প্রিয় অভিভাবক এবং ভর্তি ইচ্ছুক বন্ধুরা, একটু থামুন একটু ভাবুন!

confused-c2e1e9d14491a9486d996da945debcc9d6ce7170-s800-c85

যারা এবার অ্যাডমিশনের জন্য চেষ্টা করবে, এই প্রশ্নটি তাদের পিতা মাতা বা গার্ডিয়ানের জন্য। চাইলে স্টুডেন্টরা এড়িয়ে যেতে পারে কিন্তু যারা সফল হতে চায় তারা তাদের গার্ডিয়ানকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

প্রশ্নঃ রাস্তায় যেতে যেতে গাড়িতে সমস্যা দেখা দিলো। গাড়ি চলতে গেলেই বার বার থেমে যাচ্ছে, সহজ বাংলায় বললে, গাড়ি চলছে ধাক্কিয়ে ধাক্কিয়ে।

আপনার গন্তব্যে পৌছাতে এখনো ১ ঘন্টা লাগবে। হাতে দুইটা অপশন-

  • বিরতি নিয়ে গাড়িটাকে ঠিক করা। যার জন্য ১৫-২০ মিনিট সময় লাগবে।
  • এবং যেভাবে আছে ওভাবেই ধাক্কিয়ে ধাক্কিয়ে চলে গন্তব্যে যাওয়া।

স্যার, আপনার উত্তর যদি ২য় অপশন হয় তাহলে নিচের পুরো লেখাটা আপনার জন্য এবং উত্তর যদি প্রথমটি হয় তাহলে মিলিয়ে নিন, আপনি ঠিক এভাবে ভেবেছিলেন নাকি আপনার ভাবনায় অন্য কিছু ছিলো।

একসময় আমরা সকলেই এডমিশনের জন্য প্রতিযোগিতায় নেমেছিলাম। এই সময়ে ছাত্র ছাত্রীরা কী পরিমাণ প্রেশারে থাকে তা সকলেই বেশ ভালো করেই জানি। অনেক নির্ঘুম রাত কাটে ভবিষ্যতের চিন্তায়। এই প্রেশার কেউ নিতে পারে আবার কেউ নিতে পারে না। যুগ যুগ ধরে এভাবেই হয়ে আসছে।

যাদের পিতা মাতা বুদ্ধিমান/ বুদ্ধিমতী তাদের জন্য জীবন কিছুটা সহজ হয়। এই সময়ে পিতামাতা বিভিন্ন ভাবে তাদের উৎসাহিত করে থাকেন। কিন্তু সবাই তো সঠিকভাবে উৎসাহিত করতে পারেন না। তাহলে?

অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, অ্যাডমিশনের এই সময়ে পড়াই কাজ। তাহলে অন্য কিছুর জন্য সময় কোথায়?

যাদের মনে এই প্রশ্ন আসবে তাদের জন্য বলছি, গাড়ি ধাক্কিয়ে ধাক্কিয়ে ১ ঘন্টার রাস্তা ২ ঘন্টায় না যেয়ে ২০ মিনিটের বিরতি নিয়ে, গাড়ি ঠিক করে সুন্দর জার্নি করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

অ্যাডমিশনের এই সময়টাও একটা জার্নি। এই জার্নিটাকে আপনার ছেলে মেয়ের জন্য বিরক্তিকর বানাবেন নাকি তাদের মোটিভেট করে সুন্দর আনন্দময় বানাবেন তা আপনার বিচারের হাতে ছেড়ে দিলাম।

একটা সময় ছিলো, বাবা মায়েরা কিছু করতে পারতো না কিন্তু এখন আমরা এমন ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি যে বাবা মা চাইলেই তার ছেলে মেয়ের জন্য অনেক উৎসাহ বয়ে নিয়ে আসতে পারে। সেটা হতে পারে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও দেখার মাধ্যমে, এখন যেহেতু করোনার কারনে সবাই অনলাইন শিক্ষাকে বেছে নিয়েছে তাই অনলাইনে শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্দান্ত ভিডিও গুলো কাজে লাগতে পারে, ভালো বইও অনেক ভাবে মোটিভেট করতে পারে। কিংবা প্রিয় মানুষদের স্বান্নিধ্য।

অ্যাডমিশনের পড়াশোনার পাশাপাশি যারা এই সময়ে নিজের অভ্যাস  উন্নতির জন্য পড়েছে এবং সেই অনুযায়ী চলার চেষ্টা করেছে তাদের সাফল্যের হার অনেক বেশি এবং তারা মানসিকভাবে অনেক শক্ত হয় এবং জীবনের যেকোন চরাই উতরাই তারা পার করতে পারে খুব সহজেই।

আজকে তেমন কয়েকটি বইয়ের কথা আপনাদের জানাতে চাই যেগুলো আপনার ছেলে মেয়ে প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট পড়ার জন্য বলতে পারেন এবং প্রাকটিস করতে বলতে পারেন। হয়তো এর ফলাফল আপনি চোখের সামনে দেখতে পাবেন।

ভর্তি, নিয়োগ, ও প্রস্তুতি পরীক্ষার বই কিনুন সর্বোচ্চ ছাড়ে !

 

৭)  আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন:

গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস থেকে প্রকাশিত আমিনুল ইসলাম ফারুক এর অসাধারন একটি বই “আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন”। আমরা অনেকে অনেক স্বপ্ন দেখি, কল্পনা করি। বেশিরভাগ মানুষের সেই কল্পনা বাস্তবায়ন হয় না কারন আমরা এই কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করি না কিংবা সঠিকভাবে পথ বেঁছে নেই না।

এজন্য আমাদের প্রয়োজন সঠিক দিক নির্দেশনা। আমিনুল ইসলাম ফারুক তার লেখনীতে সেই নির্দেশনার কথা বলেছেন।

উনি বলেছেন-

একজন মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো। পৃথিবীর সব মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখে। ঘুমের ঘোরে হঠাৎ ঘোড়া হাঁকিয়ে ছুটে যাওয়া, অথৈ সাগরে ডুবতে ডুবতে হারিয়ে যাওয়া, কুঁড়ে ঘরে শুয়ে রাজপ্রাসাদে ঘুরে বেড়ানো, দূর নীলিমায় পাখির ন্যায় আকাশ ছোঁয়া- এমন হাজারো স্বপ্ন আমাদের নিত্য সঙ্গী। আমি একদিন স্বপ্ন দেখলাম, আগ্রার তাজমহল ঘুরে ঘুরে দেখছি। আর একদিন দেখলাম, বাইতুল্লাহ শরিফ তাওয়াফ করছি। এরই মধ্যে হঠাৎ করে যেন কারও স্পর্শে ঘুম ভেঙ্গে গেল। জেগে উঠে দেখি, শিয়রে মা দাঁড়িয়ে আছেন। এমনটা আমাদের প্রায়ই হয়। এসব স্বপ্ন ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্ন । কিন্তু আমি তোমাদের যে স্বপ্নের কথা বলছি, তা জেগে দেখার স্বপ্ন এবং স্বপ্ন জেগেই দেখতে হয়।

এপিজে আবুল কালাম-এর ভাষায়-

‘ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন আসল স্বপ্ন নয়, স্বপ্ন সেটা, যা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।

তাহলে এই বই পড়ে আপনার সন্তান কে জানাতে পারেন কিভাবে সত্যিকারের স্বপ্ন পূরন করতে হয়। কিভাবে সাফল্য কে নিজের করে নিতে হয়।

বইটি সংগ্রহ করতে অথবা কিছু অংশ পড়ে দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

BUY NOW

৬)  রিচার্জ ইউর ডাউন ব্যাটারি:  

বইয়ের নাম শুনলেই বোঝা যায় বইটি প্রথাগত বইয়ের চেয়ে আলাদা। লেখক ঝংকার মাহবুব দীর্ঘ দিনের ছাত্র জীবন, চাকুরী জীবন এবং উদ্যোক্তা জীবনের অভিজ্ঞতাগুলোকে ছন্দে এবং গল্পে তুলে ধরেছেন।

ঝংকার মাহবুব নিজেও বুয়েটে পড়াশোনা করেছেন। তিনি জানেন অ্যাডমিশনের সময়ে কী পরিমাণ মানসিক চাপ সামলাতে হয়। তিনি জানেন এই চাপ থেকে কিভাবে বের হতে হয়। এই সময়ে অন্য কেউ নয়। নিজেকে নিজের সাহায্য করতে হয় সবার আগে।

উনার এই প্রাকটিক্যাল মোটিভেশনাল বইটি খুব কাজে আসবে।

এই বই যে আসলেই কার্যকরী তা রকমারি ডট কমে এই বইয়ের রিভিউ দেখলে বুঝতে পারবেন।

গল্পে, জীবনের প্রাকটিক্যাল হতাশা থেকে কিভাবে বের হয়ে আসতে হয় জানতে বইটির কিছু অংশ পড়ে দেখতে পারেন-

BUY NOW

৫)  স্টুডেন্ট হ্যাকস: 

১৬ বছরের শিক্ষাজীবনে স্কুল, কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে যা কেউ কখনও শেখায় নি…

তুমুল প্রতিযোগিতামূলক এই সময়ে তথাকথিত জিপিএ ৫ পাওয়ার ইঁদুর দৌড়ে ফেঁসে গিয়ে আমরা অনেক সময় শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যই হারিয়ে। ফেলি । তাছাড়া আবার জীবনের সাথে মিল নেই এমন বিষয়ের ওপর চ্যাপ্টারের পর চ্যাপ্টার পড়তে পড়তে অনেকের পড়াশােনার ওপর থেকে ভরসাই উঠে যায়। পড়াশোনার পুরো ব্যবস্থার প্রতি জন্মায় রাগ, ক্ষোভ, অভিমান আর বিরক্তি | দিনশেষে এই নেতিবাচকতাগুলোর প্রভাব পড়ে আমাদের সহজাত কৌতুহলের ওপর | হারিয়ে যায় শেখার আগ্রহ আর জানার স্পৃহা।

কী আছে এই বইয়ে-

  • পরীক্ষার আগে
  • পরীক্ষার সময়
  • পরীক্ষার পরে
  • এবং পরীক্ষার বাইরে

কী করতে হবে। কিভাবে নিজেকে সাফল্যের চুড়ায় নিয়ে যেতে হবে। বইটি রকমারি বেস্টসেলার বই। হাজারো স্টুডেন্ট এর জন্য বইটি আশীষ স্বরুপ এই বই।

বইটি সংগ্রহ করতে এখানে ক্লিক করুন

BUY NOW

৪)  এটমিক হ্যাবিটস: 

 এই বইটি সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই এই বইয়ের লেখকের সম্পর্কে একটা কথা তুলে ধরতে চাই-

জেমস ক্লিয়ার জটিল বিষয়গুলোকে সহজ আচরণের মাধ্যমে সারিয়ে দেওয়ার দক্ষতার জন্য পরিচিত, যা সহজেই দৈনন্দিন জীবন এবং কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে। এখানে তিনি জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং স্নায়ুবিজ্ঞান থেকে সর্বাধিক প্রমাণিত ধারণাগুলো নিয়ে কাজ করেছেন।

—মার্ক ম্যানসন

এই বইটির নাম সম্পর্কে শুনলেই কেমন কাটখোট্টা মনে হতে পারে। কিন্তু আদতে এই বইটি খুব সুন্দর ভাষায় অনূদিত এবং সহজ করে লেখা। এখানে ৩ টা প্রসেস সম্পর্কে বলা আছে যা নিজের মধ্যে আয়ও করতে পারলে খুব সহজেই সাফল্য ধরা দিবে।

তাহলে নিজের অভ্যাসে পরিবর্তন এনে কিভাবে সাফল্যের দিকে ধাবিত হওয়া যায় জানতে বইটির সংগ্রহ করে আপনার সন্তান কে দিতে পারেন।

বইটি সংগ্রহ করতে এখানে ক্লিক করুন।

BUY NOW

৩)  মন প্রকৌশল স্বপ্ন অনুপ্রেরণা আর জীবন গড়ার ফরমুলা: 

এই বইয়ের লেখক রাগিব হাসান জীবন দেখেছেন মানুষকে দিয়ে। সত্যিকারের কোনো কাজ করিয়ে নিতে হলে তাকে কিন্তু টাকা পয়সা বা সম্মানী দিতে হয় না। তাকে উৎসাহ দিতে হয়। ঠিক একই রকম ভাবে জীবনের সাফল্যের জন্য নিজেকে দিতে হয় উৎসাহ।

শুধু যদি বাংলাদেশেই প্রচুর ছাত্রছাত্রী। সবাইকে ধরে ধরে লেখক উৎসাহ দিতে পারবেন না। তাহলে উপায়?

তখন দরকার লেখক রাগিব হাসানের “মন প্রকৌশল” ধরনের বই। পৃথিবীর সব দেশেই এ ধরনের বই আছে।  আমাদের দেশে এই বই সেই অভাব দূর করলো।

বইটা পড়ে এক ধরনের অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়। মন প্রকৌশল শব্দটা কটমটে মনে হতে পারে কিন্তু বইটা মোটেই কটমটে নয়, খুব গুছিয়ে লেখা হয়েছে। স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে, ঘুরে দাঁড়ানো মানুষদের কথা বলা হয়েছে। অসংখ্য উদাহরণ দেয়া হয়েছে, অসংখ্য গল্প বলা হয়েছে।

বইটির নামে যেহেতু প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটা আছে তাই রাগির হাসান সত্যিকারভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং করার জন্যে ছোট ছোট ধাপগুলো পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে। আমাদের তরুণদের কিছু বাঁধাধরা সমস্যা আছে সেই সমস্যাগুলোর কথা বলা আছে। হতাশ হয়ে যাওয়া সেই তরুণদের কেউ না কেউ নিশ্চয়ই এই বইটা পড়ে এক ধরনের শক্তি পাবে, এক ধরনের সাহস পাবে, নিজের ভেতর অনুপ্রেরণা খুঁজেপাবে।

বইটির কিছু অংশ পড়তে এবং সংগ্রহ করতে ভিজিট করুন- রকমারি ডট কম 

BUY NOW

 

২) ভাইরে আপুরে!!!

বাংলা ভাষায় লেখা আরেকটি বেস্টসেলার বই এটি। এই বই সম্পর্কে জানতে লেখকের মুখেই শুনি তার কথা-

ভাইরে/আপুরে!!! বইটি আমার ফেসবুক টাইমলাইনের বিভিন্ন স্ট্যাটাস থেকে নিয়ে লেখা। তরুণতরুণীদের সাথে নিজের অভিজ্ঞতা, সাফল্য ও ব্যর্থতা শেয়ার করতে চেয়েই স্ট্যাটাসগুলোর সৃষ্টি। বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা অনেক বুদ্ধিমান। তাদের শুধু দরকার একটু গাইডলাইন, একটু Spark! সেগুলো দেবার জন্যই নিজের মতো করে চেষ্টা করেছি।

আমি কোনো মোটিভেশনাল লেখক বা বক্তা নই। আমি মনে করি সবচেয়ে বড়ো মোটিভেশন আসে নিজের ভেতর থেকেই। আমি শুধু তাকে উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা করেছি মাত্র।

বইটি লিখতে আমি যেভাবে কথা বলি সে ভাষাই ব্যবহার করেছি। এতে বাংলা, ইংরেজি, কথ্য, সাধু, চলিত মিশ্রণ আছে। পাঠক আমার এই ব্যত্যয় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করবো। বইটি একবারে পড়ে শেষ না করবার অনুরোধ করছি। একেকটা চ্যাপ্টার পড়বেন আর একদিন বিরতি নেবেন। এতে করে বিভিন্ন আইডিয়া, পথনির্দেশ, অনুরোধ ইত্যাদি বুঝতে বা ফলো করতে সুবিধা হবে।

তাহলে, আপনার সন্তান কে সঠিকভাবে উৎসাহ দিতে এই বইটিও কাজে আসতে পারে।

বইটি এখনি সংগ্রহ করতে এখানে ক্লিক করুন।

BUY NOW

 

১) জীবন গঠনে সাত অভ্যাস: 

এই জীবন পরিবর্তন করা সাতটি অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে। এই বইটি ইংরেজী 7 habits of a highly effective people থেকে রুপান্তরিত হয়েছে।

সুন্দর অনুবাদে ইতিমধ্যে পাঠক জনপ্রিয়তায় থাকা ৭ টি অভ্যাসের কথা বিস্তারিত বর্ননা হয়েছে।

কী মনে হচ্ছে? ৭ টি অভ্যাস তো, খুব তাড়াতাড়ি চেঞ্জ হয়ে যাবে?

এটা প্রাকটিসের ব্যপার।

আসুন জেনে নেই কী সেই অভ্যাস। এরপর আপনিই আপনার সন্তানকে এই অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবেন কিনা তা ডিসিশন নিবেন-

  1. প্রো-আকটিভ থাকা ।
  2. শেষ পরিণতির কথা মনে রেখে কাজ শুরু করা ।
  3. প্রাইয়োরিটি সেট বা আগের কাজ আগে করা ।
  4. আমিও জিতব, তুমিও জিতবে ।
  5. সমানুভূতি ও সাহস নিয়ে ভাব বিনিময় করা ।
  6. এক সঙ্গে কাজ করা বা যৌথ ক্রিয়া করা ।
  7. নিজের স্কিল বাড়ানো যাতে ভবিষ্যতের বড় কাজ সুন্দর করে করা যায়।

তাহলে, এই অভ্যাস কিভাবে আপনার সন্তানের মধ্যে তৈরি করবেন তা আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এজন্য প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে এই বইটি তাকে পড়তে দেওয়া।

বইটি সংগ্রহ করতে এখানে ক্লিক করুন

BUY NOW

 

অ্যাডমিশনের এই সময়ে প্রচুর পড়তে হবে এবং সাথে সাথে নিজেকে মোটিভেটেট, অনেক বেশি ফোকাসড এবং শান্ত রাখতে হবে। প্রতিদিন একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি ৩০ মিনিট সময় বের করে এই বইগুলো নিয়ম করে পড়লে এবং নিজের জীবনে চর্চা করলে সাফল্য আসবেই বলে আশা করা যায়।

এখন সিদ্ধান্ত আপনার হাতে। আপনার সন্তান কে ঢাল ছাড়া যুদ্ধের ময়দানে পাঠাবেন নাকি প্রস্তুত করে তারপর পাঠাবেন এবং বিজয়ীর বেশে দেখবেন।

 

সবগুলো বই একসাথে পেতে এখানে ক্লিক করুন

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Published 05 Dec 2018
Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh
  0      0
 

comments (0)

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png