সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কি সত্যিই বাজারি লেখক ছিলেন?

সুনীল কি বাজারি লেখক ছিলেন?

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কি আসলেই বাজারি লেখক ছিলেন কিনা এই আলাপের আগে চলুন একটি গল্প শুনে নেই, গল্পটা আমাদের জানা। তবুও আবার জানবো। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখালেখি শুরু হয়েছিল কবিতা দিয়ে। কিশোর বয়সে সাধারণত কবিতাই আমাদের বেশি টানে। তবে সুনীলদা কিন্তু সেরকম স্বভাব কবি হয়ে কবিতা লেখেন নি। তিনি লিখেছিলেন এক কিশোরী মেয়ের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্ক শুরু করার জন্য। তারও আগে তিনি কবিতা অনুবাদ করেছিলেন। এই গল্পটা বলেছিলেন, বাংলাদেশেরই আরেকজন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। ‘কালি ও কলম’ পত্রিকা থেকে গল্পটা শুনে আসতে পারি।

“আপনার প্রথম গল্প কোনটি? কবিতার কথা জানি, ‘একটি চিঠি’।

সুনীলদা বললেন, হ্যাঁ। খুবই অল্প বয়সে লেখা। আমি তখন প্রচুর টিউশনি করি। এক টিউশনি বাড়ির কিশোরীর প্রেমে পড়েছিলাম। মেয়েটি রেগুলার দেশ পত্রিকা পড়ত। দেশ পত্রিকার কবিতা নিয়ে আলোচনা করত। আমি সেই মেয়েটিকে মনে মনে প্রচুর চিঠি লিখতাম। ওরকম একটি চিঠি কবিতা করে দেশ পত্রিকায় পাঠিয়ে দিলাম। কে জানত, কবিতাটি যে ছাপা হয়ে যাবে! ছাপা হওয়ার পর সেই টিউশনি-বাড়ি গেছি। গিয়ে শুনি, বাড়িতে আলোচনা হচ্ছে, দেশে কোন এক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি কবিতা বেরিয়েছে। কবিতাটি বেশ ভালো। পাশের ঘরে বসে আমি ছাত্র পড়াচ্ছি। উঠে গিয়ে যে বলবো কবিতাটি আমার লেখা, লজ্জায় বলতে পারলাম না। অবশ্য বললেও ওরা বিশ্বাস করত না।

তো এইভাবে আপনি, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কবি হয়ে গেলেন?

হ্যাঁ। তবে এর আগেও আমি প্রচুর কবিতা লিখেছি। কিন্তু আমার নিজের নামে নয়। টেনিসনের নামে।

মানে?

তুমি নিশ্চয়ই জানো, আমি কবিতার সুখ দুখে লিখেছিলাম। ম্যাট্রিক পরীক্ষার পর যে দুই-তিন মাস সময় অবসর থাকে, ওই সময় আমার বাবা প্রতিদিন আমাকে টেনিসনের গোটা কয়েক করে কবিতা অনুবাদ করতে দিতেন। প্রথম প্রথম কায়ক্লেশে কিছু অনুবাদ করে বাবাকে দেখিয়েছি। মূল কবিতার সঙ্গে মিলিয়ে প্রথম প্রথম বেশ যত্নে অনুবাদ ঠিক হয়েছে কি না দেখতেন বাবা। পরে আর মূল কবিতা দেখতেন না। শুধু অনুবাদটাই দেখতেন। আমি এই চান্সটা নিলুম। করতুম কী, নিজেই টেনিসনের প্যাটার্নে লাইনের পর লাইন সাজিয়ে পৃষ্ঠা ভরে রাখতুম। বাবা ধরতে পারতেন না।”

BUY NOW

এই ছিল সুনীলের লেখার শুরু। সাহিত্যকে অনন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি লেখা শুরু করেননি। হেয়ালি করে শুরু করা এই লেখালেখির যাত্রা শেষ পর্যন্ত প্রায় এমনই ছিল। লিখেছেন অদ্ভুত সুন্দর সব ট্রিলজি। বহুমাত্রিক উপন্যাসের লেখার বাইরেও কবিতার অনন্য এক যাত্রা ছিলো সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের। আগেই বলেছি সারাটা জীবন যেন হেয়ালি করেই লেখালেখি করেছেন। এজন্য যখন যারা লেখা চেয়ছেন বা বই চেয়েছেন তিনি লিখেছেন। তাহলে তো উনার মনযোগ শিল্পতে ছিলো না। তার মানে কি উনি বাজারকে ধরার চেষ্টা করেছিলেন? তাও তো না। কখনই জনপ্রিয়তা বা বাজার কী চায় তা নিয়ে মাথা ঘামাননি। তবে প্রশ্ন এসে যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কি সত্যিই বাজারি লেখক ছিলেন?

বাজারি লেখক আসলে কী? এটি একটি জটিল প্রশ্ন। কারণ কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক বলেছিলেন, ‘বাজারি লেখক বলে কিছু আছে কিনা আমার জানা নেই’। (শফিক হাসানের সাক্ষাতকার- দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৯ জানুয়ারি ২০১৬)।

তাহলে বাজারি লেখকের সংজ্ঞা আসলে কী? এটি নিয়ে লিখেছেন হুমায়ূন আহমেদ তার ‘ফাউন্টেনপেন’ বইতে।

‘বাজারি লেখক বিষয়টি আরো পরিষ্কার করা দরকার। বাজারি লেখক মানে তুচ্ছ লেখক। তেল-সাবান-পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ বিক্রেতা টাইপ লেখক। এদের বই বাজারে পাওয়া যায় বলেও বাজারি। যাঁদের বই বাজারে পাওয়া যায় না, তাঁদের বাড়িতে কার্টুন ভর্তি থাকে, তাঁরা মহান লেখক, মুক্তবুদ্ধি লেখক, কমিটেড লেখক, সত্যসন্ধানী লেখক। তাঁদের বেশির ভাগের ধারণা, তাঁরা কালজয় করে ফেলেছেন। এঁরা বাজারি লেখকদের কঠিন আক্রমণ করতে ভালোবাসেন। তাঁদের আক্রমণে শালীনতা থাকে। তাঁরা সরাসরি কখনো আমার নাম নেন না। তবে বুদ্ধিমান পাঠকরা বুঝে ফেলেন কাকে ধরা হচ্ছে। তাঁদের আক্রমণের নমুনা, অন্যপ্রকাশের সামনে জনৈক বাজারি লেখকের বইয়ের জন্য তরুণ-তরুণীর সমাবেশ দেখে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলতে হয়। এরা সৎসাহিত্য থেকে বঞ্চিত। কষ্টকল্পিত উদ্ভট চরিত্রের গালগল্পে বিভ্রান্ত। বাজারি লেখক এবং তার প্রকাশকের অর্থ জোগান দেওয়া ছাড়া এই তরুণ-তরুণীরা আর কিছুই করছে না।…’

বোঝাই যায়, খানিকটা হাস্যরস করে হলেও বাজারি লেখক সম্পর্কে আমাদের ধারণা প্রকাশ করেছেন হুমায়ূন আহমেদ। বাজারি লেখক বলতে আমরা বুঝি, কালজয়ী লেখকদের বিপরীত। অর্থাৎ তারা বাজারকে ধরার জন্য লেখেন। বলা হয়, যেমনটা হুমায়ূন আহমেদ করতেন বলে প্রচলিত আছে। কিন্তু বাজারি লেখকরা সাধারণত বাজার যেটা পছন্দ করে সেটিই লিখে যান। লেখার মধ্যে আদৌ গভীরতার খোঁজ পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। তার উপর বাজারি লেখকরা কতটুকু সচেতন ভাবে লেখেন তাও প্রশ্ন থাকে। কিন্তু সুনীলের লেখায় গভীরতা বা সচেতনতা কতটুকু তা একপাশে রাখলে তাকে কি সত্যিই বাজারি লেখক বলা সম্ভব?

BUY NOW

দেশ পত্রিকায় ছাপা হওয়া সুনীলের ‘বসুধা আর তাঁর মেয়ে’ উপন্যাসের দিকে খেয়াল করলে আমরা দেখি, সুনীল মুলত পড়ুয়া লেখক। উপন্যাসের নায়িকারাও আধুনিক। পড়ুয়া। ওরহান পামুকের স্নো দেখা যায় বসুধার টেবিলে। বেশ বোঝা যায়, তিনি লেখক হিসেবে পড়াশোনা জানা ছিলেন। অর্থাৎ বিশ্ব সাহিত্য তো বটেই সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্য চর্চার নিরিখে তিনি বেশ পড়ুয়া লেখক ছিলেন। তার ছাপ উঠে এসেছে তার নিজের লেখাতেই। তিনি তার নিজের লেখা উপন্যাসের চরিত্রের হাতে তুলে দিয়েছেন ওরহান পামুকের মত বিশ্ব সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ লেখককে। তাছাড়া তার লেখাতে বিভিন্ন সময়কে তুলে ধরার ব্যাপারে চরিত্রের মধ্যকার দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি বেশ পরিলক্ষিত ছিলো। দেশ পত্রিকায় সেই উপন্যাসের দিকেই যদি আমরা তাকাই, দেখি দু’জন চরিত্র বাংলাদেশের নামকরণ নিয়ে কথা বলছে। একদিন খাবার টেবিলে বীরেশ্বর-রণ-জুলি-বসুধা কথাবার্তা বলে বাংলাদেশ নামকরণ নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের লোকেরা কী বাঙালি নাকি ইন্ডিয়ান?

“রণ বলল, বাবা, আগে তো একটাই বাংলাদেশ ছিল। তারপর ভাগ হয়ে গেল। তারপর ওরা পুরো বাংলাদেশ নামটা নিয়ে নিল কেন?

বীরেশ্বর বললেন, ঠিক বলেছিস। আমিও সেই কথাটা ওদের বোঝাবার চেষ্টা করেছিলাম। আগে ওরা বলত জয় বাংলা। সেই স্লোগান দিয়েই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। অনেকেই এই দেশটার নামও বলত, জয় বাংলা। তারপর কী করে যেন বাংলাদেশ হয়ে গেল। আমি বললাম, তোমরা আমাদের কিছু জিজ্ঞেস করলে না, কিছু না। পশ্চিম বাংলার কথা ভুলে গেলে?

বসুধা বললেন, এখন বদলানো যায় না? বাংলাদেশ-এর বদলে জয় বাংলা, শুনতেও বেশ। তাহলে বাংলাদেশ নামটা থাকবে সবার জন্য।

বীরেশ্বর আফসোসের সুরে বললেন, আর কই বদলানো যাবে? যা ইউফোরিয়া চলছে, যেরকম মাতামাতি, এখন ওসব কথা উচ্চারণই করা যাবে না। তবে বদরুদ্দোজা একটা দারুণ কথা বলে আমাকে জব্দ করে দিয়েছে। ও বলল, দেশ যখন ভাগ হয়, সেই উনিশশো সাতচল্লিশ সালে আমরা তো বাঙালি ছিলাম না। আমরা ছিলাম পাকিস্তানি, বা পূর্ব পাকিস্তানি। আমাদের বাঙালি হতে সময় লেগেছে। সেই সময় আপনারা আপনাদের রাজ্যটার নাম পশ্চিম বাংলা রাখলেন কেন? তখন তো আর কাগজে-কলমে পূর্ব বাংলা বলে কিছু ছিল না। আপনারা যদি রাজ্যটার নাম পশ্চিমবাংলার বদলে বাংলাদেশ রাখতেন, কেউ আপত্তি করত না।” (দেশ পত্রিকা ১৪১৭: ৪৩৭)

কিন্তু সবসময় কি তিনি লেখায় সচেতনতা দেখিয়েছেন? সচলায়তনে ২০১০ সালে এই উপন্যাস নিয়েই খানিকটা সমালোচনা করে লিখেছিলেন শুভাশীষ দাশ। তিনি উপন্যাসে রাসেলের আত্মজীবনী নিয়ে উদাহরণ দেয়ার ব্যাপারে ভুল ব্যাখ্যার সমালোচনা করেন এভাবে- ‘সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এইসব দিকে চিন্তা করেননি। বা গবেষণার প্রয়োজন মনে করেননি। উপরে উপরে পড়ে নিজের মতো করে একটা মানে করে নিয়েছেন। সেই কাল্পনিক অর্থকে সম্বল করে উপন্যাসের শেষ টেনেছেন। একটা ভুল সূত্রকে উপাত্ত করে হর্ষ দত্তের উপন্যাসের মূল থিমের কাছাকাছি লেখা এই উপন্যাস একই ভুল থিমকে আরো পোক্ত করার প্রয়াস নিয়েছেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়’।

খানিক ক্ষেত্রে সুনীলের লেখার গভীরতা এবং একইসাথে খানিক ক্ষেত্রে ‘হালকা’ করে কোন লেখা শেষ করা- উভয় সমালোচনার মত সুনীলের বাজারি লেখক হবার মতামত নিয়ে প্রশ্ন তোলে। সুনীল সত্যিই বাজারি লেখক ছিলেন কিনা এই প্রশ্নে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসা স্বাভাবিক। কারণ উভয় দৃষ্টিভঙ্গিতেই সুনীল একইসঙ্গে বাজারি লেখকের মত বাজারে প্রচলিত গল্পকে নিয়ে এসেছেন আবার একইসঙ্গে সমাজ ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় স্বতন্ত্র গল্পও নির্মান করেছেন। তাই তিনি বাজারি লেখক ছিলেন কিনা সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া মুশকিল।

তবে যদি আমরা আরেকটু পেছনে গিয়ে কল্পনা করি, সুনীলের বাজারে জনপ্রিয়তার কারণ আসলে কী? কারণ বাজারি লেখকরা সাধারণত জনপ্রিয় হন। অথবা আরও সহজ করে বললে বাজারে যাদের বই অনেক বিক্রি হয়, আমরা সাধারণ চিন্তায় ধরে নেই তারা বাজারকে বুঝতে পেরেছেন বলেই বাজারে বিক্রি হওয়ার মত লেখা তারা লিখতে পারেন। অর্থাৎ তারা বাজারি লেখক। এখন অস্বীকার করার অবকাশ নেই যে, হুমায়ূন আহমেদের আগে এই দেশেও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মধ্যবিত্ত পাঠকদের ঘরে ঘরে শোভা পেতো। যদিও বা সেসময় ভারত থেকে বই আসাটা বেশ জটিল প্রক্রিয়া ছিলো এবং ভারতীয় কোন লেখকের এই দেশে জনপ্রিয়তা পাওয়াটাও ওত সোজা ছিলো না। কিন্তু কী কারণে সুনীলের বই ভারতের গন্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের বাজার ধরতে পেরেছিলো?

এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের সেই সময়কে ভালোভাবে বুঝতে হবে। এখানে যেমন রয়েছে আত্মিকতার টান, তেমনি রয়েছে ঢাকার সাহিত্যের সেসময়কার দুর্বলতা ও বইয়ের বাজারের দৌড়াত্মের প্রশ্নও। আমরা যদি খুব নিবিড় ভাবে সেই সময়টাকে বোঝার চেষ্টা করি তাহলে দেখবো বাংলাদেশের বই কোলকাতায় যাওয়াটা ছিলো প্রায় অসম্ভব। অপরদিকে কোলকাতার বই বাংলাদেশে ঢুকতো নির্দ্বিধায়। মজার ব্যাপার হলো, সেই সময়ে বইমেলায় কোলকাতার বই থাকা না থাকা নিয়ে বেশ বিতর্ক চলেছিলো। সেই বিতর্কের ইতি অবশ্য টেনেছে বহু আগেই। কিন্তু সত্যিকার অর্থেই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কিংবা সমরেশ মজুমদার দিনে দিনে বাংলাদেশের পাঠকের কাছে খুব বেশিই পরিচিত হয়ে উঠছিলেন। তখন বই পাওয়াটা এতটা সহজ না থাকলেও প্রচুর মানুষ তাদের বই কিনতো। বলা হয়, আশি থেকে নব্বই দশকের মধ্যে বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে লুকিয়ে লুকিয়ে সুনীল-সমরেশদের বই পড়াটা ছিলো রেওয়াজের মত।

আরেকটা ব্যাপার হলো, সেসময় সুনীল-সমরেশরা সব বয়সী ছেলেমেয়েদের জন্য লিখতেন। কিছুটা বাজারী ব্যাপার ছিলো তো বটেই; কিন্তু সব কিশোর থেকে তরুনদের উপযোগী বই একই লেখকের হওয়ায় সেগুলো স্বার্বজনীন হয়ে যেত সহজেই। সুনীল সেসময় নিয়মিত লিখে গেছেন ‘সন্তু ও কাকাবাবু’ সিরিজ। প্রথম যেবার কাকাবাবু বের হলো তখন কিশোরদের মধ্যে সাড়া পরে গেলো বলা চলে। তাছাড়া পাইরেসির সুযোগে অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌছানোর সুযোগ হয়েছিলো সুনীল-সমরেশদের। যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আজকে এত্ত বছর পর যখন সুনীলের লেখার দিকে আমরা তাকাই, ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকা ছাপা হয়ে পড়ে আছে প্রেসে কিন্তু পয়সার অভাবে ছাড়াতে পারছেন না। মাসিক ‘জলসা’ পত্রিকা উপন্যাস চাইলো সুনীলের কাছে। ওই প্রেসে বসেই টানা লিখে ফেলতে দেখি সুনীলকে ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’। আবার একইসাথে দেখি দেশ পত্রিকা কিংবা বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায় বাইরেও দেদারসে লিখে যাওয়া কবিতা ও উপন্যাসের বই হন্য হয়ে কিনছে সাধারণ পাঠক। যারা হয়তো, সিরিয়াস সাহিত্য কিংবা বাজারি লেখক কোনটাই বোঝে না।

দিনশেষে, সুনীল কি সত্যিই বাজারি লেখক ছিলেন কিনা এই প্রশ্নের আগে উঠে আসে আরেকটি উত্তর। সুনীল কি আমাদের হতে পেরেছিলেন? হ্যাঁ, সুনীল আমাদের লেখক ছিলেন।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন 

Zubayer Ibn Kamal

Zubayer Ibn Kamal

For the last half a decade, I have been writing stories, articles, features, and other content in various national level magazines. I am most interested in creative writing. I have read thousands of fiction books in the last few years. I have memorized the book of the last revelation of God. My day goes by reading books and thinking.

Leave a Comment

You May Also Like This Article

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading