গত অক্টোবর মাসজুড়ে রকমারিতে টপ ১০ টি মোটিভেশনাল বই !

মোটিভেশন

প্রতিভা বসু বলেছেন,

“বই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ আত্মীয়, যার সঙ্গে কোনো দিন ঝগড়া হয় না, মনোমালিন্য হয় না”

বই আমরা কমবেশি সবাই পড়তে পছন্দ করি কিন্তু একেকজন একেক রকমের বই পড়তে পছন্দ করি। যেমন ধরুন কেউ উপন্যাস পড়তে পছন্দ করি, তো কেউ কবিতা, কেউ আবার পছন্দ করে ইতিহাস নিয়ে লেখা বইগুলো পড়তে যা আমাদেরকে অনেক কিছু শেখায়, আমাদের মনকে তৃপ্তি দেয়। কিন্তু কিছু বই আছে যেগুলো আপনি প্রাক্টিক্যাল লাইফে এপ্লাই করতে পারবেন যেমন এখানে যে ১০ টি বইয়ের কথা বলা হয়েছে এই বইগুলো অনেক উপকারের আসে। শুধু তাই নয় পুরো অক্টোবর মাস জুড়ে রকমারিতে বেষ্ট সেলার ১০ টি মোটিভেশনাল বই।

 

১০। টাইম ম্যানেজমেন্ট

 

“টাইম ম্যানেজমেন্ট” ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর ডিপার্টমেন্ট অব অন্ট্রপ্রনারশিপের বিভাগীয় প্রধানের কথা:

সময় একটি মূল্যবান সম্পদ। একজন নিম্নবিত্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর কাছে যে পরিমাণ সময় আছে, একজন কোটিপতি ব্যবসায়ীর কাছেও সমান পরিমাণে সময় আছে। পার্থক্য শুধু সময়ের ব্যবস্থাপনায়। যে যতবেশি কার্যকরীভাবে সময়ের ব্যবস্থাপনা করতে পারে সে ততবেশি সফল। আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। এক মিনিট সময়ও হেলায় পার করা আমাদের জন্য ক্ষতিকর। সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করা সময় ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। কাজ ও পরিবারকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি নিজের জন্যও কিছু সময় বরাদ্দ রাখতে হয়। সকল দিক বিবেচনা করে সঠিকভাবে সময় ব্যবস্থাপনা খুব কম মানুষই করতে পারে। কিন্তু যারা করতে পারে তারাই সফলতার মুখ দেখতে পায়। সঠিকভাবে সময় ব্যবস্থাপনা করা হলে দুশ্চিন্তা কিংবা মানসিক চাপ দূর হয়ে যায়।
এই বই একটি সময়োপযোগী বই। ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী কিংবা ছাত্র-ছাত্রী সবারই এই বইটি কাজে লাগবে বলে মনে করি।

BUY NOW

৯। রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড

 

স্কুল কি বাস্তব দুনিয়ার জন্য ছেলেমেয়েদের তৈরি করে? বাবা-মায়েরা বলেন, “পড়াশুনা কর, ভালো গ্রেড পাও, দেখবে তুমি অনেক বড় চাকরি পাবে।” তাদের জীবনের লক্ষ্য ছিল আমাকে ও আমার বড় বোনকে কলেজে পাঠান না, যাতে জীবনে সফল হওয়ার সবচেয়ে বেশি সুযোগ পাই। ১৯৭৬ এ আমি যখন ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে একাউটিং এ সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে অনার্স গ্রাজুয়েট হলাম, আমার বাবা-মা তাদের লক্ষ্যে পৌছে গেলেন। তাঁদের জীবনের চূড়ান্ত আনন্দের ছিল এই অর্জন। বিগ এইট’ নামক এক একাউন্টিং ফার্মে আমি যোগ দিলাম এবং ক্যারিয়ার গড়লাম ও দ্রুত রিটায়ার করলাম। আমার স্বামী মাইকেল খুব সহজ পথ বেছে নিয়েছিলেন। আমরা দুজনই ভদ্র অর্থে পরিশ্রমী পরিবারের সন্তান, কিন্তু কাজের ব্যাপারে নীতিগতভাবে আমরণ সিরিয়াস, মাইকেলও অনার্স গ্রাজুয়েট ছিল, প্রথমবার সে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ও দ্বিতীয়বার ল’ স্কুল থেকে ডিগ্রি নিয়েছে। ওয়াশিংটন ডি.সি ল ফার্মে সে যুক্ত হয়ে গেল, ফলে তার পেশা ও ভবিষ্যত উজ্জ্বল ছিল ও দ্রুত রিটায়ার মেন্টের নিশ্চয়তাও ছিল। যদিও আমাদের ক্যারিয়ার সফল ছিল, কিন্তু সবকিছু আশানুরূপ হলো না, নানা কারণে আমাদের দুজনকেই পদ বদলাতে হয়েছে আর আমাদের জন্য কোন পেনশনের ব্যবস্থা ছিল না। ব্যক্তিগত অবদানই রিটায়ারমেন্ট ফান্ডের পুঁজি হয়ে রইল। তিন সন্তান নিয়ে আমার ও মাইকেলের সুখী সংসার। এই লেখা যখন লিখছি, তখন আমার দুই সন্তান কলেজে ও অন্যজন হাই স্কুলে পড়ছে। বাচ্চারা যাতে সর্বোত্তম শিক্ষা পায়, সে ব্যাপারে আমরা খুব সচেতন ছিলাম। ১৯৯৬’এর একদিন আমার এক সন্তান খুব বিরক্তি নিয়ে স্কুল থেকে ফিরল। সে পড়াশুনার বিষয়ে খুব ক্লান্ত ও একঘেয়ে হয়ে উঠল। সে জানতে চাইল, “কেন আমি ঐসব বিষয় পড়ে সময় নষ্ট করছি যেগুলো আমার জীবনে কোন কাজে আসবে না?” কিছু না ভেবেই আমি বললাম, “কারণ তুমি ভাল গ্রেড না পেলে কলেজে যেতে পারবে না।” সে জবাব দিল, “কলেজে না গেলেও আমি ধনী হতে পারব।” কিছুটা ভয়ার্ত স্বরে আমি বললাম, “কলেজে না গেলে তুমি ভালো চাকরি পাবে না।
আর চাকরি না পেলে তুমি কি করে ধনী হবে?” আমার ছেলে আত্মপ্রসাদের হাসি দিল আর মৃদু বিরক্তির সাথে তার মাথা নাড়তে লাগল। এ ধরনের কথা আমাদের মধ্যে আগেও হয়েছে। সে তার মাথা নীচু করল ও চোখ পাকালো। আমার কথাগুলো আবারও অর্থহীন প্রমাণিত হল। স্মার্ট ও জেদী হওয়া সত্ত্বেও আমার ছেলে ভদ্র ও মার্জিত। সে বলতে শুরু করল, “মা…” এখন আমার পালা তার বক্তব্য শোনার “সময়ের দিকে তাকাও। চারপাশে দেখ। ধনী লোকেরা পড়াশুনার জন্য ধনী হয়নি। মাইকেল জর্ডান ও ম্যাডোনাকে দেখ। এমনকি বিল গেটস্, যিনি হাভার্ড ছেড়ে গিয়েছিলেন……..

বইটি মূলত মানসিকতাকে উল্লেখ করে লেখা । মানসিকাতার কারণে একজন মানুষ কি ভাবে গরিব থেকে যায় আবার মানসিকতার কারণে একজন মানুষ কি ভাবে ধনী হয়, লেখক সে সম্পর্কে শিক্ষা দেয়ার চেষ্ট করেছেন। জীবনে কোনো বাধা আসলে সরাসরি পিছনো না ফিরে বরং ধর্য্য ধারণ করে সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করে কিভাবে সমস্যাকে সমাধান করা যায় সে সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

 

BUY NOW

৮। দ্য পাওয়ার অব হ্যাবিট

“আমাদের জীবনটা, যতই নির্দিষ্ট কোনাে ধারার বলে মনে হােক, আসলে অসংখ্য অভ্যাসের যােগফল।” উইলিয়াম জেমস লিখেছিলেন ১৮৯২ সালে। “প্রতিদিন যে পথগুলাে আমরা বেছে নেই, আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় খুব সচেতনভাবে গ্রহণ করা একেকটি সিদ্ধান্ত। তবে আসলে মােটেও তেমনটা নয়। ব্যাপারটা—এগুলাে সবই অভ্যাস। আর প্রতিটা অভ্যাস আমাদের জীবনকে সরাসরি খুব সামান্যই প্রভাবিত করে। অথচ সময়ের সঙ্গে ও তার কারণেই নিয়ন্ত্রিত হয় আমাদের সবগুলাে সিদ্ধান্ত।” কোন খাবার অর্ডার করছি, আমাদের সন্তানদের কি বলে রাতে ঘুমাতে পাঠাচ্ছি, সঞ্চয় করছি না পুরােটাই উড়িয়ে দিচ্ছি, অনুশীলন কেমন ঘন ঘন করছি,  কাজের জন্য কোন রুটিনটা অনুসরণ করছি, সবই আমাদের স্বাস্থ্য, সৃজনশীলতা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আর সুখের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ডিউক ইউনিভার্সিটিতে একটা পেপার পাবলিশড হয়েছিল, তাতে ২০০৬ সালের গবেষকবৃন্দ উপসংহার টেনেছেন এভাবে মানুষ প্রতিদিন যে সব কাজ করে তাদের ৪০ শতাংশ সচেতনভাবে নেওয়া কোনাে সিদ্ধান্ত নয়, বরং শ্রেফ অভ্যাস।”

BUY NOW

৭। কমিউনিকেশন হ্যাকস

একবিংশ শতাব্দীর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সফট স্কিল (Soft Skill) হচ্ছে ইফেক্টিভ কমিউনিকেশন স্কিল (Effective Communication Skill)। অনলাইন এবং অফলাইনে আমাদের কথা-বার্তা পেশাদার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায় হল এই বইটি (কমিউনিকেশন হ্যাকস)। এই বইটিতে সাইকোলজি, কমিউনিকেশন এবং প্র্যাক্টিকাল টিপস এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে, টপিকগুলো আজ নিজের লাইফে প্রয়োগ করে দেখলে আপনার জীবনের সার্বিক মান উন্নত হয়ে যাবে। শিক্ষা-জীবন, ক্যারিয়ার এবং সামাজিক সম্পর্ক – সব ক্ষেত্রেই কমিউনিকেশন হ্যাকসগুলি আপনার কাজে দিবে।

BUY NOW

৬। মোটিভেশন প্রতিদিন

অস্থির দুনিয়ায় অস্থির জীবন। এই অস্থিরতা সামলানোর জন্য মোটিভেশনের গুরুত্ব সীমাহীন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা আমাদের জীবনকে সহজ করে দিচ্ছে, জীবনকে করছে স্বাচ্ছন্দ্যময়। একই সাথে অস্থিরতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রায় সমানতালে। এই অস্থিরতা কমিয়ে আনতে পারলে আমাদের জীবন আরও স্বস্তিদায়ক হতে পারে। মোটিভেশনের মাধ্যমে অস্থিরতা কমানো সম্ভব। এজন্য উন্নত দেশগুলোতে মোটিভেশনাল লেকচার আর মোটিভেশনাল বই-এর কদর দিন দিন বেড়েই চলেছে। “মোটিভেশন প্রতিদিন” বইটি পড়ে আত্মসম্মান, আত্মবিশ্বাস, নিজের মূল্যায়ন করা, চিন্তার ভারসাম্য এ বিষয়গুলোতে আত্ম-উন্নয়ন সম্ভব। বইটি হতে পারে মোটিভেশনের জন্য একটি হ্যান্ডবুক। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাদের পিতা-মাতাসহ সকল কার্যকর, সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের মোটিভেশনের জন্য এই বইটি উপকারে আসবে।

BUY NOW

৫। দ্য মিরাকল মর্নিং

জীবন বদলে দেওয়া এক অমূল্য বই হ্যাল এলরডের দ্য মিরাকল মর্নিং। প্রকৃতপক্ষে এটা শুধু এক প্রকার বই নয়; এটা জীবন-যাপনের এক নতুন পদ্ধতি- একটি অভ্যাস গঠন প্রক্রিয়া যা জীবনকে গড়ে দেয় নতুন আঙ্গিকে। বইটি যেন একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সংগঠন। জীবনে এই বইটির সংস্পর্শে আসা মানে যে-কোনো মাত্রায় জীবনকে বদলে ফেলা, জীবনকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে পারা।
শুধু বইটি পড়া নয়, চিন্তাজগতের পাশাপাশি এই বইয়ে অনেকগুলো সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের উল্লেখ রয়েছে, যেগুলো অনুসরণ করলে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক জগতের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে। এই বইয়ে যে চিন্তা, ধারনা, পরামর্শ ও কার্যক্রমের উল্লেখ রয়েছে সেগুলোর প্রভাব আমাদের জীবনে ব্যাপক।

BUY NOW

৪। সফল উদ্যোক্তা

বিশ্বায়নের এই যুগে দ্রুতগতিতে বাড়ছে মানুষ। বাড়ছে গতিশীলতা। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ পড়ছে পুরো বিশ্বের সকল সেক্টরে। বিশেষ করে, অধিক লোকের কর্মসংস্থান নিয়ে পুরো বিশ্বই আজ উদ্বিগ্ন। গতানুগতিক চাকরী কিংবা ক্ষুদ্র কাজ দিয়ে বাড়তি মানুষের কর্মসংস্থান করা অসম্ভব। আর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা না গেলে বিশ্বব্যাপী তৈরি হবে বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট। তাই মানুষকে যুগের চাহিদা বুঝতে হচ্ছে, কষ্ট করে বের করতে হচ্ছে নিত্যনতুন আইডিয়া। সেসব আইডিয়ার সমন্বয়ে প্রতিনিয়ত ডানা মেলছে একের পর এক উদ্যোগ। তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান, মানুষ মোকাবিলা করতে সক্ষম হচ্ছে বেকারত্বসহ নানা সংকটাপন্ন অবস্থাকে। আর এসব নতুন উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বকে যারা প্রতিনিয়ত বদলে দিচ্ছেন, লাখো কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন তারাই ‘উদ্যোক্তা’। কেমন হয় যদি এমন একজন সফল উদ্যোক্তার জীবনের সকল অভিজ্ঞতা, দিকনির্দেশনা আপনি একটি বইয়ের পাতায় পেয়ে যান? নিশ্চয়ই তা আপনার জন্য উপকারী। কেননা, আপনি যদি উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন, তাহলে হয়তো আপনার কাছে থাকা কোন আইডিয়া থেকেই বিশ্ব পেতে পারে নতুন কিছু।

BUY NOW

৩। ফেসবুক মার্কেটিং

আমাদের দেশে বর্তমানে উদ্যোক্তার একটি ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। পড়াশোনা, চাকুরি বা টিউশনির পাশাপাশি অনেকে উদ্যোক্তা হচ্ছেন, আমি সবাইকে সাধুবাদ জানাই। এ প্রচেষ্টা আগামি দিনের বেকার সমস্যা লাঘব করবে বলে আমার মনে হয়। আবার খারাপও লাগে, যখন দেখি কেউ আসছেন, কেউ দুই দিন বিজনেস করছেন আবার হতাশ হয়ে চলে যাচ্ছেন। তাদের একটাই সমস্যা সেল নেই। প্রোডাক্ট যাই হোক, সেল হবে। সেল করার জন্য আপনাকে জানতে হবে মার্কেটিং। আপনি যতবেশি মার্কেটিং বিষয়ে অভিজ্ঞ হবেন, যতবেশি কন্টেন্ট ভালো করবেন, ফেসবুক এড ভালো দিতে পারবেন; ততবেশি সেল বাড়বে, রিচ বাড়বে, আপনার সুনাম বাড়বে এবং আপনি সাহস পাবেন। বড়কথা- আপনাকে জানতে হবে। আর জানার জন্য “ফেসবুক মার্কেটিং” বইটা।

কি কি আছে এই বইয়ে?

1. ফেসবুক অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে, না জানলে রিচ কীভাবে বাড়বে সেটাও বুঝবেন না

2. ফেসবুকের অ্যাডের খরচ কীভাবে নির্ধারণ হয়

3. ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার ৫ টা দারুণ কৌশল

4. পেজ ম্যানাজার টিপস ও ট্রিক্স

5. অল্প টাকায় ব্যবসা করার কিছু উপায়

6. ফেসবুক আপডেট ২০২০, কিভাবে কাজ করতে হবে সামনের দিনগুলোতে

7. সেলস ফানেল, কি জেনে করছি নাকি মুখস্থ?

8. একটি ৫ ডলারের এড এবং আধামন মিষ্টি বিক্রি (কেস স্টাডি)

BUY NOW

২। প্রোডাক্টিভ মুসলিম

‘প্রোডাক্টিভ মুসলিম’ একটি আত্মোন্নয়নমূলক বই। বইটির পাতায় পাতায় মুখর হয়ে উঠেছে—আত্ম-জাগরণ, আত্মনির্মাণ ও আত্মবিকাশের বিভিন্ন দিক নিয়ে জীবনঘনিষ্ট আলোচনার আসর। এতে আছে স্রষ্টার দেওয়া অমূল্য উপহার—আমাদের মেধা সময় ও শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিগঠন, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং সামাজসেবামূলক কর্মোদ্যোগের মধ্য দিয়ে নিজেকে এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্নদ্রষ্টা এবং একনিষ্ঠ কারিগর হিসেবে গড়ে তোলার বাস্তবধর্মী কর্মকৌশল। লেখক কুরআনের রত্নভান্ডার, নবিজির সুন্নাহর মুক্তো-প্রবাল থেকে শুরু করে Dr John Ratey, Graham Allcott সহ আধুনিক জ্ঞানবিজ্ঞান এবং ব্যবসায়িক কর্মকৌশলের অসাধারণ সব তথ্য ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন বইটিতে।
ইসলামের শাশ্বত শিক্ষা এবং আধুনিক জ্ঞানবিজ্ঞানের মিশেলে রচিত এই বইটিতে যে প্রোডাক্টিভ লাইফ-স্টাইলের মডেল তুলে ধরা হয়েছে, তা একজন মানুষকে পার্থিব জীবনের সাফল্যের শেকড় ছুঁয়ে দিয়ে নিজেকে পরকালীন জীবনের শিখরে পৌঁছে দিতে এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাবে।

বিশেষভাবে এই বইটি থেকে জানতে পারবেন :
*কীভাবে স্পিরিচুয়াল প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি করবেন
*কীভাবে ঘুম, পুষ্টি ও ফিটনেস নিয়ন্ত্রণ করবেন
*কীভাবে ব্যক্তিগত জীবনের বাইরে সামাজিক পরিমণ্ডলেও প্রোডাক্টিভ হয়ে উঠবেন
*কীভাবে ব্যক্তিজীবন, সামজিক জীবন, ক্যারিয়ার এবং দ্বীন-দুনিয়ার মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করে চলবেন
*মানসিক বিচ্ছিন্নতা এড়িয়ে কীভাবে আপন লক্ষ্যে ফোকাস ঠিক রাখবেন
*কীভাবে প্রোডাক্টিভ হ্যাবিট গড়ে তুলবেন এবং ইফেক্টিভ রুটিন তৈরি করবেন
*কীভাবে সময়ের সদ্ব্যবহার করে দুনিয়ার পাশাপাশি পরকালের জীবনকে সমৃদ্ধ করবেন
*রমাদানে কী করে প্রোডাক্টিভিটি বজায় রাখবেন ইত্যাদিসহ আরও অনেক কিছু।

এই বইটি কি কেবল মুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য?
*বইটি বিশেষত মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে লেখা হলেও মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে এ থেকে উপকৃত হতে পারবে। এই বইয়ে আলোচিত—আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কী? মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব; মানুষ, সৃষ্টিকর্তা এবং মহাবিশ্বের আন্তঃসম্পর্ক; মানবজাতির প্রতি আমাদের দায়বোধ; পৃথিবীর কাছে ঋণস্বীকার—এসব কমন ভ্যালুজ আমাদের প্রত্যেকের জানা দরকার, যেন বৃহত্তর মানবিক স্বার্থে একটি বসবাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ সবুজ পৃথিবী গড়ে তুলতে আমরা একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করতে পারি।

অন্যান্য প্রোডাক্টিভিটি বইয়ের তুলনায় এর বিশেষত্ব কী?
*‘দেহের একটি আত্মা আছে—বিষয়টি এমন নয়, আসলে আমাদের ‘আত্মার জন্য এ-দেহটি। সৃষ্টি হিসেবে মানুষ যতটা-না দৈহিক, তার চেয়ে বেশি আত্মিক। পশ্চিমা ধ্যানধ্যারণার আলোকে প্রোডাক্টিভিটি কিংবা পার্সোনাল ডেভেলপমেন্টের ওপর লিখিত যাবতীয় বইয়ের প্রধান দুর্বলতা—এই আত্মা ও আধ্যাত্মিকতার মতো একটি শাশ্বত সত্যকে এড়িয়ে যাওয়া ।

*আমাদের দেহ দুর্বল, ভঙ্গুর ও পঁচনশীল। পক্ষান্তরে আমাদের আত্মা হলো শাশ্বত। তাই আত্মা ও আধ্যাত্মিকতাকে অস্বীকার করে যে কর্মকৌশল দাঁড় করানো হয়, তাতে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিছু সফলতা অর্জিত হলেও, জীবনের বৃহত্তর সফলতার প্রশ্নে তা চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। এ জন্য মানবসত্তার পূর্ণ বিকাশ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সফলতার জন্য দরকার এমন এক অত্যুজ্জ্বল জীবনদৃষ্টি ও কর্মকৌশল, যা একজন মানুষকে দুনিয়াতে প্রেডাক্টিভ হওয়ার পাশাপাশি অনন্তকালের পরকালীন জীবনের ব্যাপারেও প্রোডাক্টিভ হতে সাহায্য করতে পারে। এই এখানটাতে প্রোডাক্টিভ মুসলিম বইটি এই ইন্ডাস্ট্রির পশ্চিমাধারার আর-সব বই থেকে আলাদা এবং এক অপার্থিব স্বকীয়তায় উজ্জ্বল।

BUY NOW

১। দ্য কম্পাউন্ড ইফেক্ট

আপনি যখনই আপনার শৃঙ্খলা, রুটিন, ছন্দ এবং ধারাবাহিকতায় আঘাত করতে পারবেন তখন বুঝতে পারবেন আত্মা থেকে নিজেকে নিজেই পৃথক করছেন। এতে আপনি নতুন শক্তিশালী এবং বিজয়ী আত্মার খোঁজ পাবেন।

কম্পাউন্ড ইফেক্টের জন্য যারা প্রশংশা করেছেন।

এইবইটির জন্য যারা প্রসংশা করেছেন তাদের মধ্য থেকে ৩ জনের উক্তি তুলে ধরা হল।

১। প্রমানিত ও লাভজনক অভিজ্ঞতার বছরের উপর ভিত্তি করে এই শক্তিশালী, ব্যবহারিক বইটি আপনাকে দেখায় যে কিভাবে আপনার চারপাশের সুযোগগুলো সর্বাধিকতর করতে আপনার বিশেষ প্রতিভা অর্জন করতে হয়। কম্পাউন্ড ইফেক্ট আপনি যেটা সম্ভব বলে ভেবেছিলেন তার চেয়ে বেশী সাফল্য অর্জনের জন্য ধারনাগুলোর এক ধনাত্মক বিকাশ! – ব্রায়ান ট্রেসি, স্পিকার এবং দ্যা ওয়ে টু অয়েলথের লেখক।

২। একটি অসাধারণ জীবন যাপনের জন্য একটি উজ্জ্বল সূত্র। এটি পড়ুন, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এটিতে পদক্ষেপ নিন!- জ্যাক ক্যানফিল্ড, সাফল্য নিতিগুলোর সহ-লেখকঃ হাউ টু গেট ফ্রম হোয়ার ইউ ইউ টু হোয়ার ইউ অয়ান্ট ইউ বি।

৩। ড্যারেন হার্ডি আত্মউন্নতির জায়গার জন্য একটি নতুন বাইবেল লিখেছেন। আপনি যদি সত্যিকারের চুক্তির জন্য সন্ধান করেন। একটি বাস্তব প্রোগ্রাম, এমন বাস্তব সরঞ্জামসহ যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে এবং আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে পারে- কম্পাউন্ড ইফেক্ট এটিই! আমি ফিরে যেতে এবং আমার জীবনে আবার কি কাজ করা দরকার তা দেখার জন্য এই বইটি ব্যাবহার করার পরিকল্পনা করছি! দশটি অনুলিপি কিনুন, একটি নিজের জন্য এবং আর নয়টি আপনি যাদের ভালবাসেন তাদের জন্য এবং এখনই তা পাঠিয়ে দিন, যারা এটি পাবে তারা আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে!– ডেভিড ব্যাচ, ফিনিশআরিট ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা এবং দ্যা অটোম্যাটিক মিলিনিয়ার সহ আটজন নিউইয়র্ক টাইমসের সেরা বিক্রয়কারী লেখকদের মধ্যে একজন।

BUY NOW

 

রকমারির যেকোনো বই দেখতে ভিজিট করুন লিংকে।

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Published 05 Dec 2018
Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh
  0      0
 

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png