একজন বাউন্ডুলে মানবিক মানুষের গল্প…. জানা আছে কতটুকু!!!

sumonto aslam

হুমায়ূন আহমেদ, আনিসুল হক, ইমদাদুল হক মিলন প্রমুখ বিখ্যাত ও পাঠক নন্দিত সাহিত্যিকদের ভীড়ে যে কয়েকজন নতুন প্রজন্মের তরুণ সাহিত্যিক আলাদা করে নিজেদের চেনাতে পেরেছেন ও লাভ করেছেন পাঠকদের অশেষ ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তা, তাঁদের মধ্যে একজন সুমন্ত আসলাম । বর্তমানে দেশের প্রথমসারির কথাসাহিত্যিকদের একটি তালিকা করলে প্রথম সারিতেই থাকবেন তরুণ ও জনপ্রিয় এই সাহিত্যিক। সেই সাথে দেশের অপরাপর তরুণ ও উদীয়মান লেখকদের সাহিত্যে মনোনিবেশ করতে ও উন্নতমানের কথাসাহিত্য রচনা করতে ক্রমাগত অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন, এবং তরুণ প্রজন্মের লেখকদের কাণ্ডারী হিসেবে কাজ করছেন প্রখ্যাত এই সাহিত্যিক।

মানুষের সাধারণ জীবন ও তাদের বিচিত্র সকল অনুভবকে কেন্দ্র করে সুমন্ত আসলাম রচনা করেছেন তাঁর সকল উপন্যাস। এই দেশ, দেশের মাটি ও মানুষকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন তিনি, তাদের নিয়েই রচনা করে গিয়েছেন বেশ কিছু উপন্যাস। শুধু উপন্যাসই নয়, তিনি রচনা করেছেন রম্য ও ব্যাঙ্গাত্মক রচনাবলী এবং কিশোরদের জন্য উপযোগী উপন্যাস। লেখার ভাষা সহজ ও সাবলীল হওয়ায় এবং সহজে পাঠকের হৃদয়কে আন্দোলিত করতে পারার অনন্য দক্ষতা থাকায় সহজেই মানুষের প্রিয় লেখক হিসেবে তাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে এদেশের বইপাগল তরুণ সমাজের কাছে সুমন্ত আসলাম ও তাঁর লেখার আবেদন অসামান্য।

মহান আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘অমর একুশে বইমেলা’য় যে কয়েকজন লেখকের বই পাঠকরা খুঁজে ফেরেন ও যাদের বইয়ের খোঁজ পেলেই তা কেনার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন, তাঁদের মধ্যে এই মেধাবী কথাসাহিত্যিক অন্যতম।

জন্ম ও শৈশব ও শিক্ষাজীবন

জনপ্রিয় এই কথাসাহিত্যিকের জন্ম ও শৈশব দুটোই কেটেছে সিরাজগঞ্জ জেলায়। বর্তমানে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন সিরাজগঞ্জ শহরে। এবং সেখানেই তিনি বড় হন ও শিক্ষাজীবন শুরু করেন। বাবা মরহুম সোহরাব আলী তালুকদার ও মা রওশনারা পারুল ছোটবেলা থেকেই তাঁকে বই পড়তে উৎসাহ দিতেন। সিরাজগঞ্জের যে বাড়িতে তিনি শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন সেখানে একটি পারিবারিক লাইব্রেরি ছিল, যেখান থেকে তাঁর বই পড়ার শুরু। আর ঐ লাইব্রেরিতে বই পড়তে পড়তেই ধীরে তাঁর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

erf
সুমন্ত আসলাম

প্রাথমিক জীবন

জীবনে বড় হওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ তিনি অতিবাহিত করেন বই পড়ে। আর প্রাথমিক জীবন বই পড়ে কাটানোর ফলে তাঁর মধ্যে বইয়ের প্রতি এক গভীর ভালোবাসা জন্মে ও এবং একসময় তিনি নিজেই বই লেখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তবে তিনি ছোটবেলায়ই লেখালেখি শুরু করেননি। ঢাকায় আসার পর তিনি শুরু করেন তাঁর লেখালেখি জীবন।

পেশাজীবন

লেখালেখিতেই সম্পূর্ণরূপে মনোনিবেশ করলেও এখানেই তাঁর পেশাজীবন এর শেষ নয়। সাহিত্যকর্ম চর্চার পাশাপাশি তিনি একজন সাংবাদিকও। সুমন্ত আসলাম দেশের বেশ কিছু বিখ্যাত পত্রিকায় কাজ করেছেন, এবং সাংবাদিক হিসেবেও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি তাঁর ব্যাঙ্গাত্মক লেখা ও রম্যরচনার জন্য বিখ্যাত হয়েছিলেন মূলত সাংবাদিকতা থেকেই। বর্তমানে তিনি দেশের অন্যতম বিখ্যাত বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সমকাল’ এর সহকারী প্রকাশক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আত্মপ্রকাশ করেছেন একজন সমাজকর্মী হিসেবেও।

এদেশে অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিশু রয়েছে যারা পারিবারিক দুরবস্থা অথবা অন্যান্য কারণে পড়াশোনার সুযোগসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। লেখক সুমন্ত আসলাম তাদের নিয়েই কাজ করে থাকেন। এসকল সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঠিকমতো পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতেই তিনি কাজ করেন ‘চাইল্ড ড্রিম সোসাইটি‘ নামক একটি বেসরকারি অলাভজনক সংগঠনের হয়ে।

আলপিন এর সম্পাদক

এছাড়াও তিনি একসময় দেশের সবচেয়ে বিখ্যাত দৈনিক ‘প্রথম আলো‘ এর পাঠকনন্দিত রম্য ক্রোড়পত্র ‘আলপিন’ এর সম্পাদক ছিলেন। আলপিন যতদিন প্রকাশিত হত, ততদিন আলপিন ছিলো দেশের অন্যতম সেরা রম্য ও ব্যঙ্গাত্মক ক্রোড়পত্র৷ সেখানে সমাজের বিভিন্ন বিষয় ও অসঙ্গতি নিয়ে নানারকম হাস্যরসপূর্ণ ও ব্যাঙ্গাত্মক লেখা প্রকাশিত হতো। আর অত্যন্ত চমৎকার এসকল লেখা প্রকাশের মূলে ছিলেন ক্রোড়পত্রটির সম্পাদক সুমন্ত আসলাম। এখান থেকেই তাঁর রম্য ও হাস্যরসাত্মক লেখার খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনিও বিভিন্ন রম্যরচনা বিষয়ক বই লেখা শুরু করেন এবং পাঠকদের থেকে অর্জন করে নেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তবে শেষপর্যন্ত একসময় আলপিন এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গেলে তাঁকে প্রথম আলো ছেড়ে দিতে হয়।

সুমন্ত আসলাম
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করে থাকেন সুমন্ত আসলাম; Image Source: www.facebook.com/sumanto.aslam.5

সৃষ্টিকর্ম এবং দর্শক ও সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া

লেখালেখি শুরুর পর থেকেই তিনি তাঁর সহজ, সাবলীল ও সুন্দর লেখনীর মাধ্যমে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করা শুরু করেন। তাঁর ব্যাপারে দর্শক ও সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া অনুসন্ধান করলে উভয়দিকের প্রতিক্রিয়াতেই বেশ সন্তুষ্টির ছাপ পাওয়া যায়। তাঁর লেখার সহজ ও সরল ধারার জন্য পাঠকদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের তিনি সহজেই প্রভাবিত করতে পেরেছেন, এবং প্রিয় লেখক হিসেবে তাদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। এদেশ, দেশের মাটি ও মানুষকে নিয়ে দু’চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছেন তিনি, এবং এসবকে ভালোবেসেই তিনি রচনা করেন সাহিত্য। আর তাঁর সমস্ত সৃষ্টিকর্মের মধ্যেই ফুটে উঠেছে মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা।

মানুষের বিচিত্র মানসিকতা ও অনুভব খুব সুন্দর করে ফুটে উঠেছে সুমন্ত আসলাম এর রচিত বইসমূহ এর মধ্যে। মানুষের নানা বিচিত্র জীবন ও জীবনকে আবর্তিত করে যা যা ঘটে থাকে ও আমাদের আশেপাশের মোটামুটি সবকিছু নিয়েই তিনি তাঁর উপন্যাস ও অন্য বইগুলো লিখেছেন।

লেখালেখি

সুমন্ত আসলামের মতে, ছোটবেলায় তাঁর বই পড়ার জন্য তীব্র ভালোবাসা ও আকাঙ্ক্ষাই তাঁকে ভবিষ্যৎ জীবনে একজন পূর্ণাঙ্গ লেখক হতে সাহায্য করেছে। শৈশবকালে বাড়ির পারিবারিক লাইব্রেরি থেকে তাঁর মধ্যে যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠেছে, তার ফলেই তাঁর মনে লেখক হবার আগ্রহ জন্মায়। আর তিনি মনে করেন, একজন ভালো লেখক হওয়ার জন্য একজন ভালো পাঠক হওয়া খুবই জরুরি। কারণ, একজন ভালো পাঠকই বুঝতে পারবেন অপরাপর পাঠকরা কেমন লেখা পছন্দ করেন এবং একটি লেখার মধ্যে তারা কী ধরনের বিষয় দেখতে চান ও কোন বিষয় কোনভাবে ফুটে উঠবে যেকোনো ধরনের বইতে।

পাশাপাশি, একজন যত ভালো পাঠক হবেন, তিনি তত বেশি বই পড়বেন এবং তত বেশি তার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পাবে। আর যেকোনো বিষয়ে বেশি জানাশোনা থাকলে ঐ বিষয়ে বই লেখাও তার জন্য সহজ হয় এবং জ্ঞানের সাহায্য নিয়ে যেকোনো বিষয়ই সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা সহজ হয়। এসকল কারণেই সুমন্ত আসলাম একজন ভালো লেখক হবার আগে একজন ভালো পাঠক হবার উপরে জোর দেন, এবং বলেন, একজন ভালো পাঠক হবার ফলেই আজ তিনি এই পর্যায়ে আসতে পেরেছেন। অতএব ভালো লেখক হতে হলে ভালো পাঠক হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। ছোটবেলায় পড়াশোনার ক্ষেত্রেও তিনি মেধাবী ছিলেন বিধায় এই ব্যাপারটিও তাঁকে যথেষ্ট সাহায্য করেছে। আর লেখালেখিকে তিনি এতটা ভালোবাসেন বলেই বলতে পেরেছেন, আরেকবার জন্মগ্রহণ করলেও তিনি বড় হয়ে লেখকই হতেন।

সুমন্ত আসলাম
সুমন্ত আসলামের রচিত ‘যদি কখনো’ বইয়ের প্রচ্ছদ; Image Source: www.facebook.com/sumanto.aslam.5

সুমন্ত আসলামের রচিত বইসমূহ

সুমন্ত আসলাম তাঁর বিচিত্র লেখক জীবনে রচনা করেছেন বিভিন্ন উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ, রম্যরচনা ও ব্যাঙ্গাত্মক বই, এবং শিশু-কিশোরদের উপযোগী উপন্যাস। তাঁর রচিত প্রথম বই ছিলো ছোটগল্পের বই ‘স্বপ্নবেড়ি‘, যা প্রকাশিত হয় সময় প্রকাশন থেকে। এরপর তিনি আর থেমে থাকেননি। বছরের পর বছর ধরে তিনি লিখে গিয়েছেন ও প্রকাশ করেছেন দুর্দান্ত সকল উপন্যাস। সুমন্ত আসলামের বই এর মধ্যে ‘নীল এই যে আমি!‘, ‘অনুভব‘, ‘মিস্টার ৪২০‘, ‘আমি আছি কাছাকাছি‘, ‘স্পর্শের বাইরে‘, ‘জ্যোৎস্না নিমন্ত্রণ‘, ‘জ্যোৎস্না বিলাস‘, ‘আশ্চর্য তুমিও!’, ‘হাফ সার্কেল‘, ‘মাঝরাতে সে যখন একা’, ‘দন্ত্যন রুহমান‘, ‘জানি না কখন‘, ‘নিনির সবুজ জ্যোৎস্না‘, ‘যে তুমি খুব কাছের‘, ‘দহন‘, ‘ভালোবেসো তুমিও‘, ‘অথচ আজ বসন্ত‘, ‘কে তুমি‘, ‘বৃষ্টি, তোমার জন্য‘, ‘একদিন জ্যোৎস্নাভাঙা রাতে‘, ‘অন্ধকারের আলোয় তুমি‘, ‘তুমি রবে নীরবে‘, ‘সাতাশ এপ্রিল রাত বারোটা’, ‘অন্তরতমা‘, ‘এই তো তুমি এই তো‘, ‘তবুও একদিন‘, ‘এক মায়াবতী আমার‘, ‘ঘরজামাই এমবিবিএস‘ ‘কেউ একজন‘, ‘চার মায়াবতী‘ ইত্যাদি সমকালীন উপন্যাস, ‘বাউণ্ডুলে-১’, ‘বাউণ্ডুলে-৩‘, ‘বাউণ্ডুলে-৭‘, ‘বাউণ্ডুলে-৯‘ ইত্যাদি নামে প্রকাশিত বাউণ্ডুলে নামক রম্যরচনা সিরিজ এবং ‘রোল নাম্বার শূন্য‘, ‘জিনিয়াস জিনিয়ান‘, ‘আই এম গুড ডু‘, ‘ডাঁটি ভাঙা চশমা রাফিদ‘, ‘রোল নাম্বার ১৩‘, ‘পা কাটা পাপ্পু‘, ‘বিচ্ছু বাহিনী‘, ‘ভয়ংকর জাদুকর‘, ‘রাতুল দ্য গ্রেট‘, ‘অনতুর ১০ নম্বর‘, ‘ডানপিটে ডাবলু‘, ‘ভূতবন্ধু‘, ‘স্কুল থেকে পালিয়ে’, ‘ভূতবন্ধু‘, ‘পাঁচজন দুষ্টু ছেলে‘, ‘চার দুরন্ত‘, ‘তো তো তোতলা তোতন‘, ‘ভালো ছেলেগুলোর দুর্দান্ত মিশন‘, ‘বাপ্পী ভয়ঙ্কর‘, ‘রিফাতের অদ-ভূত বন্ধু‘, ‘দস্যি ছেলের দল‘, ‘রাফাতের ভয়ংকর রাত‘ ও ‘পাঁচ গোয়েন্দা সিরিজ‘ এর অন্তর্গত বিভিন্ন বই ইত্যাদি কিশোর উপন্যাস বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

সুমন্ত আসলামের সেরা বই

সুমন্ত আসলামের রচিত বইগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই সেরা বই এর উপাধি অর্জন করেছে। এগুলোর মধ্যে ‘জ্যোৎস্না বিলাস‘, ‘আশ্চর্য তুমিও!‘, হাফ সার্কেল‘, ‘মাঝরাতে সে যখন একা’, ‘দন্ত্যন রুহমান‘, ‘জানি না কখন‘, ‘নিনির সবুজ জ্যোৎস্না‘, ‘যে তুমি খুব কাছের‘, ‘দহন, ‘অন্তরতমা‘, ‘এই তো তুমি এই তো‘, ‘তবুও একদিন‘, ‘এক মায়াবতী আমার‘ ইত্যাদি উপন্যাস, ‘রোল নাম্বার শূন্য‘, ‘জিনিয়াস জিনিয়ান‘, ‘আই এম গুড ডু‘, ‘ডাঁটি ভাঙা চশমা রাফিদ‘, ‘রোল নাম্বার ১৩‘, ‘অনতুর ১০ নম্বর‘, ‘স্কুল থেকে পালিয়ে‘, ‘রাফাতের ভয়ংকর রাত‘ ইত্যাদি কিশোর উপন্যাস ও ‘বাউণ্ডুলে’ সিরিজের রম্যরচনাগুলো উল্লেখযোগ্য।

সুমন্ত আসলাম
সুমন্ত আসলামের বিখ্যাত হাস্যরসাত্মক সিরিজ ‘বাউণ্ডুলে’ এর একটি বই; Image Source: books.com.bd

সুমন্ত আসলামের বেস্টসেলার বই

উপরোক্ত বইগুলোর মধ্যে  সুমন্ত আসলামের বেস্টসেলার বই হলো ‘আমি আছি কাছাকাছি‘, ‘নীল এই যে আমি!‘, ‘ভালো থেকো ভালোবেসে‘, ‘অযান্ত্রিক‘, ‘স্পর্শের বাইরে‘, ‘আশ্চর্য তুমিও!‘, ‘জ্যোৎস্না বিলাস‘, ‘জানালার ওপাশে‘, ‘কেউ একজন আসবে বলে‘, ‘মাঝরাতে সে যখন একা‘, ‘তুমি ছুঁয়ে যাও বৃষ্টি তবু‘, ‘হয়তো কেউ এসেছিল‘, ‘আই সি দ্য সান‘, ‘প্রিয়ব্রতর ব্যক্তিগত পাপ‘, ‘তবুও তোমায় আমি‘ ইত্যাদি।

সুমন্ত আসলামের নতুন বই

এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত সুমন্ত আসলামের নতুন বই ‘যদি কখনো‘, ‘সেরা ১০০ বাউণ্ডুলে‘, ‘আই অ্যাম গুড্ডু‘, ‘এক মায়াবতী আমার‘, ‘তুমি থেকো একলা মনে‘ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ২০২০ বইমেলায় তাঁর নতুন বই…

বাউণ্ডুলে সুমন্ত আসলাম

বিখ্যাত ‘বাউণ্ডুলে‘ রম্যসিরিজ রচনার মাধ্যমে তিনি বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন এবং ‘বাউণ্ডুলে সুমন্ত আসলাম‘ নামে পরিচিতি লাভ করেন।

ব্যক্তিজীবন

ব্যক্তিজীবনে তিনি পরিবারের সাথে সময় কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন। স্ত্রী ফারজানা ঊর্মি এবং মেয়ে সুমর্মীকে নিয়েই তাঁর ছোট ও সুখী পরিবার। লেখালেখির পাশাপাশি তাঁদের নিয়েই তিনি সুখে দিনযাপন করছেন।

 

সুমন্ত আসলামের বইসমূহ

Rokomari Editor

Rokomari Editor

Rokomari is one of the leading E-commerce book sites in bangladesh

Leave a Comment

You May Also Like This Article


Notice: Undefined offset: 2 in /var/www/html/blog.rokomari.com/wp-includes/class-wp-query.php on line 3300

Notice: Trying to get property 'ID' of non-object in /var/www/html/blog.rokomari.com/wp-content/plugins/new-pc-functionality/views/relatable-posts-views.php on line 30

Notice: Trying to get property 'ID' of non-object in /var/www/html/blog.rokomari.com/wp-content/plugins/new-pc-functionality/views/relatable-posts-views.php on line 31

Notice: Trying to access array offset on value of type bool in /var/www/html/blog.rokomari.com/wp-content/plugins/new-pc-functionality/views/relatable-posts-views.php on line 33
Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading