষণ আছে কি? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আমরা অধ্যাপক ডগলাস নর্থের লিমিটেড এক্সেস থিউরির আলোচনা এনেছি।

গ। অর্থনীতিতে মন্দার কোন সম্ভাবনা আছে কি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা প্রফেসর হাইম্যান মিনিস্কির মডেল  আলোচনা করে উত্তরের পথ খুঁজেছি!

ঘ। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ব্যাখ্যা করা কঠিন কেন? অর্থাৎ কেইনসীয় প্রগতিশীল উদারনীতিবাদ কিংবা নয়া উদারনীতিবাদ  উভয়ের কোনটারই নূন্যতম তাত্ত্বিক ‘উপযোগ’ প্রাপ্তির দিক থেকে সহজে আমাদের অর্থনীতিকে ব্যাখ্যা করা কঠিন কেন? এই সম্পূরক বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।

পাঠ প্রতিক্রিয়া 

‘বাংলাদেশ অর্থনীতির ৫০ বছর’ বইটি সম্পর্কে এসেছে বিদগ্ধজনদের মতামত। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়ন স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রিয়াজ বলেন,

 “বাংলাদেশের অর্থনীতি বিষয়ক আলোচনায় ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এর বই নতুন মাত্রা যোগ করবে। অনুপুঙ্খ, তথ্য সমৃদ্ধ, বিশ্লেষনী এবং সহজবোধ্য এই বই পাঠকদের কেবল প্রচলিত ব্যাখ্যার বাইরে চিন্তা করতেই সাহায্য করবে তা নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা তৈরিতে উৎসাহীদের জন্যেও সহায়ক হবে।”

আরও কিছু পাঠ প্রতিক্রিয়া দেখে নিই-

“বাংলাদেশ, অর্থনীতির ৫০ বছর’  বইয়ে বহু তথ্য-উপাত্তের সমাহার সত্ত্বেও প্রতিটি অধ্যায়ের আলোচনা সাধারণ পাঠকের জন্য সহজবোধ্য ও সাবলীল হয়ে উপস্থাপিত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে অনেক কঠিন কাজ। বইটির শেষ অধ্যায়ে অর্থশাস্ত্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বের আলোকে পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান বোঝার এবং সংক্ষেপে তত্ত্বগুলোর সীমাবদ্ধতা আলোচনার প্রয়াস লক্ষণীয়।  অগণিত নিত্য-নতুন তত্ত্বের তুলনায় এ প্রয়াস সংক্ষিপ্ত ও স্বল্প হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যায় প্রাসঙ্গিক। এক্ষেত্রে লেখকের প্রয়াস প্রশংসনীয়। পুরো বইটির পরতে-পরতে লুকিয়ে আছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি গণতান্ত্রিক নাগরিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা। লেখক অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণের আলোকে পঞ্চাশ বছরের অর্থনীতিকে সাধারণের কাছে সুখপাঠ্য করে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন।”

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অর্থনীতিবিদ। অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

“নিও-লিবারেলিজমের পক্ষ-বিপক্ষের গতানুগতি আলোচনার বাইরে এসে উন্নয়ন দর্শনের যে চমৎকার বয়ান উপস্থাপন করেছেন লেখক, তা পাঠক আবেদন তৈরি করবে।”

-ড. মারুফ মল্লিক। গবেষক ও কলামিস্ট, সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

‘বিগত ৫০ বছরের অর্থনৈতিক উত্থান-পতনের বস্তুনিষ্ঠ, সাহসী ও সময়পোযোগী বিবরণ।

-ড. গোলাম রব্বানী, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, দ্য হেগ ইউনিভার্সিটি অব এপ্লায়েড সায়েন্সেস নেদারল্যান্ডস।

“স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশের অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র তুলে আনার এক অনন্য প্রয়াস “বাংলাদেশ অর্থনীতির ৫০ বছর’ গ্রন্থটি। একটি চমৎকার রেফারেন্স গ্রন্থ।”

-সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষক, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। প্রাক্তন গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব অ্যামস্টারডম ও বস্টন ইউনিভার্সিটি।

সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির অতীতের মূল্যায়ন ও পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে মানুষের মাঝে রাষ্ট্র ভাবনার নতুন চিন্তার বিকাশ ও প্রকাশ ঘটে, মানুষের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী সাম্যচিন্তা প্রবল হয়ে ওঠে। নতুন আশা ও স্বপ্ন নিয়েই উদযাপিত হয় এক একটি জয়ন্তী উৎসব। ঠিক এমন একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই ‘বাংলাদেশ অর্থনীতির ৫০ বছর’ পুস্তক প্রকাশের আয়োজন।

আরও পড়ুন- ব্যবসা শুরুর আগে উদ্যোক্তাদের অবশ্যপাঠ্য ৭ টি বই

 ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের অন্যান্য বই দেখুন 

 

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading