বিদেশি থ্রিলার ছাপিয়ে কি বাংলা থ্রিলারের জনপ্রিয়তা সম্ভব?

বাংলা থ্রিলারের জনপ্রিয়তা

একটা সময় ছিলো, যখন বাংলাদেশে মৌলিক থ্রিলার হবে, তা ছিলো অবিশ্বাস্য ব্যাপার। আজ থেকে দশ পনেরো বছর আগেও কোন প্রকাশকের কাছে মৌলিক থ্রিলার নিয়ে গেলে লেখকের দিকে উঁচু চোখে তাকাতেন তারা। তাদের ধারণাও করতে পারতেন না বাংলা ভাষায় মৌলিক থ্রিলার আদৌ সম্ভব কিনা। স্বাধীন বাংলার আগে থেকেই এখানে বিদেশী থ্রিলার ঘরানার গল্পের ছায়া অবলম্বনে বই বের হতো। নব্বই দশকের পরে নোবেল কিংবা বুকার বিজয়ী বইগুলো অনুবাদ করা হলেও থ্রিলার অনুবাদ বা লেখায় তেমন উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় না। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়; বরং কোলকাতাও একই অবস্থায় ছিলো।

তবে বাংলায় মৌলিক থ্রিলার একদমই ছিলো না তা বললে যথেষ্ট ভুল বলা হবে। বরং বাংলায় থ্রিলার লেখা হয়েছে আরো প্রায় একশো বছর আগে। হেমেন্দ্রকুমার রায়ের কথাই ধরা যাক। তার তৈরি বিমল-কুমার নামক চরিত্রদ্বয়কে ঘিরে লেখা এডভেঞ্চার গল্প তৎকালীন মৌচাক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়া শুরু হয়েছিলো আজ থেকে ৯৯ বছর আগে। যদিও এই চরিত্র নিয়ে লেখা ‘যকের ধন’ বইটি প্রকাশিত হয়েছিলো কিছু পরে। তবে বাংলায় থ্রিলারের স্বর্ণ যাত্রা শুরু করেছিলেন সত্যজিৎ রায় ফেলুদা চরিত্রের মাধ্যমে। ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সন্দেশ পত্রিকায় যখন প্রথমবারের মত ফেলুদা প্রকাশিত হয়, তখন কেউ ধারণাও করেনি ফেলুদা হতে চলেছে বাংলা ভাষার এক অবিস্মরণীয় চরিত্র। তবে প্রথম বই হিসেবে ফেলুদা আত্মপ্রকাশ করে ‘বাদশাহী আংটি’র মাধ্যমে। যদিও তার আগে কিছু গোয়েন্দা ঘরানার গল্প বাংলা ভাষায় লেখা হয়েছিলো। যেমন শিবরাম চক্রবর্তী ‘কল্কেকাশি’ নামক একটি গোয়েন্দা চরিত্র নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প লিখেছিলেন। সেটিও প্রথম প্রকাশ পেয়েছিলো মৌচাক পত্রিকায় ১৯৪৯ সালে। এছাড়াও প্রেমেন্দ্র মিত্র লিখেছেন পরাশর বর্মা নামের কিশোর অ্যাডভেঞ্চার চরিত্র নিয়ে বেশ কিছু গল্প। তবে প্রেমেন্দ্র মিত্রের ঘনাদা চরিত্রের জনপ্রিয়তার আড়ালে চাপা পরে গেছে এসব গল্পের কথা। পরে অবশ্য শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ব্যোমকেশ বক্সী বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। এতবছর পর আজও আমরা ব্যোমকেশের গল্প দারুন আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করি।

ব্যোমকেশ সমগ্র
ব্যোমকেশ সমগ্র (হার্ডকভার) by শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

BUY NOW

এইটুকু আলোচনায় অন্তত এই বিষয়টা পরিস্কার হয় যে, বাংলা ভাষায় থ্রিলারের যাত্রা মোটেও কম সময়ের নয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেগুলোকে পূর্ণ মৌলিক থ্রিলার বলা কি সম্ভব? বহু বছর আগের বাংলা সাহিত্যের দুর্দান্ত এসব লেখকদের প্রতি সম্মান জানিয়েই বলতে হয়, বেশিরভাগ থ্রিলার ঘরানার গল্পই তৈরি করা হয়েছিলো বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে। তাছাড়া থ্রিলার সাহিত্যের আবশ্যিক বৈশিষ্ট্যের নিরিখে এগুলোকে তেমন পরিপূর্ণ থ্রিলার বলাও যায় না। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই এগুলো পূর্ণ থ্রিলার তবুও এটা অস্বীকার করা যাবে না যে, মুলধারার বাংলা সাহিত্যে থ্রিলারের বিস্তৃতি ছিলো একদমই নগন্য।

সিলেক্টেড মিস্ট্রি স্টোরিজ
সিলেক্টেড মিস্ট্রি স্টোরিজ (হার্ডকভার) by অনীশ দাস অপু, আলফ্রেড হিচকক

BUY NOW

কিন্তু বিদেশী থ্রিলারের দিকে তাকালে আমরা দেখি ভিন্ন চিত্র। থ্রিলারের মৌলিক ও আবশ্যিক কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিশ্ব সাহিত্যে বহু আগে থেকেই লেখালেখি হয়েছে। থ্রিলার মুলত অনেক প্রকারের হয়ে থাকে। যার মধ্যে ক্রাইম থ্রিলার (অপরাধ কেন্দ্রিক), হরর থ্রিলার (ভৌতিক) কিংবা সাইকোলজিকাল থ্রিলার (মনোস্তাত্বিক) অন্যতম। তবে সব ধরণের থ্রিলারের মধ্যেও বেশ কিছু ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো ‘সাসপেন্স’। সাসপেন্স সাধারণত দুই ধরণের হয়। প্রথমত, গল্পে এমন অবস্থায় উপনীত হওয়া, যেটি চরম অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত করে অথবা আনন্দদায়ক মোহ তৈরি করে। অপরদিকে সাসপেন্সের অন্য ধারাটি হলো, অদূরে কী ঘটতে চলেছে সেটি বাহ্যিকভাবে বোঝা গেলেও দেখা যায় ঘটছে ভিন্ন কিছু। সাসপেন্সের জনক বলা হয় ব্রিটিশ-আমেরিকান নির্মাতা আলফ্রেড হিচকককে। তার লেখা কিছু রহস্য গল্প পড়লে সাসপেন্সের ধারণা পরিস্কার হওয়া যায়। আমরা যদি আরো অনেক পেছনে ফিরে তাকাই, তবে দেখতে পাবো সাসপেন্সের গুরুত্ব থ্রিলার তো বটেই; বরং সাহিত্যের অনেক ধারাতেই ব্যবহারযোগ্য একটি বৈশিষ্ট্য। বিখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটোলের লেখা Poetics বইয়ের বক্তব্যে ‘কনসেপ্ট অব ফেয়ার’ (Concept of Fear) বা ভয়ের দর্শনকে বলা হয়েছে পুরো সাহিত্যের ভিত্তি। ভয়ের দর্শন বিষয়কে আধুনিক সাহিত্যে ভাঙলে আমরা পাই সাসপেন্সকে। অর্থাৎ সাসপেন্স পুরো সাহিত্যেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এছাড়াও হোমারের লেখা ‘ওডেসি’ (Odyssey) মহাকাব্যকে থ্রিলারে পৃথিবীর প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়। রকমারি ডট কমে বইটি বাংলা ইংরেজি দু’ভাষাতেই পাওয়া যায়। আর এই বইটি ইংরেজি ভাষায় প্রকাশ পেয়েছিলো আজ থেকে প্রায় ৫৩৩ বছর আগে!

ওডেসি
ওডেসি (হার্ডকভার) by হোমার

BUY NOW

সুতরাং এটা বলাই যায়, বিশ্ব সাহিত্যের হিসেবে বাংলা মৌলিক থ্রিলার আমরা পাইনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরেও। যদিও সেবা প্রকাশনী ১৯৬৪ সাল থেকে থ্রিলারের সঙ্গে যাত্রা করে আসছে এবং অনেক পাঠক তাদের সঙ্গী। কিন্তু তারাও বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনেই বইগুলো বের করতো। মুলত আমাদের দেশে বাংলায় মৌলিক থ্রিলারের উত্থান শুরু হয় মাত্র এক দশক আগে। ২০১২ সালে বাংলাদেশী লেখক শরীফুল হাসানের লেখা ‘সাম্ভালা’ বইটি যখন প্রকাশিত হয় তখন প্রায় হুলুস্থুল শুরু হয়ে যায় পাঠকদের মধ্যে। বইটি এতই জনপ্রিয় হয়েছিলো যে, পরবর্তীতে এটি ত্রয়ী বা ট্রিলজি হিসেবে আরো দু’টি বই প্রকাশিত হয়। অনেকের মতে, এটিই বাংলা ভাষায় প্রথম ফ্যান্টাসি থ্রিলার।

সাম্ভালা
সাম্ভালা (হার্ডকভার) by শরীফুল হাসান

BUY NOW

কিন্তু আজকের একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে যেখানে বিদেশী পৃথিবীনন্দিত থ্রিলারগুলো হাতে পাওয়া একদমই সহজ, সেখানে কি বাংলা থ্রিলারের জনপ্রিয়তা টিকিয়ে রাখা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রথম চ্যালেঞ্জ করেছিলেন যেই ব্যক্তি, তার নাম মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। তিনি বাতিঘর প্রকাশনীর প্রকাশক। ২০১৩ সালে বাতিঘর প্রকাশনী থ্রিলার গল্পের একটি সংকলন বের করে। তারপর প্রতি বছর অন্তর একটি করে মোট চারটি সংকলন গ্রন্থ তারা প্রকাশ করেছিলো। ২০১৪ সালে থৃলার গল্প সংকলন-২ এর ভূমিকায় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন লিখেছিলেন, সংকলনটিতে বিদেশী গল্পের অনুবাদ এবং কিছু দেশি মৌলিক গল্প সংকলন করা হয়েছে। সুতরাং পাঠক এক বই পড়েই বুঝতে পারবেন যে, বিদেশী থ্রিলারের মানের তুলনায় বাংলাদেশী থ্রিলারের মান কোন অংশেই কম নয়।

থৃলার গল্প সংকলন-২
থৃলার গল্প সংকলন-২ (হার্ডকভার) by মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

BUY NOW

পরবর্তীতে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন হয়ে উঠেছেন বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ থ্রিলার লেখক। তার লেখা বিখ্যাত ট্রিলজি ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ বইটি এখন পর্যন্ত দুই বাংলা মিলিয়ে প্রায় এক লক্ষ কপির বেশি বিক্রি হয়েছে। এটিকে বলা হয়, বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় থ্রিলার বই। তার বাইরেও তিনি বেগ-বাস্টার্ড নামের একটি চরিত্র তৈরি করেছেন। ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় এই সিরিজের প্রথম বই ‘নেমেসিস’। প্রকাশের দশবছর পরেও বইটি এখনও দেদারসে বিক্রি হয়। পরবর্তীতে এই সিরিজের যথাক্রমে কন্ট্রাক্ট, নেক্সাস, কনফেশন এবং করাচি বইগুলো প্রকাশিত হয়। এই সিরিজের পরবর্তী বই ‘নেক্সট’ প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে কোলকাতা ও ঢাকায় মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থ্রিলার লেখকদের একজন।

নেমেসিস
নেমেসিস (হার্ডকভার) by মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

BUY NOW

তবে বিদেশী থ্রিলারগুলোর জনপ্রিয়তার সাথে বাংলা থ্রিলারের জনপ্রিয়তা মাপতে গেলে আমাদের বেশ কয়েকটি দিক ভাবতে হবে। তার প্রথমটিই হলো, অনুবাদ। বিদেশী যে কোন একটি ভালো মানের থ্রিলার অনুবাদ করা হয় দ্রুত। এতে করে সেটি আর উক্ত দেশের বই থাকে না; বরং বিশ্ব সাহিত্যের অংশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। এখন বাংলাদেশে অনেক ভালো অনুবাদক থাকার দরুন বিদেশী সাহিত্যগুলো খুব দ্রুত ও মানসম্পন্ন অনুবাদ আমরা পেয়ে থাকি। কিন্তু অপরদিকে আমাদের দেশের থ্রিলারগুলো অন্যভাষায় অনুবাদ হয় খুবই কম। খুঁজলে হয়তো হাতে গোনা কিছু পাওয়া যাবে। যেমন কিছুদিন আগে লতিফুল ইসলাম শিবলীর লেখা ‘দখল’ বইটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে The Seize শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে ইংল্যান্ডে। কিন্তু এছাড়াও অন্যান্য বাংলা মৌলিক থ্রিলারগুলোকে অনুবাদের জন্য আমরা বিশ্বের দরবারে তুলে দিতে ব্যর্থ হয়েছি। বিদেশী থ্রিলারের জনপ্রিয়তায় আমাদের জনপ্রিয়তা জিইয়ে রাখার এটি একটি প্রতিবন্ধকতা।

দখল
দখল (হার্ডকভার) by লতিফুল ইসলাম শিবলী

BUY NOW

এখন এই অনুবাদ হবার জন্য সবচেয়ে বেশি যেটি প্রয়োজন, তা হলো পৃষ্ঠপোষকতা। বাংলা বইয়ের বাজারে যারা কাজ করেন, তাদের অনেকেই সাহিত্য মানের বিচারে ভালো বইগুলো পৃষ্ঠপোষক পর্যন্ত পৌছে দিতে ব্যর্থ হন। তাছাড়া নামকাওয়াস্তে বইয়ের দেখভালের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান থাকলেও বইয়ের পাইরেসি ও অবৈধ মুদ্রনের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে দেখা যায় না কাউকেই। নতুন যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অবৈধভাবে পাইরেসি করে বই ছড়িয়ে দেয়া সহজ বিধায় আগের তুলনায় এই অপরাধ কর্মকান্ড বেড়েছে। যেমন, ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ বইটির পাইরেসি পিডিএফ কপি প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিলো ওপার বাংলায়। কিন্তু তারপরে যখন কোলকাতার প্রকাশনা সংস্থা অভিযান পাবলিশার্স বইটি সেখানে প্রকাশ করে, তখন মানুষ হুমড়ি খেয়ে কিনেছে। এতে তাই প্রমানিত হয়, পাইরেসি নয়; বরং ভালো মানের বই পাঠক নিজের টাকা খরচ করেই পড়তে চায়। কিন্তু তাই বলে তো আর পাইরেসিকে মুক্ত করে দেয়া যায় না। বরং এটি থামাতে, কঠোরভাবে হস্তক্ষেপ করা উচিত কতৃপক্ষের। বিদেশি বিখ্যাত থ্রিলারগুলোর খুব কমই ডিজিটাল মিডিয়ায় পাইরেসি হতে দেখা যায়।

শব্দজাল
শব্দজাল (হার্ডকভার) by রবিন জামান খান

BUY NOW

কিন্তু বিদেশী থ্রিলারের জনপ্রিয়তার নিরিখে সবচেয়ে বড় যেটি সমস্যা তা হলো, বাজারের বিস্তৃতি। একটা সময় ঢাকায় প্রকাশিত বই বরিশালে পাওয়াটাও সহজলভ্য ছিলো না। কিন্তু এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারতের পশ্চিম বঙ্গে আমাদের থ্রিলার বইগুলো প্রকাশিত হচ্ছে। কয়েক মাস আগে প্রকাশিত রবিন জামান খানের লেখা ‘শব্দজাল’ বইটি ইতোমধ্যে কোলকাতার একটি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এতে করে বোঝা যায়, খুব দ্রুত বাংলাদেশী থ্রিলারের বাজারের বিস্তার ঘটছে। অপরদিকে বিদেশী থ্রিলারগুলোর বেশিরভাগেরই বাজারের বিস্তার অনেক বেশি। তবে জাপানিজ কিংবা ল্যাটিনের মত অনেক জায়গার থ্রিলার বাজার আমাদের মত কিছুটা সংকীর্ণ।

জনপ্রিয় সব থ্রিলার বইয়ের সংগ্রহ দেখতে ক্লিক করুন!

কিন্তু সংকীর্ণ বাজারেও মান ঠিক থাকলে, বই যে লক্ষাধিক বিক্রি সম্ভব তা তো বাংলাদেশী থ্রিলার দেখিয়েছে আগেই। তাই বিদেশী থ্রিলার ছাপিয়ে বাংলা থ্রিলারের জনপ্রিয়তা যে ইতিবাচক ভাবেই এগিয়ে যাবে তা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

Zubayer Ibn Kamal

Zubayer Ibn Kamal

For the last half a decade, I have been writing stories, articles, features, and other content in various national level magazines. I am most interested in creative writing. I have read thousands of fiction books in the last few years. I have memorized the book of the last revelation of God. My day goes by reading books and thinking.

Leave a Comment

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading