আলাউদ্দিন আল আজাদ: যিনি কবিতায় তুলে ধরেছেন সমাজ বাস্তবতা

আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন ভাষা আন্দোলনের গণমুখী ও স্বদেশপ্রেমী সাহিত্যধারার সাহিত্যিক। বাংলা এবং বাঙালির জীবনকে উপজীব্য করে সাহিত্যের মূল ধারায় এমন বিস্তৃতি খুব কম সাহিত্যিকই দিতে পেরেছেন।

History-bg20200703001359-288b0584

২৬ শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলে বসে আছে এক যুবক। ২১ তারিখের মিছিলে ছিল সে। তার সামনেই গুলি খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে শহীদ রফিকউদ্দিন। আরও নাম না জানা দুজনকে পিচ ঢালা পথে লুটিয়ে পড়তে দেখেছেন। ২৪ তারিখে ঢাকা মেডিকেলের সামনে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছিল, সেখানেও ছিলেন তিনি। আজ বিকেলে স্মৃতি স্তম্ভ উদ্বোধন করলেন আইন পরিষদ থেকে ইস্তফা দেয়া আবুল কালাম শামসুদ্দিন। বিকেলেই পুলিশ প্রথমে এসে মেডিকেলের ছাত্রাবাস ঘিরে ফেলেছিল। আরেকদল ট্রাকে করে স্তম্ভ ভাঙার সরঞ্জামাদি নিয়ে ভিতরে চলে আসে। নুরুল আমিন প্রশাসনের নির্দেশে স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ওরা। সশস্ত্র পুলিশের সামনে অসহায় চোখে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না ছাত্রদের। রাতে হোস্টেলে ফিরে আর ঘুম আসছে না। এভাবে চুপ করে থাকা যায় না। কাগজ কলম নিয়ে বসলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ।  লিখলেন…….

স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার ? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরের মুকুট নীল পরোয়ানা খোলা তলোয়ার
খুরের ঝটকা ধুলায় চূর্ণ যে পদ-প্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাঁপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য ।
ইটের মিনার
ভেঙেছে ভাঙুক ! ভয় কি বন্ধু, দেখ একবার আমরা জাগরী
চারকোটি পরিবার ।
এ-কোন মৃত্যু ? কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন,
শিয়রে যাহার ওঠেনা কান্না, ঝরেনা অশ্রু ?
হিমালয় থেকে সাগর অবধি সহসা বরং
সকল বেদনা হয়ে ওঠে এক পতাকার রং
এ-কোন মৃত্যু ? কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন,
বিরহে যেখানে নেই হাহাকার ? কেবল সেতার
হয় প্রপাতের মোহনীয় ধারা, অনেক কথার
পদাতিক ঋতু কলমেরে দেয় কবিতার কাল ?
ইটের মিনার ভেঙেছে ভাঙুক । একটি মিনার গড়েছি আমরা
চারকোটি কারিগর
বেহালার সুরে, রাঙা হৃদয়ের বর্ণলেখায় ।
পলাশের আর
রামধনুকের গভীর চোখের তারায় তারায়
দ্বীপ হয়ে ভাসে যাদের জীবন, যুগে যুগে সেই
শহীদের নাম
এঁকেছি প্রেমের ফেনিল শিলায়, তোমাদের নাম ।
তাই আমাদের
হাজার মুঠির বজ্র শিখরে সূর্যের মতো জ্বলে শুধু এক
শপথের ভাস্কর । 

 ভাষা আন্দোলোনের ইতিহাস যদি আলাউদ্দিন আল আজাদের এই ‘”স্মৃতিস্তম্ভ” কবিতা বাদ দিয়ে লেখা হয় তবে কখনও  পরিপূর্ণ হবে না।

বর্ণমালায় পদযাত্রা

১৯৪৬ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই কোলকাতা থেকে প্রকাশিত সওগাত পত্রিকায় আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম প্রবন্ধ ‘আবেগ’ ও ছোটগল্প ‘জানোয়ার’ প্রকাশিত হয়। উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীতে পড়ার সময় ১৯৫০ সালে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। ‘মানচিত্র’ আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে। নিজের লেখা সম্বন্ধে আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন-

‘আমার প্রথম লেখা ছাপার অক্ষরে ‘নিমন্ত্রণ’, একটি পত্র, তেতাল্লিশের বাংলার মহাদুর্ভিক্ষের পরপর স্বপনবুড়োকে সম্বোধন করে লিখেছিলাম এবং কোলকাতার যুগান্তর পত্রিকার ছোটদের পাততাড়ি বিভাগে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু প্রথম রীতিমতো সাহিত্যিক রচনা ‘আবেগ’ একটি ব্যক্তিগত প্রবন্ধ : মাসিক সওগাত পত্রিকায় যখন মুদ্রিত হয় তখন আমি নারায়ণপুর উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে উঠেছি (১৯৪৬)। এক সংখ্যা পর সওগাতে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম ছোটগল্প ‘জানোয়ার’। ভৈরব বাজারের রাস্তায় চাকুন্চুকুন্ চিক্চাক শব্দ করে হাঁটতে দেখতাম এক ন্যাংটা পাগলকে, আমার কিশোর চোখে অদ্ভুত লাগত- তাকে কেন্দ্র করেই গল্পটি লিখেছিলাম।

সাব্যসাচী লেখক আলাউদ্দিন আল আজাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর থেকে বাংলা বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার ডিগ্রি অর্জন করে অধ্যাপনা পেশায় যুক্ত হন আলাউদ্দিন আল আজাদ। তিনি নারায়ণগঞ্জের তোলারাম কলেজ (১৯৫৫), ঢাকা জগন্নাথ কলেজ (১৯৫৬-৬১), সিলেট এমসি কলেজ (১৯৬২-৬৮) এবং চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ (১৯৬৪-৬৭)-এ অধ্যাপনা করেন। তিনি ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন এক বছর (১৯৭৪-৭৫) এবং পরবর্তীকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে মস্কোর বাংলাদেশ দূতাবাসে সংস্কৃতি উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব, সংস্কৃতিবিষয়ক বিভাগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ঈশ্বরগুপ্তের জীবন কবিতা বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

আলাউদ্দিন আল আজাদের কবিতা

আলাউদ্দিন আল ছিলেন বাস্তব জীবনের রূপকার। বাস্তবতার রূপ শাণিত করেছে তার ভাষা নির্মাণে। সংস্কৃতাশ্রয়ী শব্দ তিনি পরিহারই করেছেন বলা চলে। তিনি নির্মাণ কবিতায় নির্মাণ করেছিলেন সমাজের বাস্তব সব ছবি। ‘মিউজিয়ামের সিঁড়ি’ কবিতায় যেমন আমরা দেখতে পাই-

ছেঁড়া চাদর কাঁধে এসেছেন এক বাঙালি ভদ্রলোক
সঙ্গে গোটা পরিবার :/কিশোরী মেয়েটা চিবোচ্ছে খয়েরি চকোলেট/মুখখানা কেমন অজান্তা-সুলভ গাম্ভীর্যে ভরা,
মায়ের কাঁধের ওপর ছোট ছেলেটি অকাতরে দিয়েছে ঘুম
মোমের মতো স্নিগ্ধ হাত দুটো আলগোছে ঝুলছে।

একজন আধুনিকা :

সারা অঙ্গে প্রসাধনের কারুকার্য/ কথা-দেওয়া বন্ধুর প্রতীক্ষায়
জুতোর হিলে খুট্খাট্ বিরক্তি।

আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন স্বপ্নবাজ কবি।  মাঝে মাঝে অনিবার্য সিঁড়িকে তিনি অবলম্বন করেন বিষাদের ছায়া থেকে মুক্তির পথে অবতরণের জন্য। মাঝে মাঝে হয়ে ওঠেন আগামীকালের নাগরিক- যেন সময়ের পাটাতনে বসে বানাচ্ছেন ভবিষ্যতের স্বপ্নপ্রাসাদ। নগরজীবনের ক্লান্তি গায়ে মেখে সজীব কবির পথচলার উন্মাদনাকে তিনি ধরেছেন এভাবে-

সেদিন মিছিল চলেছিল বনেদী রাজপথ কাঁপিয়ে
সহস্র পায়ের ঘষায়/ একেকবার থরথরিয়ে উঠছিলো
ভ্যানিটি-ব্যাগ হাতে সথমকে দাঁড়ানো অভিজাত মেয়ের মতো
রকমফের দালানগুলো : আমরা দাঁড়াইনি/ থামিনি/নিশান উড়িয়ে দিলাম উপরে, আরো উপরে।
(হাসি)

ফাউস্ট-গ্যটে-ওমর খৈয়াম, জিউস-ইনোনি-জুলায়খা-ইউসুফ, মোনালিসা, মীরজাফর তাই তার কবিতার প্রেরণা। হাজির হয়েছে যিশু কিংবা সক্রেটিসের উদাহরণও। জাগতিক বস্তুবিশ্বে সোনাদানা-জমি-জিরেত বা অঢেল টাকার বিপরীতে তিনি ত্যাগ আর ভালোবাসার মাহাত্ম্যরে কথা বলতে চেয়েছেন; ধরতে চেয়েছেন সৌন্দর্যের অপার রহস্য ও সামর্থ্য। পাঠককে জানাচ্ছেন তার সে ভাবনার সামান্য আভাস-

ফুল ফোটে : হরেক রকম ফুল
শিউলি বকুল হাস্নাহেনা/ কি যে খেয়াল আমার
ছিঁড়ে আনি/ রাখি ফুলদানিতে অথবা এমনি টেবিলে/ কিংবা গুঁজে দেই প্রিয়ার খোঁপায়, এবং
যখনই পাই জন্মদিন বা শুভ বিবাহের দাওয়াত :
কোনো বন্ধুর অথবা বান্ধবীর/ সব ফেলে ফুল কিনে আনি/ ফুল দিই উপহার :

এ এক অদ্ভুত খ্যাপামি!/ (ফুলের কবিতা)

কৃষিনির্ভর উন্নয়ন-সংস্কৃতিতে প্রবল আস্থাশীল ছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ। শস্যের শিশুদানার প্রতিও ছিল তার মনোযোগ । তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘একটি শস্যের শিশু জন্ম নেবে’ আর ভয় পেতেন এই মনে করে- ‘আমার মৃত্যুর পর একমুঠি শস্য হবে বাড়া।’- অর্থাৎ তার অভিযোগ ছিল অসম সমাজব্যবস্থার প্রতি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার প্রতি। শস্যের সুষম বণ্টন আর সুবিধাভোগের সমন্বয়ভাবনায় স্থিরসিদ্ধান্ত ছিলেন আলাউদ্দিন। চায়ের কাপের ধোঁয়ার সঙ্গে উড়ে বেড়ানো কথার ফুলঝুড়ি আর ভাষণের মঞ্চের অহেতুক হাততালির জন্য তিনি শিল্পের বাজারজাতকরণের চেষ্টা করেননি কখনও; কবিতাকে করেননি রাজনীতির মঞ্চও। তবে রাজনীতির স্বচ্ছ বর্ণনা রয়েছে তার কবিতায়। যেমন,

রক্তমাংস? মৃত্যু-নিপাত/ ঝটিকায় হারা নগরবস্তি।

মিলিত প্রেমের বজে ফাঁকি/ তবুও পেয়েছ পুনর্জন্ম,/ এইটে রীতির কারসাজি, নাকি/ রক্তবীজের গোপন কর্ম? তোমার অগ্নিশ্বাসের শিখায় ভস্মীভূত বসুন্ধরা/ মজবুত উঁচু হবার আগেই

আবার আকাশে রোষভরা/ গর্জন শুনি : লিকলিকে পা’র

প্রেতের মিছিল হাঁকে, মার মার!/ (স্বস্তিকা)

ড. ফজলুল হক সৈকত আলউদ্দিন আল আজাদের কবিতা সম্পর্কে লিখেন,

আলাউদ্দিন আল আজাদের কবিতার এক বিরাট পরিসর সংগ্রামী চেতনাসমৃদ্ধ এবং বোধজাগানিয়া উপলব্ধিতে সমুজ্জ্বল হলেও তার কাব্যসম্ভারের অনেকাংশেই প্রেম ও প্রকৃতিনির্ভর, ব্যক্তিগত ভাবানুভূতি, আবেগ-আর্তি এবং স্বপ্ন-কল্পনা-আশ্রয়ী, নারী-প্রেম এবং ব্যাপক অর্থে মানবপ্রেম উপজীব্য হয়েছে। তার বহু খণ্ড কবিতা- বিশেষত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রেম, প্রকৃতি, রোমান্টিক মানসপ্রবণতা এবং স্বপ্ন ও সৌন্দর্যবোধকে কেন্দ্র করে রূপ নিয়েছে। স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে এবং সরকারি চাকরির কারণে বিদেশে বিশেষত রাশিয়ার মস্কোতে অবস্থানকালে রচিত অধিকাংশ খণ্ড কবিতায় বিশেষভাবে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় ব্যক্তিমনের ভাবানুভূতি বিচিত্ররূপে প্রকাশ পেয়েছে।

পেরোনো পথ আর জমে থাকা গ্লানি থেকে কবিকে অনেক সময় সংগ্রহ করতে হয় উপাদান-উপকরণ- আলাউদ্দিন তা মানতেন; কিছু কিছু অবসরে তিনি তার কথামালা সাজিয়েছেন চারপাশের ওইসব কাঁচামাল থেকে। তার কথা সাজানোর ভঙ্গিতে রয়েছে ভাষ্যকারের নিখুঁত কণ্ঠসত্ম; যেন অনর্গল বলে চলেছেন দেখা কোনো ঘটনার বিবরণরাজি। আরোপিত কোনো চিন্তা নয়- আলাউদ্দিন যেন সাজিয়ে তুলছেন সত্যিকারের কথার ইমারত; যেখানে সব সুখের প্রশ্রয়বারতা নিয়ে নির্ভয়ে দাঁড়ানো যায়! আর কী সহজে তিনি নির্মাণ করেন সমাজের বাস্তব সব ছবি।

একজন কিংবদন্তি লেখক

আহমাদ ইশতিয়াক আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহিত্য কর্ম সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে লিখেন,

পঞ্চাশের দশকের প্রথম ভাগ থেকে নব্বইয়ের দশকের  শেষভাগ পর্যন্ত, টানা ৫০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বিস্তৃত ছিল আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহিত্য। একাধারে  প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী ভাবধারায় সাহিত্যচর্চা। অন্যদিকে গ্রামের মানুষ ও তাদের সংগ্রাম, প্রকৃতির ঐশ্বর্য ও সংহারমূর্তি সাহিত্যে তুলে ধরা কিংবা নগরজীবনের কৃত্রিমতা, রাজনীতিক সংগ্রাম, নিপীড়ন, প্রতারণা সমস্তই ছিল আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহিত্যের উপজীব্য। আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহিত্যে এসেছে বাংলাদেশ, পূর্ব পাকিস্তান পটভূমি। আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন ভাষা আন্দোলনের গণমুখী ও স্বদেশপ্রেমী সাহিত্যধারার সাহিত্যিক। বাংলা এবং বাঙালির জীবনকে উপজীব্য করে সাহিত্যের মূল ধারায় এমন বিস্তৃতি খুব কম সাহিত্যিকই দিতে পেরেছেন।

প্রয়াণ

আমি চলেছি ধ্বংসের মুখে/ ফিরবো না আর
আমি চলেছি পতনে সুখে/ ফিরবো না আর।
(ফিরবো না আর)

 দীর্ঘ কলেবরের বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়ে ২০০৯ এর ৩রা জুলাই ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসভবনে  বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন আলাউদ্দিন আল আজাদ। আলাউদ্দিন আল আজাদ ফিরবো না আর বলে চলে গেলেও তার সৃষ্টিকর্মের মধ্যে দিয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন সমস্ত বাংলা ভাষাভাষী মানুষের অন্তরে।  ফিরে আসবেন বারবার তার গল্প,কবিতা ও উপন্যাসে।

আলাউদ্দিন আল আজাদ এর সকল বই সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Loading