টাইম ট্রাভেল করে ৩০০ বছর পিছে যাওয়ার আগে আর একটি বার ভাবুন !

সায়েন্স ফিকশন

আপনি কী ধরনের বই পছন্দ করেন?

এ্যাডভেঞ্চার, সাই-ফাই বা সায়েন্স ফিকশন অথবা রোমান্টিক উপন্যাস?

যদি এসবের কোন একটি ঘরানা পছন্দ করে থাকেন সেক্ষেত্রে টাইম মেশিনে করে ৩০০ বছর পেছনে পাঠিয়ে দিলে আপনার জন্যে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে। সময় কাটাবেন কীভাবে? ওখানে তো কম্পিউটার, মোবাইল কিছুই থাকবে না। বই পড়ে সময় কাটাতে চাইলে পড়তে হবে দর্শন, বিজ্ঞান, ধর্ম ইত্যাদি সংক্রান্ত নানাবিধ বই। আনন্দ পাবার জন্যে বই পড়াটা রীতিমত অশিষ্ট আচরণ হিসেবে গণ্য হতো সেই সময়ে। তাদের যুক্তিও কম নেই সে ব্যাপারে।  

সকল এ্যাডভেঞ্চার সম্পর্কিত বই পেতে ক্লিক করুন-

সকল সাই-ফাই বা সায়েন্স ফিকশন সম্পর্কিত বই পেতে ক্লিক করুন-  

সকল রোমান্টিক উপন্যাস পেতে ক্লিক করুন-

আপনার আশেপাশেই এমন অনেক মানুষ দেখবেন, যারা যে কোন কিছুতে শিক্ষামূলক ব্যাপার খোঁজেন। আমাদের পূর্ব পুরুষেরাও, বিশেষ করে উনবিংশ শতাব্দীর দিকে যারা ছিলেন, বই পড়ে আনন্দ বা বিনোদন নেয়াটা তার রীতিমত গর্হিত অপরাধ মনে করতেন। তাদের মতে, এতে মস্তিষ্কের অনুশীলন হয় না, চিত্ত হয়ে যায় লঘু, এবং আত্মার বিনাশ ঘটে!

আরোও পড়তে পারেন- এই সায়েন্স ফিকশন গুলো পড়বেন না। কারণ, এগুলো নিষিদ্ধ হয়েছিল। 

শুধু তাই নয়, উপন্যাস পাঠে মানুষজন বাস্তব জীবন থেকে বিচ্যুত হয়ে এক অন্য জগতে বিচরণ করতে থাকে। নিজের একঘেয়ে দৈনন্দিন থেকে মুক্তি পেতে উপন্যাসে বর্ণিত রোমাঞ্চকর জায়গায় যেতে চায়। পরিচিত হতে চায় দুরন্ত চরিত্র গুলোর সাথে। শামিল হতে চায় অভিযানে। কী দুঃসাহস! এতেই শেষ নয়। তারা ধর্ম-কর্ম, সংসার, বাসা-বাড়ি, মন্দির-মসজিদের প্রতি কর্তব্য ভুলে যায়। এমন কি তাদের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করতেন সে যুগের জ্ঞানী মুরুব্বি গন।

রহস্য-রোমাঞ্চ বই পড়ার ‘অপরাধ’ তবু মাফ করা যায়। কিন্তু প্রেমের কাহিনী? এটা মোটেই ক্ষমাযোগ্য নয়। কম বয়েসী লাফাঙ্গা ছেলে-মেয়েরা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, বাস্তববিমুখ হচ্ছে মূলত এর কারণেই। তাদের হৃদয় আবেগে পরিপূর্ণ হয়, কী অন্যায়! এত ভালোবাসা মোটেও ভালো না সমাজের জন্যে। ভালোবাসা থেকেই শুরু হবে আবেগের বাঁধা ভাঙা, এলোমেলো হয়ে যাবে প্রতিদিনকার রুটিন, এ থেকে সমাজে ছড়িয়ে পড়বে বিশৃঙ্খলা। ভেঙে পড়বে সব নিয়ম-কানুন, ধ্বংস হবে সভ্যতা। সুতরাং, কী দরকার বাপু এ সমস্ত আবেগ উদ্রেককারী বই পড়ে?

গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত আছে অপরাধ সংক্রান্ত কাহিনী নির্ভর বই গুলি। এসব পাঠে কেবল নৈতিক অধঃপতন ঘটে এবং অপরাধকে মহিমান্বিত করা হয়। যদিও অপরাধ এবং নিপীড়ন সব সময়ই চলে আসছে, তাই বলে এসব নিয়ে বই লিখে ফেলতে হবে? এটা বড্ড বেশি চাওয়া হয়ে যাচ্ছে না? 

সময়ের ফেরে আমরা পেরিয়ে এসেছি এই দশা। তাই প্রাণ ভরে শ্বাস নিন মুক্ত বাতাসে, কল্পনার ঘোড়ায় চড়ে পাড়ি দিন বহু পথ, সমৃদ্ধ করুন নিজেকে।

রকমারিতে রয়েছে লক্ষাধিক বইয়ের এক বিশাল সংগ্রহ। বইয়ের রাজ্যে ঘুরে আসতে ক্লিক করুন।

rokomari

rokomari

Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money.

Leave a Comment

Rokomari-blog-Logo.png
Join our mailing list and get the latest updates
Loading