বিশ্বনবীর জীবনাদর্শ জানতে কোন বইগুলো পড়বেন?

বিশ্বনবীর জীবনাদর্শ

মানবসমাজের সমস্যাগুলোর সমাধানে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ (সা) এর পন্থাগুলোকেই সর্বোৎকৃষ্ট বলে মনে করতেন কিংবদন্তি নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ’। তাই তো তিনি এই মহা মানবকে সমগ্র মানবতার ত্রাণকর্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রাণিত নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে এসেছেন কত শত মানুষ তার হিসাব নেই। আস্তিক কিংবা নাস্তিক, ধার্মিক কিংবা অধার্মিক, হিন্দু আর মুসলিম, শিখ আর জৈন, ধর্ম-বর্ণ, জাত-পাত নির্বিশেষে সকল মানুষ তাঁকে ভালোবাসে। এ ভালোবাসা কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, এ ভালোবাসা কেবল তাঁর নবী হবার জন্য নয়, বরং মানুষ হিসেবে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব, সত্য ও ন্যায়ে অবিচল আদর্শ, সদা কল্যাণকামী চেতনা, মানবতা আর মহানুভবতার অনুপম চারিত্রিক গুণ তাঁকে মানুষের হৃদয়ে অমর করেছে।

হযরত মুহাম্মদ (সা) এমন একজন মহামানব, যিনি ধার্মিকদের নিকট অনুসরণীয়, অনুকরণীয় এবং জীবন ধারণের দিকনির্দেশনা দানকারী। অধার্মিকরা আবার ব্যক্তি মুহাম্মদ (সা) এর সম্পর্কেই জানতে আগ্রহী, তার ঘটনাবহুল জীবন থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নিতে আগ্রহী। একদিকে যেমন সকল প্রকার যুদ্ধ-বিগ্রহ থেকে সরে এসে সত্যাগ্রহ আন্দোলন করা মহাত্মা গান্ধী মহানবী (সা) এর জীবন থেকে চাকচিক্যহীন সরল জীবন যাপনের অনুপ্রেরণা খুঁজে নেন, অন্যদিকে নেপোলিয়নের মতো বিশ্বজয়ী যোদ্ধা বদর যুদ্ধে নবীজির (সা) অসীম সাহসিকতার ইতিহাস পড়ে মুগ্ধ হন, তা থেকে সমর কৌশল আর যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্বের শিক্ষা নেন। এটিই হলো বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর অনুপম বিশেষত্ব। তাঁর জীবনাচরণ থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন সকলের।

মহানবী (সা) এর জ্ঞানের পরিসর এতটাই বিস্তৃত আর তাঁর জীবন এতটাই ঘটনাবহুল ও বৈচিত্র্যময় যে সেই সম্পর্কে জানতে কেবল ধর্মগ্রন্থের উপর নির্ভর করা চলবে না, পড়তে হবে অন্যান্য বইও। মহামানবের জীবনের খুঁটিনাটি দিক সম্পর্কে জানতে, তাঁর চরিত্র ও ব্যক্তি জীবন আরো ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করবে, এরকম পাঁচটি বইয়ের সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

BUY NOW

. বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ. হিশাম আল আওয়াদি

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা)-কে অনুকরণ করে আদর্শিক জীবন গড়ার স্বপ্ন তো কম-বেশি সবারই থাকে। কিন্তু সেই স্বপ্ন সফল করতে পারে না অধিকাংশই। আর এর কারণ মূলত শিক্ষাজীবনে রাসূল (সা) এর অনমনীয় উপস্থাপন। বিশ্বনবী (সা) একজন মানুষ যতটা নিখুঁত হতে পারে ঠিক ততটাই ছিলেন। তথাপি আমরা যেসব বই পড়ে বড় হই, যেসব বই পড়ে তার সম্বন্ধে জানতে পাই, সেসবে তাঁকে উপস্থাপনের ধরন গৎবাঁধা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাসুলের (সা) জীবন এমনভাবে বর্ণনা করা হয়, যা পড়ে পাঠকের মনে কেবলই শ্রদ্ধা ও বিস্ময় জাগে তার সম্বন্ধে। আর এ প্রক্রিয়ায় পাঠক তাকে অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত হন না, বরং হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েন, এই ভেবে যে এমন নিখুঁত জীবনধারা কীভাবে অনুসরণ করা সম্ভব!

রাসুল (সা) সম্বন্ধে জানতে আগ্রহী পাঠকদের এরূপ সমস্যা সমাধানে ড. হিশাম আল আওয়াদি রচনা করেছেন ‘বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ’ বইটি। আরব দেশ কুয়েতের প্রখ্যাত এ লেখকের মূল উদ্দেশ্যই ছিল এমন একটি গ্রন্থ রচনা করা যা পাঠ করে পাঠক নবীজী (সা) এর জীবনের সাথে নিজের জীবনের নানা সংকট, নানা চড়াই-উতরাই এর মিল খুঁজে পাবে, নবীজী (সা) থেকে দূরে সরে যাবে না বরং মনে করবে তাকে অনুরকণ করা কঠিন কিছু না। গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত এবং মাসুদ শরীফ কর্তৃক অনূদিত এ বইয়ে রাসুল (সা) এর শৈশব, কৈশোর, বেড়ে ওঠা, সংকট, দ্বন্দ্ব আর নবুয়াত প্রাপ্তির পূর্বেকার জীবনের উপরই অধিক জোর দেয়া হয়েছে।

ফলে পাঠক তার গুণাবলী জানার পাশাপাশি তাঁর মহামানব হয়ে ওঠা প্রত্যক্ষ করতে পারবেন, শৈশব ও কৈশোরে তিনি যেসব সংকট মোকাবিলা করেছেন সেগুলো জানতে পারবেন এবং সেসব সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখতে পারবেন। মোটকথা, ‘বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ’ বইটি পাঠককে উপলব্ধি করতে সহায়তা করবে যে, হযরত মুহাম্মাদ (সা)-ও একজন মানুষ ছিলেন যিনি আমাদের মতোই শৈশব-কৈশোর পার করেছেন, আমাদের মতোই দুঃখ, দারিদ্র আর বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন। সৃষ্টিশীলতা, নেতৃত্ব, দৃঢ়তা, সত্যনিষ্ঠার মতো আত্মোন্নয়নমূলক গুণাবলী রাসুল (সা) এর মাঝে বিদ্যমান ছিল, তা সকল বই থেকেই জানা যায়। এ বইটি বরং সেসব গুণাবলী তার মাঝে কীভাবে বিকশিত হয়েছে, তার উপরই অধিক দৃষ্টিপাত করেছে।

BUY NOW

. মহানবীসৈয়দ আলী আহসান

প্রখ্যাত সাহিত্যিক, লেখক, কবি, অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আলী আহসান নিজের জন্য বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নান্দনিক উপস্থান হলো তার লেখার বিশেষত্ব। লেখা ও সম্পাদনা সহ তার গ্রন্থ সংখ্যা ৮১টি হলেও সেগুলোর মাঝে একটি বইকে তিনি তার জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ বলে মনে করেন। ‘মহানবী’ বইটি হলো বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনীগ্রন্থ।

সৈয়দ আলী আহসান ‘মহানবী’ গ্রন্থটি রচনা করার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন বিখ্যাত ইরানি পণ্ডিত জয়নুল আবেদীন রাহনুমার কাছে। রাহনুমা তাকে তার রচিত ‘পয়াম্বর’ বইটি উপহার দেন এবং রাসুল (সা) এর জীবন সম্পর্কে গ্রন্থ রচনায় উদ্বুদ্ধ করেন। রাহনুমা তাকে বলেছিলেন, রাসুলের (সা) জীবন অবলম্বনের মধ্য দিয়ে একজন সাহিত্যিকের সাহিত্যচর্চা পরিচ্ছন্ন, পরিশুদ্ধ আর সফলকাম হতে পারে। আর এখান থেকেই নিজের অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছিলেন সৈয়দ আলী আহসান। এছাড়াও মার্টিন  লিংগসের ইংরেজি গ্রন্থ ‘মোহাম্মদ’ও তার অনুপ্রেরণার একটি নিয়ামক।

সৈয়দ আলী আহসানের লেখনী অত্যন্ত চমৎকার এবং সুপাঠ্য। তার সাহিত্যগুণ সমৃদ্ধ লেখনীতে বিশ্বনবী (সা) এর জীবন ‘মহানবী’ বইতে ফুটে উঠেছে নিপুণভাবে। রাসুলের জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়ে ভাগ করে সর্বমোট ২৪টি পরিচ্ছেদে রচিত হয়েছে এ বইটি, যা পড়ে রাসুলের জীবনের নাড়ি-নক্ষত্র জানা যাবে।

BUY NOW

. মুহম্মদ (.): প্রফেট ফর আওয়ার টাইমস ক্যারেন আর্মস্ট্রং

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনী, তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় লিখিত হয়নি। এমনকি তাঁর মৃত্যুর শত বছর পরও লিখিত হয়নি তাঁর ঘটনাবহুল জীবন। তবে মুসলিম ঐতিহাসিকগণ অনুভব করতে পেরেছিলেন রাসুলের (সা) জীবন সম্পর্কে দলিল তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা। এই উপলব্ধি থেকে অষ্টম ও নবম শতকে ইবনে ইসহাক, আল ওয়াকিদি, আত-তাবারি, ইবনে সা’দ, প্রমুখ মুসলিম ইতিহাসবিদগণ রাসুল (সা) এর জীবনী লিপিবদ্ধ করার কাজ শুরু করেন। রাসুলের (সা) মৃত্যুর বহুকাল পর শুরু হওয়া এই কাজে তারা ব্যবহার করেছিলেন সমকালীন প্রাপ্ত নথি, প্রচলিত মৌখিক তথ্যাদি ও অন্যান্য উৎস।

তথাপি রাসুলের (সা) জীবনের আদ্যন্ত যথার্থভাবে লিখিত হয়নি সেসব ঐতিহাসিক দলিলে। বিশেষ করে নবুয়াত প্রাপ্তির পূর্বে রাসুলের (সা) জীবন সম্পর্কে খুব কম তথ্যই দিতে পেরেছে সেসব ঐতিহাসিক দলিল। মদীনায় রাসুলের (সা) রাজনৈতিক জীবনকেও খুব একটা তুলে ধরতে পারে না সেসব ইতিহাস গ্রন্থ। এছাড়াও বর্তমানে রাসুলের জীবনাচরণ ব্যাখ্যা করা নিয়ে আরো একটি জটিল সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে। আরবদের ছোট্ট অঞ্চলে বিকশিত হওয়া ইসলাম সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্যই জীবন বিধান। কিন্তু আধুনিক পৃথিবীর নানান সমস্যার সাথে রাসুলের (সা) জীবন তুলনা করতে গেলে জটিলতা তৈরি হয়, অনেক সময় যথার্থ ব্যাখ্যা দেয়া যায় না।

এসব সমস্যার দিকে দৃষ্টি রেখে রাসুলের (সা) জীবন সংকলনের ধারাটাই আরেকটু এগিয়ে নিয়েছেন ব্রিটিশ লেখক ক্যারেন আর্মস্ট্রং। তার মতে, মহানবী (সা)-এর জীবনী সংকলনের কাজ এবং সেই সম্পর্কে গবেষণা চলমান রাখা তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ যথার্থভাবে উপলব্ধি করার একমাত্র উপায়। ক্যারেন আর্মস্ট্রংয়ের বই ‘মুহম্মদ (স.): এ প্রফেট ফর আওয়ার টাইমস’ এমন একটি বই যা আধুনিক সমাজ ও বিশ্বের প্রেক্ষাপটে রাসুলের (সা) জীবনী আলোচনা করে। বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন হাসান বায়োজীদ।

BUY NOW

. মহানবী হযরত মুহাম্মদ : সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামআল মাহমুদ

আজ থেকে চৌদ্দ’শ বছর আগেকার কথা। পৃথিবীতে তখন আধুনিককালের সভ্যতা অনুপস্থিত। তখন ছিল না আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক শহুরে সমাজ আর বিজ্ঞানের ছড়াছড়ি। তথাপি তখনকার সেই পিছিয়ে থাকা পৃথিবীতেও একটি বিষয় ছিল, আধুনিককালের তুলনায় ধীরগতির, যোগাযোগ। প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বেকার সে পৃথিবীতেও এক অঞ্চলের মানুষ অন্য অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতো ব্যবসা-বাণিজ্য আর জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের খাতিরে। তবে ব্যতিক্রম ছিল আরবরা। বাইরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রাখার প্রয়াস বা ইচ্ছা কোনোটাই তাদের মাঝে ছিল না। কিন্তু হঠাৎ সেই আরবদের মাঝে আলোকবর্তিকা হাতে আবির্ভূত হন এক মহামানব, যাঁর ছোঁয়ায় বদলে যায় আরবদের ইতিহাস। আর সেই মহামানব হলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা)।

এরকম ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আর ঘটনাবলীর মধ্য দিয়ে মহানবী (সা) এর জীবনী আলোচিত হয়েছে বিখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি আল মাহমুদের ‘মহানবী হযরত মুহাম্মদ : সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বইটিতে। বাংলা কবিতার নবজাগরণ ও সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র লেখনশৈলীতে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের অমর এক নক্ষত্রের নাম আল মাহমুদ, যার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থান সকল পাঠকের পছন্দনীয়। রাসুল (সা) এর জীবন তার সাবলীল লেখনীতে নিঃসন্দেহে পাঠকের মনে দাগ কেটে যাবে।

BUY NOW

. আররাহীকুল মাখতূম আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.)

১৯৭৬ সালে করাচিতে ‘রাবেতায়ে আলমে ইসলামী’ একটি সীরাতুন্নবী সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনের শেষদিন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনী সংক্রান্ত লেখা আহ্বান করা হয় এবং সেরা লেখকদের প্রথম ৫ জনের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। মহতী এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বনবীর (সা) মানসম্মত জীবনী লিপিবদ্ধ করা। এই প্রতিযোগীতার উদ্দেশ্যে ‘আর-রাহীকুল মাখতূম’ গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.)। বইটি উক্ত প্রতিযোগীতায় উপস্থাপিত ১,১১৮টি বইকে ছাপিয়ে প্রথম পুরস্কার লাভ করে। আরবি ও উর্দুতে রচিত এ বইটি সোনালী সোপান প্রকাশনী থেকে বাংলা অনুবাদ করেছেন ডক্টর শাহ মুহাম্মাদ আবদুর রহীম।

লেখক আল্লামা সফিউর রহমান এ বইটি রচনা করতে গিয়ে বিস্তর পড়ালেখা ও গবেষণা করেছেন। রাসুলের (সা) জীবনী রচনাকে তিনি পবিত্র ও তার জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ রূপে গণ্য করেছিলেন। বইটি যেন সবদিক থেকে সম্পূর্ণ হয়, সেটিই ছিল তার মূল লক্ষ্য। অতিরিক্ত বড় করে পাঠকে বিরক্তির উদ্রেক করা, কিংবা অতি সংক্ষেপে লিখে দুর্বোধ্য করে তোলা, কোনোটিই ঘটেনি এ বইয়ে। বরং যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই লিখেছেন লেখক। রাসুলের জীবনের অনেক ঘটনা নিয়ে একাধিক উৎসের মতবিরোধ রয়েছে। লেখক অক্লান্ত পরিশ্রম করে সেসব বিষয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ করে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মতটি তুলে ধরেছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক মতই উল্লেখ করেছেন ভুল এড়ানোর জন্য। সব মিলিয়ে মহানবী (সা) এর জীবন পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে জানবার জন্য অবশ্য পাঠ্য একটি বই।

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Loading